নিজস্ব প্রতিনিধি, কৃষ্ণনগর: নদীয়া জেলার প্রায় ৬০ হাজার পড়ুয়া আগামী বছর মাধ্যমিক পরীক্ষায় বসবে। এবারও ছাত্রর থেকে ছাত্রীর সংখ্যা অনেকটাই বেশি। তবে এবছর জেলার পরীক্ষা কেন্দ্রের সংখ্যা কমেছে। মোট ১৭২টি পরীক্ষা কেন্দ্র চিহ্নিত করা হয়েছে। সেখানেই পরীক্ষা দেবেন ছাত্রছাত্রীরা। গতবছর ১৭৭টি ভেন্যুতে পরীক্ষা হয়েছিল। তবে এবছর প্রশ্নপত্র সময়মতো মেন ভেন্যুতে পৌঁছনো নিয়ে কড়াকড়ি করা হচ্ছে। পাশাপাশি দায়িত্বপ্রাপ্ত পুলিসের উপস্থিতিতেই সুপার ভাইজারের হাতে পরীক্ষার দিন প্রশ্নপত্র তুলে দিতে হবে। কারণ অতীতে দেখা গিয়েছে, তাড়াহুড়োর জন্য পুলিসের অনুপস্থিতিতেই প্রশ্নপত্র দেওয়া হয়েছে। তারপর সেখান থেকে প্রশ্নপত্র লিক হওয়ার ঘটনাও ঘটেছে। তাই এবার রাজ্য সরকার কড়া হয়েছে। ইতিমধ্যেই এই নিয়ে প্রশাসনিক স্তরে বৈঠক হয়েছে। প্রশাসনের এক আধিকারিকের কথায়, মাধ্যমিক পরীক্ষার আয়োজনের জন্য বিভিন্ন দপ্তরের সঙ্গে কথা হয়েছে। পাশাপাশি স্কুলগুলোতে সিসি ক্যামেরা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। কোথাও সিসি ক্যামেরা খারাপ থাকলে তা দ্রুত ঠিক করার ব্যবস্থা করা হচ্ছে। গতবছরের তুলনায় এবছর পরীক্ষার্থীর সংখ্যা বেড়েছে। প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, চলতি বছরে মাধ্যমিক পরীক্ষার ছাত্রের সংখ্যা ২৮ হাজার ৬৫৩ এবং ছাত্রীর সংখ্যা ৩০ হাজার ৯৭৮। অর্থাৎ মোট মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ৫৯ হাজার ৬৩১ জন। ১৭২টি ভেন্যুর মধ্যে মেন ভেন্যুর সংখ্যা ৪৬ এবং সাব ভেন্যুর সংখ্যা ১২৬। প্রশ্নপত্র রাখা হবে ২০টি কেন্দ্রে। যার মধ্যে ১৮টি পুলিস স্টেশন এবং দু’টি ট্রেজারি রয়েছে। নদীয়া দক্ষিণ তৃণমূল মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি কৌশিক বিশ্বাস বলেন, মাধ্যমিক নিয়ে প্রশাসনিক স্তরে বৈঠক হয়েছে। প্রশ্নপত্র যাতে সময়মতো স্কুলে পৌঁছয় তা নিয়ে এবার যথেষ্ট কড়াকড়ি করা হয়েছে। পাশাপাশি বাকি নিয়ম প্রতিবার যা থাকে তাই রয়েছে। আগামী ফেব্রুয়ারির ১০ তারিখ থেকে শুরু হচ্ছে মাধ্যমিক। চলবে ২২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। গতবছরের তুলনায় এবছর মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীর সংখ্যা অনেকটাই বেড়েছে। ২০২৫ সালের মাধ্যমিক পরীক্ষায় নদীয়া জেলা থেকে ২৩ হাজার ১৬৬ জন ছাত্র ও ২৬ হাজার ৪৬৩ জন ছাত্রী মাধ্যমিক পরীক্ষায় বসবে। সব মিলিয়ে মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ৪৯ হাজার ৬২৯ জন।



