সংবাদদাতা, পুরুলিয়া: অবশেষে দীর্ঘ কয়েক বছর পর দখলমুক্ত হল আড়ষার যাত্রাটাঁড় আইসিডিএস কেন্দ্র। ইতিমধ্যে ওই আইসিডিএস কেন্দ্রে রান্নাও শুরু করেছেন কর্মীরা। ওই ভবন বেদখল করে থাকা তৃণমূল নেতা প্রশাসনের চাপে চাবি ফিরিয়ে দিলেও গোটা বিষয়টি নিয়ে আদালতের দ্বারস্থ হওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।
Advertisement
প্রসঙ্গত, পুরুলিয়ার আড়ষা থানার অন্তর্গত যাত্রাটাঁড় আইসিডিএস কেন্দ্রের নতুন ভবনটি স্থানীয় তৃণমূল নেতা রঞ্জিত গড়াই দখল করে রেখেছিলেন বলে অভিযোগ ওঠে। সেখানে পার্টি অফিসও বানিয়েছিলেন। নতুন ভবন থাকা সত্ত্বেও তাতে ঢুকতে না পেরে প্রাথমিক স্কুলের একটি পরিত্যক্ত ভাঙাচোরা রুমেই রান্নার কাজ করতেন আইসিডিএস কর্মীরা। সম্প্রতি বিষয়টি বর্তমান পত্রিকাতেও প্রকাশিত হয়। তারপরই নড়েচড়ে বসে প্রশাসন। ওই তৃণমূল নেতাকে ডেকে দখল মুক্ত করার বিষয়ে আলোচনা করেন ব্লক ও পঞ্চায়েত সমিতির আধিকারিকরা।
এ বিষয়ে আড়ষা পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি বিশ্বরূপ মাঝি বলেন, সংবাদ মাধ্যমের কাছে বিষয়টি জানতে পারার পরই এ বিষয়ে উদ্যোগ নেওয়া হয়। এক ব্যক্তি একটি আইসিডিএস সেন্টার দখল করে রেখেছিলেন। ওই ব্যক্তির সঙ্গে তৃণমূল কংগ্রেসের সেরকম কোনও সম্পর্ক নেই। তাঁর সঙ্গে আলোচনা করে চাবি নিয়ে নেওয়া হয়েছে। সেই চাবি সিডিপিওকে দেওয়া হয়েছে। ভবনটি দখলমুক্ত হয়েছে। এ বিষয়ে রঞ্জিত গড়াই নামে অভিযুক্ত ব্যক্তি বলেন, বিষয়টা নিয়ে আমি আদালতের দ্বারস্থ হব। ওই জমিটি নিয়ে একটি আইনি জটিলতা রয়েছে। জমিটি আমরা দান করিনি। যদিও ওই সরকারি ভবনে বসবাস করার সময় রঞ্জিতবাবু নিজেই জানিয়েছিলেন, ওই সরকারি ভবনের জন্য জমি তারা দান করেছেন। সেইসঙ্গে ভবন নির্মাণের জন্যেও কয়েক লক্ষ টাকা তিনি খরচ করেছিলেন। অন্যদিকে স্থায়ী আইসিডিএস কেন্দ্র পাওয়ায় খুশি এলাকার বাসিন্দা থেকে শুরু করে আইসিডিএস কর্মীরাও। যাত্রাটাঁড় আইসিডিএস কেন্দ্রের কর্মী ছবিরানি মাহাত বলেন, আইসিডিএস কেন্দ্রটিতে রান্না শুরু করা হয়েছে। এর বেশি কিছু বলতে পারব না।
এ বিষয়ে আড়ষা পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি বিশ্বরূপ মাঝি বলেন, সংবাদ মাধ্যমের কাছে বিষয়টি জানতে পারার পরই এ বিষয়ে উদ্যোগ নেওয়া হয়। এক ব্যক্তি একটি আইসিডিএস সেন্টার দখল করে রেখেছিলেন। ওই ব্যক্তির সঙ্গে তৃণমূল কংগ্রেসের সেরকম কোনও সম্পর্ক নেই। তাঁর সঙ্গে আলোচনা করে চাবি নিয়ে নেওয়া হয়েছে। সেই চাবি সিডিপিওকে দেওয়া হয়েছে। ভবনটি দখলমুক্ত হয়েছে। এ বিষয়ে রঞ্জিত গড়াই নামে অভিযুক্ত ব্যক্তি বলেন, বিষয়টা নিয়ে আমি আদালতের দ্বারস্থ হব। ওই জমিটি নিয়ে একটি আইনি জটিলতা রয়েছে। জমিটি আমরা দান করিনি। যদিও ওই সরকারি ভবনে বসবাস করার সময় রঞ্জিতবাবু নিজেই জানিয়েছিলেন, ওই সরকারি ভবনের জন্য জমি তারা দান করেছেন। সেইসঙ্গে ভবন নির্মাণের জন্যেও কয়েক লক্ষ টাকা তিনি খরচ করেছিলেন। অন্যদিকে স্থায়ী আইসিডিএস কেন্দ্র পাওয়ায় খুশি এলাকার বাসিন্দা থেকে শুরু করে আইসিডিএস কর্মীরাও। যাত্রাটাঁড় আইসিডিএস কেন্দ্রের কর্মী ছবিরানি মাহাত বলেন, আইসিডিএস কেন্দ্রটিতে রান্না শুরু করা হয়েছে। এর বেশি কিছু বলতে পারব না।



