Bartaman Logo
২৭ মে, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

প্রশাসনের নির্দেশে তিস্তাপাড়ে সাফাই শুরু, নির্মাণ করা হচ্ছে শৌচালয়ও

প্রশাসনের নির্দেশে তিস্তাপাড়ে সাফাই শুরু, নির্মাণ করা হচ্ছে শৌচালয়ও
  • ৭ জানুয়ারি, ২০২৫ ০০:০০
নিজস্ব প্রতিনিধি, জলপাইগুড়ি: মহকুমা শাসকের নির্দেশমতো সোমবার সকাল থেকে সাফাই শুরু হল তিস্তাপাড়ে। একইসঙ্গে পিকনিক করতে আসা মানুষজনের দাবি মেনে তিস্তার চরে অস্থায়ী শৌচালয় তৈরিও শুরু করল খড়িয়া গ্রাম পঞ্চায়েত।
Advertisement
পিকনিকের জেরে তিস্তার পাড় কার্যত নরককুণ্ডে পরিণত হয়েছে। চারদিকে ছড়িয়ে ছিটিয়ে পড়ে থার্মোকলের থালা, প্লাস্টিকের গ্লাস, মদের বোতল। যার জেরে দৃশ্যদূষণের পাশাপাশি পরিবেশ দূষণও হচ্ছিল। রবিবার পরিদর্শনে গিয়ে ওই দূষণ চাক্ষুস করেন জলপাইগুড়ি সদরের মহকুমা শাসক তমোজিৎ চক্রবর্তী এবং বিডিও মিহির কর্মকার। তারপরই মহকুমা শাসক দ্রুত তিস্তাপাড় পরিচ্ছন্ন করার কাজ শুরু করতে নির্দেশ দেন খড়িয়া পঞ্চায়েতকে। সেইমতো এদিন থেকে পঞ্চায়েতের ভিলেজ রিসোর্স পার্সনরা (ভিআরপি) তিস্তার পাড় সাফাই শুরু করেন। ওই টিমের সুপারভাইজার রুমা রায় বসু বলেন, আমরা ১৫ জন মিলে সাফাইয়ের কাজ শুরু করেছি। সোমবার তিস্তার এক নম্বর স্পার থেকে ওই কাজ শুরু হয়েছে। ন’নম্বর স্পার পর্যন্ত ধাপে ধাপে আমরা সাফাই করব।
শীতকালজুড়ে জলপাইগুড়িতে তিস্তাপাড়ে পিকনিক চলে। অনেক দূর থেকেও মানুষজন এখানে পিকনিক করতে আসেন। কিন্তু তাঁদের অভিযোগ, পানীয়জল ও শৌচালয়ের কোনও ব্যবস্থা নেই। ফলে তাঁদের খুবই সমস্যা পড়তে হয়। বিষয়টি প্রশাসনের কানে যেতেই স্থানীয় খড়িয়া পঞ্চায়েতকে পদক্ষেপ করতে বলা হয়। সেইমতো এদিন তিস্তার চরে বাঁশের খাঁচা করে, তার উপর টিন দিয়ে অস্থায়ী শৌচালয় তৈরির কাজ শুরু হয়েছে।
খড়িয়া পঞ্চায়েতের উপপ্রধান মনোজ ঘোষ বলেন, প্রশাসনের নির্দেশে আমরা তিস্তার প্রতিটি স্পারে পুরুষদের জন্য দু’টি এবং মহিলাদের জন্য দু’টি করে অস্থায়ী শৌচালয় তৈরি করে দিচ্ছি। এদিন থেকে শুরু হয়েছে ওই কাজ। ট্যাঙ্কের মাধ্যমে পানীয় জলের ব্যবস্থা করা হবে বলেও জানিয়েছেন তিনি।
সম্পর্কিত সংবাদ