সংবাদদাতা, ময়নাগুড়ি: পুরসভার নির্দেশকে কার্যত বুড়ো আঙুল। ময়নাগুড়ি শহরে দাপিয়ে বেরাচ্ছে নম্বরপ্লেটহীন টোটো। অপরদিকে, টোটোর ডানদিক থেকে যাত্রী ওঠানামা বন্ধ করতে রড দিয়ে আটকে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল পুরসভা। কিন্তু, অধিকাংশ টোটোর ডান দিকের অংশ রড দিয়ে আটকানো হয়নি। মাত্রাতিরিক্ত টোটো চলাচলে শহরে যানজট বাড়ছে। অতিরিক্ত যাত্রী বসানোর জন্য কিছু টোটোয় আরও সিট জুড়ে দেওয়া হয়েছে। শুক্রবার এমন একাধিক টোটো আটক করে ময়নাগুড়ি থানার ট্রাফিক বিভাগ। ট্রাফিক মোড়ে টোটোগুলিকে আটক করা হয়।
Advertisement
শহরে কত টোটো চলে, ময়নাগুড়ি পুরসভা তা জানে না। পুরসভার পক্ষ থেকে কিছুদিন আগে টোটোচালকদের নম্বরপ্লেট বিতরণ করা হয়েছে। এখনও শহর এলাকার সমস্ত টোটোচালক সেই নম্বরপ্লেট পুরসভা থেকে নিয়ে যায়নি। অনেকে নম্বরপ্লেট নিয়েও টোটোতে লাগাননি। বিষয়টি পুর চেয়ারম্যান অনন্তদেব অধিকারী স্বীকার করেছেন। তিনি বলেন, অনেক টোটো চালক নম্বরপ্লেট নিয়ে যাননি। সাইডগার্ড অনেক টোটোয় নেই। আমরা শীঘ্রই প্রশাসনের সঙ্গে কথা বলতে চলেছি। নম্বরপ্লেট ছাড়া শহরে টোটো চলবে না।
পুরসভা থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, প্রথম পর্বে ৪০০ জন টোটোচালক পুরসভা থেকে নম্বরপ্লেট নিয়েছেন। পুরসভা টার্গেট নিয়েছে, প্রথম পর্বে এক হাজার নম্বরপ্লেট দেবে। কিন্তু অনেকেই এখনও ফর্ম নেওয়ায় পুরসভায় আসেননি। কোনটা শহরের এবং কোনটা গ্রামীণ এলাকার টোটো সেটাও চিহ্নিতকরণ করা সম্ভব হচ্ছে না।
শহরের আনন্দনগর পাড়ার টোটোচালক দুলাল দাস, তরুণ সাহা বলেন, আমরা এখনও নম্বরপ্লেট আনিনি। তবে শীঘ্রই নিয়ে আসব। ১৭ নম্বর ওয়ার্ডের টোটো ইউনিয়নের সম্পাদক কানাই দাস বলেন, অনেক টোটোচালক নম্বরপ্লেট নেননি। সোমবার থেকে আমরা পুরসভা থেকে নম্বরপ্লেট নিয়ে আসব।
পুরসভার থেকে নম্বরপ্লেট বিতরণের সময় বেশ কিছু নিয়ম-কানুন জানিয়ে দেওয়া হয়েছিল। টোটোর একটি পাশ বন্ধ রাখার পাশাপাশি, আলো জ্বালিয়ে টোটো চালানো, লুকিং গ্লাস ব্যবহারের কথা জানানো হয়েছিল। টোটোয় পন্য পরিবহণে নিষেধ করা হয়েছিল। টোটোচালকরা সেই নির্দেশিকা মানছেন না বলে অভিযোগ।
পুরসভা থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, প্রথম পর্বে ৪০০ জন টোটোচালক পুরসভা থেকে নম্বরপ্লেট নিয়েছেন। পুরসভা টার্গেট নিয়েছে, প্রথম পর্বে এক হাজার নম্বরপ্লেট দেবে। কিন্তু অনেকেই এখনও ফর্ম নেওয়ায় পুরসভায় আসেননি। কোনটা শহরের এবং কোনটা গ্রামীণ এলাকার টোটো সেটাও চিহ্নিতকরণ করা সম্ভব হচ্ছে না।
শহরের আনন্দনগর পাড়ার টোটোচালক দুলাল দাস, তরুণ সাহা বলেন, আমরা এখনও নম্বরপ্লেট আনিনি। তবে শীঘ্রই নিয়ে আসব। ১৭ নম্বর ওয়ার্ডের টোটো ইউনিয়নের সম্পাদক কানাই দাস বলেন, অনেক টোটোচালক নম্বরপ্লেট নেননি। সোমবার থেকে আমরা পুরসভা থেকে নম্বরপ্লেট নিয়ে আসব।
পুরসভার থেকে নম্বরপ্লেট বিতরণের সময় বেশ কিছু নিয়ম-কানুন জানিয়ে দেওয়া হয়েছিল। টোটোর একটি পাশ বন্ধ রাখার পাশাপাশি, আলো জ্বালিয়ে টোটো চালানো, লুকিং গ্লাস ব্যবহারের কথা জানানো হয়েছিল। টোটোয় পন্য পরিবহণে নিষেধ করা হয়েছিল। টোটোচালকরা সেই নির্দেশিকা মানছেন না বলে অভিযোগ।



