নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: দুর্গাপ্রতিমা তৈরিতে যে শিল্পীর মুন্সিয়ানা তাক লাগিয়ে দেয়, পুরস্কৃত হন তিনি। মণ্ডপসজ্জায় নান্দনিকতার অপরূপ প্রকাশ ঘটলে স্বীকৃতি মেলে সেই মণ্ডপশিল্পীরও। একইভাবে বইমেলা প্রাঙ্গণে যে কারিগর খুব ভালো স্টল তৈরি করেছেন, তাঁকেও স্বীকৃতি দেওয়া হোক। এমন দাবিই উঠে এল বইমেলা প্রাঙ্গণ থেকে। রবিবার ছিল ৪৮তম কলকাতা বইমেলার শেষ দিন। এদিন একাধিক বিভাগে পুরস্কৃত করা হয় বিভিন্ন স্টলকে এবার জার্মানি, আর্জেন্টিনার স্টলকে পুরস্কৃত করেছে পাবলিশার্স অ্যান্ড বুক সেলার্স গিল্ড। দৃষ্টিনন্দন স্টল তৈরির জন্য পুরস্কৃত করা হয়েছে জাগো বাংলা, মাতৃশক্তি সহ একাধিক স্টলকে। সেই সূত্রেই সুদৃশ্য স্টলের শিল্পী-কারিগরদের সম্মানিত করার বার্তা উঠে আসে।
Advertisement
প্রকাশকদের পরিকল্পনা অনুযায়ী একটি স্টলকে সাজিয়ে তোলেন শিল্পী ও কারিগররা। সীমিত জায়গার মধ্যে একটি স্টল পাঠকের কাছে কীভাবে আকর্ষণীয় করে তোলা যায়, তা মাথায় রেখেই হয় স্টলসজ্জা। এবারের বইমেলায় ৪০টি স্টল করেছেন মানসরঞ্জন দাস। তাঁর বক্তব্য, ‘অন্য যে কোনও মেলায় কাজ করার তুলনায় বইমেলায় কাজের অনুভূতি সম্পূর্ণ আলাদা। বইমেলা হৃদয়ে গেঁথে গিয়েছে। যে স্টলগুলি মনপ্রাণ ঢেলে সাজিয়েছি, তার স্বীকৃতি মিলুক—এটা আমাদেরও আশা।’ গিল্ডের সাধারণ সম্পাদক সুধাংশুশেখর দে বলেন, ‘কারিগরদের হাতের ছোঁয়ায় অনন্য হয়ে ওঠে বইমেলা। তাঁদের সম্মানিত করার বিষয়টি বাস্তবিকই ভেবে দেখা উচিত।’



