নিজস্ব প্রতিনিধি, মালদহ: প্রশ্নপত্র ফাঁস রুখতে এবার পরীক্ষার হলে পরীক্ষার্থীদের সামনে খোলা হবে সিল। প্রশ্নপত্রের নিরাপত্তার জন্য থাকছে সিরিয়াল নম্বর, কিউআর ও বারকোড। নকল রুখতে প্রত্যেকটি পরীক্ষা কেন্দ্রে মেটাল ডিটেক্টরও রাখা হবে। উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার প্রস্তুতি সভায় এসে বৃহস্পতিবার একথা জানান উচ্চ মাধ্যমিক কাউন্সিল সভাপতি চিরঞ্জীব ভট্টাচার্য।
Advertisement
এদিন ইংলিশবাজার শহরের টাউন হলে সংসদের প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়। উপস্থিত ছিলেন বিদ্যালয় পরিদর্শক (মাধ্যমিক) বাণীব্রত দাস, জেলা পরিষদের সদস্য তথা স্কুল শিক্ষিকা প্রতিভা সিংহ প্রমুখ।
প্রশ্নপত্র থেকে শুরু করে পরীক্ষা কেন্দ্রের নিরাপত্তা সংক্রান্ত বেশকিছু বিষয়ে এবার বিশেষ পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। এপ্রসঙ্গে সংসদ সভাপতি বলেন, দশটা থেকে পরীক্ষা শুরু। আগে ন’টা, সোয়া ন’টার মধ্যে প্রশ্নপত্র ভেনু সুপারভাইজারের কাছে পৌঁছে যেত। তখন প্রশ্নপত্রের প্যাকেট খুলে দেওয়া হতো। এই সময় প্রশ্নপত্র ফাঁস হওয়ার একটা ক্ষীণ সম্ভাবনা থাকে। এবার প্রত্যেক ঘরে প্রশ্নপত্র পৌঁছে দেওয়া হবে। পরীক্ষার্থীদের সামনে খোলা হবে প্রশ্নপত্রের প্যাকেট।
এছাড়াও এবার প্রশ্নপত্রে সিরিয়াল নম্বর থাকবে। প্রশ্নপত্র ফাঁস রুখতে প্রত্যেকটা প্রশ্নপত্রে থাকবে কিউআর এবং বারকোড। আরও বেশকিছু নিরাপত্তা সংক্রান্ত বিষয়ে নজর রাখা হবে।
মালদহে এবছর উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীর সংখ্যা প্রায় ৩৯ হাজার। যার মধ্যে ১৪ জন পরীক্ষার্থী কাস্টোডিয়ান। মোট ১২২ টি কেন্দ্রে এবছর উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা নেওয়া হবে। মেইন ভেনু থাকছে ১৭টি।
শিক্ষা দপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রশ্নপত্র কাস্টোডিয়ানের কাছে পৌঁছনোর আগে সেটাকে মেলানোর একটা ধাপ থাকে। সেই পদ্ধতি এবার সম্পূর্ণভাবে বাদ দেওয়া হয়েছে। এতে পরীক্ষার নিরাপত্তা আরও নিশ্চিত করা যাবে। এছাড়াও পরীক্ষার্থীদের অ্যাডমিট কার্ডে পরীক্ষা কেন্দ্রের নাম উল্লেখ থাকবে।
সংসদ সভাপতি আরও জানান, পুরনো পদ্ধতিতে এটাই শেষ পরীক্ষা। পরের বছর থেকে উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা হবে দু’টি সেমিস্টারে। ১৮ মার্চের পর পরের বছরের উচ্চ মাধ্যমিকের প্রথম সেমিস্টারটি হবে সেপ্টেম্বরে। দ্বিতীয় সেমিস্টার রাখা হবে মার্চে। পুরনো পদ্ধতিতে শেষ পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে শেষ করতে প্রয়োজনীয় নির্দেশ ও পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
মাধ্যমিক বা উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় খোলামেলা নকল করাকে কেন্দ্র করে বিগত বছরগুলিতে বারবার শিরোনামে উঠে এসেছে মালদহ। এবছর পরীক্ষায় নকল রুখতেও আঁটোসাটো নিরাপত্তা ব্যবস্থা রাখবে উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সংসদ। গত বছর শুধুমাত্র স্পর্শকাতর পরীক্ষা কেন্দ্রগুলিতে মেটাল ডিটেক্টর বসানো হয়। এবছর মালদহের ১২২ টির সবকটিতে মেটাল ডিটেক্টর থাকবে। পরীক্ষার্থীরা মোবাইল, স্মার্ট ওয়াচ বা অন্য কোনও ধরনের কমিউনিকেশন ডিভাইস নিয়ে ভিতরে ঢোকার চেষ্টা করলে ধরা পড়বে সেই যন্ত্রে। মেটাল ডিটেক্টর সরবরাহের জন্য ওয়েবার নামে এক সংস্থার সঙ্গে আলোচনা চলছে বলে এদিন জানিয়েছেন উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সংসদের সভাপতি।
প্রশ্নপত্র থেকে শুরু করে পরীক্ষা কেন্দ্রের নিরাপত্তা সংক্রান্ত বেশকিছু বিষয়ে এবার বিশেষ পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। এপ্রসঙ্গে সংসদ সভাপতি বলেন, দশটা থেকে পরীক্ষা শুরু। আগে ন’টা, সোয়া ন’টার মধ্যে প্রশ্নপত্র ভেনু সুপারভাইজারের কাছে পৌঁছে যেত। তখন প্রশ্নপত্রের প্যাকেট খুলে দেওয়া হতো। এই সময় প্রশ্নপত্র ফাঁস হওয়ার একটা ক্ষীণ সম্ভাবনা থাকে। এবার প্রত্যেক ঘরে প্রশ্নপত্র পৌঁছে দেওয়া হবে। পরীক্ষার্থীদের সামনে খোলা হবে প্রশ্নপত্রের প্যাকেট।
এছাড়াও এবার প্রশ্নপত্রে সিরিয়াল নম্বর থাকবে। প্রশ্নপত্র ফাঁস রুখতে প্রত্যেকটা প্রশ্নপত্রে থাকবে কিউআর এবং বারকোড। আরও বেশকিছু নিরাপত্তা সংক্রান্ত বিষয়ে নজর রাখা হবে।
মালদহে এবছর উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীর সংখ্যা প্রায় ৩৯ হাজার। যার মধ্যে ১৪ জন পরীক্ষার্থী কাস্টোডিয়ান। মোট ১২২ টি কেন্দ্রে এবছর উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা নেওয়া হবে। মেইন ভেনু থাকছে ১৭টি।
শিক্ষা দপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রশ্নপত্র কাস্টোডিয়ানের কাছে পৌঁছনোর আগে সেটাকে মেলানোর একটা ধাপ থাকে। সেই পদ্ধতি এবার সম্পূর্ণভাবে বাদ দেওয়া হয়েছে। এতে পরীক্ষার নিরাপত্তা আরও নিশ্চিত করা যাবে। এছাড়াও পরীক্ষার্থীদের অ্যাডমিট কার্ডে পরীক্ষা কেন্দ্রের নাম উল্লেখ থাকবে।
সংসদ সভাপতি আরও জানান, পুরনো পদ্ধতিতে এটাই শেষ পরীক্ষা। পরের বছর থেকে উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা হবে দু’টি সেমিস্টারে। ১৮ মার্চের পর পরের বছরের উচ্চ মাধ্যমিকের প্রথম সেমিস্টারটি হবে সেপ্টেম্বরে। দ্বিতীয় সেমিস্টার রাখা হবে মার্চে। পুরনো পদ্ধতিতে শেষ পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে শেষ করতে প্রয়োজনীয় নির্দেশ ও পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
মাধ্যমিক বা উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় খোলামেলা নকল করাকে কেন্দ্র করে বিগত বছরগুলিতে বারবার শিরোনামে উঠে এসেছে মালদহ। এবছর পরীক্ষায় নকল রুখতেও আঁটোসাটো নিরাপত্তা ব্যবস্থা রাখবে উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সংসদ। গত বছর শুধুমাত্র স্পর্শকাতর পরীক্ষা কেন্দ্রগুলিতে মেটাল ডিটেক্টর বসানো হয়। এবছর মালদহের ১২২ টির সবকটিতে মেটাল ডিটেক্টর থাকবে। পরীক্ষার্থীরা মোবাইল, স্মার্ট ওয়াচ বা অন্য কোনও ধরনের কমিউনিকেশন ডিভাইস নিয়ে ভিতরে ঢোকার চেষ্টা করলে ধরা পড়বে সেই যন্ত্রে। মেটাল ডিটেক্টর সরবরাহের জন্য ওয়েবার নামে এক সংস্থার সঙ্গে আলোচনা চলছে বলে এদিন জানিয়েছেন উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সংসদের সভাপতি।



