নিজস্ব প্রতিনিধি, তমলুক: পুরসভার জায়গায় নির্মাণকাজে বাধা দিতে গিয়ে আক্রান্ত হলেন সপুত্র তৃণমূল কাউন্সিলার। রবিবার সকালে তমলুক পুরসভার ১৭নম্বর ওয়ার্ডে শালগেছিয়ার ঘটনায় উত্তেজনা ছড়ায়। নিগৃহীত কাউন্সিলার অলোক সাঁতরা, তাঁর ছেলে অর্ঘদীপ তমলুক থানায় গিয়ে হামলার ঘটনায় মহাদেব মণ্ডলের বিরুদ্ধে এফআইআর করেন। ওই ঘটনার খবর পেয়ে থানায় যান পুরসভার চেয়ারম্যান দীপেন্দ্রনারায়ণ রায়, ১০নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলার পার্থসারথী মাইতি, শহর তৃণমূল নেতা দিব্যেন্দু রায় সহ আরও অনেকে। পুলিস গোটা ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।
Advertisement
রবিবার সকাল সাড়ে ৮টা নাগাদ শালগেছিয়ায় পুরসভার জমিতে স্থানীয় বাসিন্দা মহাদেব মণ্ডল দোকানঘর বানাচ্ছেন বলে খবর পান স্থানীয় কাউন্সিলার। তিনি ঘটনাস্থলে গিয়ে ওই কাজে বাধা দেন। সেই সময় আচমকা তাঁর উপর হামলা চালানো হয় বলে অভিযোগ। পরনের গেঞ্জি ছিঁড়ে চড়, থাপ্পড় ও ঘুসি মারা হয়। বাবাকে বাঁচাতে গিয়ে আক্রান্ত হন কাউন্সিলার পুত্র অর্ঘদীপ। মহাদেব ও তাঁর বাড়ির লোকজন একযোগে আক্রমণ করেছে বলে অলোকবাবুর অভিযোগ।
যদিও মহাদেব বলেন, পুরসভা থেকে লিজে আমরা ওই জায়গা পেয়েছি। আমাদের কাছে নথিও রয়েছে। সেখানে বসার জায়গা তৈরি করা হচ্ছিল। ওই কাজ চলাকালীন কাউন্সিলার পুত্র এসে হম্বিতম্বি করে আমাদের মারধর করে। তাছাড়া অলোকবাবু নিজে আমার বয়স্কা মাকে থাপ্পড় মারেন। আমার মায়ের ডান হাতে অপারেশন হয়েছিল। সেই অবস্থায় মাকে শারীরিক হেনস্তা করা হয়েছে। একজন নির্বাচিত কাউন্সিলার এসে আচমকা মারধর করবেন, এটা ভাবতেও পারিনি। আমার স্ত্রীও নিগৃহীত হয়েছে। তার গলার চেন খোয়া গিয়েছে।
কাউন্সিলার অলোকবাবু বলেন, পুরসভার জায়গায় উপর বেআইনি নির্মাণ কাজ চলছিল। ওয়ার্ড কমিটির সম্পাদক মনোজ হালদারের কাছ থেকে ওই খবর পাই। তারপর আমি সেখানে হাজির হই। তারপর আমার উপর হামলা হয়েছে। গেঞ্জি ছিঁড়ে দেওয়া হয়। আমার ছেলেও আক্রান্ত হয়েছে। তার গলার সোনার চেন খোয়া গিয়েছে। মহাদেব কিংবা তার পরিবারের লোকজনকে মারধর করার প্রশ্নই ওঠে না। এভাবে আক্রমণ চালাবে জানতে পারলে আমি লোকজন সঙ্গে নিয়ে যেতাম।পুরসভার চেয়ারম্যান বলেন, সরকারি জমি দখল করে নির্মাণকাজ করা যাবে না। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এনিয়ে কড়া ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দিয়েছেন। ১৭নম্বর ওয়ার্ডে পুরসভার জায়গার উপর নির্মাণকাজ চলার খবর পেয়ে স্থানীয় কাউন্সিলার ঘটনাস্থলে গিয়েছিলেন। দুর্ভাগ্যজনকভাবে তিনি আক্রান্ত হয়েছেন। আমরা এই ঘটনায় পদক্ষেপ করার জন্য পুলিসকে বলেছি।
যদিও মহাদেব বলেন, পুরসভা থেকে লিজে আমরা ওই জায়গা পেয়েছি। আমাদের কাছে নথিও রয়েছে। সেখানে বসার জায়গা তৈরি করা হচ্ছিল। ওই কাজ চলাকালীন কাউন্সিলার পুত্র এসে হম্বিতম্বি করে আমাদের মারধর করে। তাছাড়া অলোকবাবু নিজে আমার বয়স্কা মাকে থাপ্পড় মারেন। আমার মায়ের ডান হাতে অপারেশন হয়েছিল। সেই অবস্থায় মাকে শারীরিক হেনস্তা করা হয়েছে। একজন নির্বাচিত কাউন্সিলার এসে আচমকা মারধর করবেন, এটা ভাবতেও পারিনি। আমার স্ত্রীও নিগৃহীত হয়েছে। তার গলার চেন খোয়া গিয়েছে।
কাউন্সিলার অলোকবাবু বলেন, পুরসভার জায়গায় উপর বেআইনি নির্মাণ কাজ চলছিল। ওয়ার্ড কমিটির সম্পাদক মনোজ হালদারের কাছ থেকে ওই খবর পাই। তারপর আমি সেখানে হাজির হই। তারপর আমার উপর হামলা হয়েছে। গেঞ্জি ছিঁড়ে দেওয়া হয়। আমার ছেলেও আক্রান্ত হয়েছে। তার গলার সোনার চেন খোয়া গিয়েছে। মহাদেব কিংবা তার পরিবারের লোকজনকে মারধর করার প্রশ্নই ওঠে না। এভাবে আক্রমণ চালাবে জানতে পারলে আমি লোকজন সঙ্গে নিয়ে যেতাম।পুরসভার চেয়ারম্যান বলেন, সরকারি জমি দখল করে নির্মাণকাজ করা যাবে না। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এনিয়ে কড়া ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দিয়েছেন। ১৭নম্বর ওয়ার্ডে পুরসভার জায়গার উপর নির্মাণকাজ চলার খবর পেয়ে স্থানীয় কাউন্সিলার ঘটনাস্থলে গিয়েছিলেন। দুর্ভাগ্যজনকভাবে তিনি আক্রান্ত হয়েছেন। আমরা এই ঘটনায় পদক্ষেপ করার জন্য পুলিসকে বলেছি।



