সংবাদদাতা, ময়নাগুড়ি: প্রশাসনের কর্তারা অভিযান করে ফিরতেই ফের চড়া দামে সব্জি বিক্রি চলল ময়নাগুড়ির বাজারগুলিতে। রবিবার ময়নাগুড়ি বাজারে প্রশাসনিক কর্তারা অভিযান চালান। কিন্তু, তার কার্যত কোনও প্রভাবই পড়ল না বিক্রেতাদের মনোভাবে। সোমবার ডোন্টকেয়ার মনোভাব নিয়ে চড়া দামেই সব্জি বিক্রি করলেন ব্যবসায়ীরা। ময়নাগুড়ি নতুন বাজারে ভুটান আলু ৬০ টাকা কেজি, পেঁয়াজ ৮০ টাকা, রসুন কোথাও ৩০০ কোথাও ৩৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হল। এছাড়া ১২০টাকা কেজি দরে আদা বিক্রি হয়েছে। পুরাতন বাজারেও একই দামে সব্জি বিক্রি হয়েছে। সেখানে পেঁয়াজ ৭০ টাকা, আদা ১২০ টাকা, বিনস ১২০টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়েছে। রসুনের দাম সাড়ে তিনশ টাকা কেজি। ফলে প্রশাসনের অভিযান ও ভূমিকা এবং ব্যবসায়ীদের একরোখা মনোভাব নিয়ে ক্রেতারা সরব হয়েছেন।
Advertisement
আনন্দনগর পাড়ার বাপি সরকার বলেন, প্রশাসনের কড়া নজরদারির পাশাপাশি যারা কালোবাজারির সঙ্গে যুক্ত তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। শহরের এক হোটেল ব্যবসায়ী কমল সাহা বলেন, হোটেলে খাবারের রেট একই আছে। কিন্তু বাজারে সব্জির দাম আকাশছোঁয়া। আমরা সমস্যায় পড়ছি।
এই ব্যাপারে ময়নাগুড়ি নতুন বাজার ব্যবসায়ী সমিতির সম্পাদক সিদ্ধার্থ সরকার বলেন, এর মধ্যেই আমরা ব্যবসায়ী সমিতির সঙ্গে বৈঠকে বসব। তবে প্রশাসনের কড়া ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। ময়নাগুড়ি পুরাতন বাজার ব্যবসায়ী সমিতির সম্পাদক সুমিত সাহা বলেন, ময়নাগুড়িতে সমস্যা হল বড় মহাজন নেই। হাট থেকে সব্জি কিনে তা বাজারে ব্যবসায়ীরাই বিক্রি করেন। ব্যবসায়ীরা বলেছেন, তাদের চড়া দাম দিয়ে সব্জি কিনতে হচ্ছে। পাইকারি বিক্রেতাদের উপর প্রশাসনের নজর দেওয়া উচিত। তাহলেই কিছুটা রাশ টানা সম্ভব হবে।
ময়নাগুড়ি বাজারের এক সবজি ব্যবসায়ী গদাই বিশ্বাস বলেন, আমাদের বেশি দাম দিয়ে সব্জি কিনতে হচ্ছে। যেদিন যে সব্জির জোগান বেশি, সেদিন দাম কম থাকছে। আমরা খুচরো ব্যবসায়ী। আমাদের কিছু করার নেই। দু’এক টাকা লাভ তো করতে হবে।
প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ইচ্ছাকৃতভাবে দাম বাড়ানো হলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। বাজার এলাকায় নজরদারি চলবে।
এই ব্যাপারে ময়নাগুড়ি নতুন বাজার ব্যবসায়ী সমিতির সম্পাদক সিদ্ধার্থ সরকার বলেন, এর মধ্যেই আমরা ব্যবসায়ী সমিতির সঙ্গে বৈঠকে বসব। তবে প্রশাসনের কড়া ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। ময়নাগুড়ি পুরাতন বাজার ব্যবসায়ী সমিতির সম্পাদক সুমিত সাহা বলেন, ময়নাগুড়িতে সমস্যা হল বড় মহাজন নেই। হাট থেকে সব্জি কিনে তা বাজারে ব্যবসায়ীরাই বিক্রি করেন। ব্যবসায়ীরা বলেছেন, তাদের চড়া দাম দিয়ে সব্জি কিনতে হচ্ছে। পাইকারি বিক্রেতাদের উপর প্রশাসনের নজর দেওয়া উচিত। তাহলেই কিছুটা রাশ টানা সম্ভব হবে।
ময়নাগুড়ি বাজারের এক সবজি ব্যবসায়ী গদাই বিশ্বাস বলেন, আমাদের বেশি দাম দিয়ে সব্জি কিনতে হচ্ছে। যেদিন যে সব্জির জোগান বেশি, সেদিন দাম কম থাকছে। আমরা খুচরো ব্যবসায়ী। আমাদের কিছু করার নেই। দু’এক টাকা লাভ তো করতে হবে।
প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ইচ্ছাকৃতভাবে দাম বাড়ানো হলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। বাজার এলাকায় নজরদারি চলবে।



