নিজস্ব প্রতিনিধি, জলপাইগুড়ি: হাইকোর্টের সার্কিট বেঞ্চের সার্ভিস রোড তৈরির ক্ষেত্রে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছিল সরকারি জমিতে জবরদখল। প্রশাসন জবরদখল হটাতে চূড়ান্ত সময়সীমা বেঁধে দেয়। প্রশাসনের দেওয়া সময়ের মধ্যেই সরকারি জমি থেকে নিজেদের ঘরবাড়ি ভেঙে সরিয়ে নেওয়ার কাজ শুরু করলেন বাসিন্দারা। তবে কিছু ঘর রয়ে গিয়েছে সরকারি জমিতে। বুধবার ঘটনাস্থলে গিয়ে ওই ঘরবাড়িও ৭২ ঘণ্টার মধ্যে ভেঙে সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দেন প্রশাসনের আধিকারিকরা। এদিন অবশ্য প্রশাসনের আধিকারিকদের সামনে সরকারি জমিতে বাড়ি বানিয়ে থাকা বাসিন্দাদের কেউ কেউ পুনর্বাসনের দাবিতে সরব হন। দাবি করেন, পাহাড়পুর এলাকাতেই তাঁদের বিকল্প জায়গার ব্যবস্থা করে দিতে হবে। যদিও পুনর্বাসনের ব্যাপারে প্রশাসন কোনও মন্তব্য করতে চায়নি।
Advertisement
জলপাইগুড়ি সদরের বিডিও মিহির কর্মকার বলেন, গোশালা মোড় থেকে পাহাড়পুর পর্যন্ত জাতীয় সড়কের যেদিকে সার্কিট বেঞ্চের ভবন তৈরি হচ্ছে, সেদিকে সার্ভিস রোড ও নিকাশিনালা হবে। এজন্য সরকারি জায়গায় যাঁরা বাড়ি বানিয়ে বাস করছেন, তাঁদের সরে যেতে বলা হয়েছে। গত জুলাই মাস থেকে ২৭টি পরিবারকে নোটিস দেওয়া হচ্ছে। গত বুধবার আমি নিজে গিয়ে সরকারি জমি দখলমুক্ত করে দেওয়ার জন্য সাতদিনের সময় দিয়ে এসেছিলাম। সেই সময়সীমার মধ্যেই ওখানে বসবাসকারী বাসিন্দারা নিজেরাই বাড়িঘর ভেঙে সরিয়ে নেওয়ার কাজ শুরু করেছেন। এদিনও প্রশাসনের আধিকারিকরা সেখানে গিয়েছিলেন। মাইকিং চলছে। বাসিন্দারা যাতে দ্রুততার সঙ্গে সরকারি জমি খালি করে দেন, সেব্যাপারে বলা হয়েছে। ওই জায়গা দখলমুক্ত হলেই সার্ভিস রোড তৈরির কাজ শুরু হয়ে যাবে।
প্রশাসন সূত্রে খবর, ৩১ডি জাতীয় সড়কের পাশে যে সরকারি জমিতে জবরদখল রয়েছে, সেটি বছর দশেক আগে জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষ অধিগ্রহণ করেছে। কিন্তু ওই জমির পুরোটাই কার্যত দখল হয়ে গিয়েছে।
প্রশাসন সূত্রে খবর, ৩১ডি জাতীয় সড়কের পাশে যে সরকারি জমিতে জবরদখল রয়েছে, সেটি বছর দশেক আগে জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষ অধিগ্রহণ করেছে। কিন্তু ওই জমির পুরোটাই কার্যত দখল হয়ে গিয়েছে।



