সংবাদদাতা, নকশালবাড়ি: পার্সেল ভ্যানে মোষ পাচার হচ্ছিল। পুলিস ধরতেই দলবল নিয়ে সটান হাজির হন তৃণমূল কংগ্রেসের সংখ্যালঘু সেলের এক নেতা। তাঁর ক্ষোভের মুখে পড়েন পুলিস কর্মীরা। ওই নেতা প্রকাশ্যেই পুলিসকে হুঁশিয়ারি দেন। যা জানাজানি হতেই শাসক শিবির কিছুটা অস্বস্তিতে। যদিও পুলিস মোষ বোঝাই গাড়িটি বাজেয়াপ্ত করে এবং নির্দিষ্ট ধারায় মামলা রুজু করে।
Advertisement
সোমবার রাতে নকশালবাড়ি ব্লকের সাতভাইয়ায় পুলিসি অভিযানে বাজেয়াপ্ত হয় মোষ বোঝাই পার্সেল ভ্যান। গ্রেপ্তার করা হয় ড্রাইভারকে। পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, সূত্র মারফত খবর পেয়ে এলাকায় ঘাঁটি গাড়ে নকশালবাড়ি থানার পুলিস। সন্দেহজনক গাড়িটি আসতেই দাঁড় করান পুলিস কর্মীরা। গাড়িতে তল্লাশি চালালে উদ্ধার হয় ৪৬টি মোষ। কোনও নথি দেখাতে না পারায় চালককে গ্রেপ্তার করা হয়। পুলিস জানিয়েছে, ধৃতের নাম মহম্মদ ফরিদ। সে উত্তরপ্রদেশের বাসিন্দা।
পুলিস মোষের গাড়ি ধরেছে, খবর পেতেই দলবল নিয়ে ঘটনাস্থলে হাজির হন তৃণমূলের সংখ্যালঘু সেলের নকশালবাড়ি ব্লক সভাপতি মহম্মদ রেহান রেজা। গাড়িটি ছাড়াতে ঘণ্টা খানেক পুলিসের সঙ্গে চলে তাঁর তর্কাতর্কি। নকশালবাড়ি থানায় খবর যায়। বিশাল পুলিস বাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছে লরিটি বাজেয়াপ্ত করে থানায় নিয়ে যায়।
তদন্তকারী এক পুলিস অফিসার বলেন, নজর এড়াতেই ডাক পার্সেল ভ্যানে মোষ নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। গাড়ির পিছনে কোনও নম্বর প্লেট ছিল না। সামনের নম্বর প্লেটেও গরমিল রয়েছে। এজন্যই সন্দেহ গাঢ় হয়। গাড়িটি বিহার থেকে অসমের দিকে যাচ্ছিল বলে আমাদের অনুমান। সেটি আটকাতেই স্থানীয় কিছু যুবক পুলিসের কাজে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করে।
যদিও এই ব্যবসা দীর্ঘদিনের বলে দাবি করেন সংখ্যালঘু সেলের ব্লক সভাপতি মহম্মদ রেহান রেজা। তিনি বলেন, গরিব ব্যবসায়ীদের হয়ে আমি ঘটনাস্থলে গিয়ে পুলিসের সঙ্গে কথা বলি। গাড়ির চালকের কাছে মোষের চালান থাকলেও লাইভস্টক পরিবহণের পারমিট ছিল না। এভাবেই গাড়ি যায়। পুলিসকে এই ব্যবসায় নজর দেওয়া ঠিক হচ্ছে না।
নকশালবাড়ি থানার ওসি অসীম বারি বলেন, আইন অনুযায়ী পদক্ষেপ করা হয়েছে। চালকের বিরুদ্ধে নির্দিষ্ট ধারায় মামলা রুজু করেছি। যদিও সংখ্যালঘু সেলের দার্জিলিং জেলা সভাপতি মহম্মদ রফিকুল ইসলাম বলেন, বিষয়টি আমার জানা নেই। তবে খোঁজ নিয়ে দেখব। এমনটা হলে দলের জেলা সভানেত্রীর সঙ্গে কথা বলে ব্লক সভাপতির বিরুদ্ধে উপযুক্ত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পুলিসের কাজে এভাবে হস্তক্ষেপ করা ঠিক নয়।
পুলিস মোষের গাড়ি ধরেছে, খবর পেতেই দলবল নিয়ে ঘটনাস্থলে হাজির হন তৃণমূলের সংখ্যালঘু সেলের নকশালবাড়ি ব্লক সভাপতি মহম্মদ রেহান রেজা। গাড়িটি ছাড়াতে ঘণ্টা খানেক পুলিসের সঙ্গে চলে তাঁর তর্কাতর্কি। নকশালবাড়ি থানায় খবর যায়। বিশাল পুলিস বাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছে লরিটি বাজেয়াপ্ত করে থানায় নিয়ে যায়।
তদন্তকারী এক পুলিস অফিসার বলেন, নজর এড়াতেই ডাক পার্সেল ভ্যানে মোষ নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। গাড়ির পিছনে কোনও নম্বর প্লেট ছিল না। সামনের নম্বর প্লেটেও গরমিল রয়েছে। এজন্যই সন্দেহ গাঢ় হয়। গাড়িটি বিহার থেকে অসমের দিকে যাচ্ছিল বলে আমাদের অনুমান। সেটি আটকাতেই স্থানীয় কিছু যুবক পুলিসের কাজে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করে।
যদিও এই ব্যবসা দীর্ঘদিনের বলে দাবি করেন সংখ্যালঘু সেলের ব্লক সভাপতি মহম্মদ রেহান রেজা। তিনি বলেন, গরিব ব্যবসায়ীদের হয়ে আমি ঘটনাস্থলে গিয়ে পুলিসের সঙ্গে কথা বলি। গাড়ির চালকের কাছে মোষের চালান থাকলেও লাইভস্টক পরিবহণের পারমিট ছিল না। এভাবেই গাড়ি যায়। পুলিসকে এই ব্যবসায় নজর দেওয়া ঠিক হচ্ছে না।
নকশালবাড়ি থানার ওসি অসীম বারি বলেন, আইন অনুযায়ী পদক্ষেপ করা হয়েছে। চালকের বিরুদ্ধে নির্দিষ্ট ধারায় মামলা রুজু করেছি। যদিও সংখ্যালঘু সেলের দার্জিলিং জেলা সভাপতি মহম্মদ রফিকুল ইসলাম বলেন, বিষয়টি আমার জানা নেই। তবে খোঁজ নিয়ে দেখব। এমনটা হলে দলের জেলা সভানেত্রীর সঙ্গে কথা বলে ব্লক সভাপতির বিরুদ্ধে উপযুক্ত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পুলিসের কাজে এভাবে হস্তক্ষেপ করা ঠিক নয়।



