মনসুর হাবিবুল্লাহ, দিনহাটা: দিনহাটা পুরসভার বিরুদ্ধেই এবার দখলদারির অভিযোগ তুললো দিনহাটা-১ পঞ্চায়েত সমিতি। বৃহস্পতিবার এমনই চাঞ্চল্যকর অভিযোগ নিয়ে জেলাশাসকের দ্বারস্থ হন পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি সহ কর্মাধ্যক্ষরা। সরকারি দুই বোর্ডের মাঝে কর আদায় এমন দ্বন্দ্ব নজিরবিহীন। অভিযোগ, দিনহাটা শহরে পঞ্চায়েত সমিতির জমিতে তৈরি ভবন থেকে অর্থ সংগ্রহ করছে পুরসভা। এমনকি পঞ্চায়েত সমিতির জমিতে তৈরি প্রত্যুষা বাজার থেকে পুরসভাই কর তুলছে। এদিকে নিজেদের জমিতে তৈরি ভবন ও বাজার থেকে কর না পেয়ে আর্থিক লাভ হচ্ছে পঞ্চায়েত সমিতির। এই দখলদারির বিরুদ্ধে জেলাশাসককে পদক্ষেপ করার অনুরোধ করেন তারা। পুরসভার দাবি, বিষয়টি খতিয়ে দেখে তারা এব্যাপারে মন্তব্য করবে।
Advertisement
উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন দপ্তরের উদ্যোগে দিনহাটা শহরে কমল গুহ স্মৃতি ভবন তৈরি হয়। দিনহাটা-১ পঞ্চায়েত সমিতির জমিতে ভবনটি নির্মিত হয়েছে। তবে সেটি দিনহাটা পুরসভাকে হস্তান্তর করা হয়েছে। ভবনটি থেকে ভাড়া নেয় পুরসভা। আপনঘর ভবনটিও পঞ্চায়েত সমিতির জমিতে রয়েছে। প্রত্যুষা বাজারের মালিকানা রয়েছে দিনহাটা-১ পঞ্চায়েত সমিতির অধীনে। তবুও এগুলি থেকেও পুরসভা কর সংগ্রহ করে। আর তা নিয়েই বিতর্ক।
দিনহাটা-১ পঞ্চায়েত সমিতির নিজস্ব তহবিল কার্যত শূন্য। চুক্তিভিত্তিক কর্মচারীর বেতন দিতে তারা সমস্যায় পড়ছে। সম্প্রতি শহরে পঞ্চায়েত সমিতির জমিতে স্টল তৈরির পরিকল্পনা নেওয়া হয়। পঞ্চায়েত সমিতি অফিসের দেওয়াল ভেঙে কাজও শুরু হয়। কিন্তু, নালার উপর সেই কাজ হচ্ছে বলে আটকে দেয়। এরপরই পুরসভা ও পঞ্চায়েত সমিতির মধ্যে দ্বন্দ্ব চরমে ওঠে। এবারে তাদের মালিকানাধীন জমিগুলিতে তৈরি আবাসন এবং বাজার থেকে নিজেদের খাতে কর দাবি করা শুরু করেছে তারা।
বৃহস্পতিবার দিনহাটা-১ পঞ্চায়েত সমিতিতে রিভিউমিটিং ছিল। কোচবিহার জেলাশাসক সহ শীর্ষ কর্তারা তাতে উপস্থিত ছিলেন। সেই মিটিংয়ে পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি এবং একাধিক কর্মাধ্যক্ষ জেলাশাসকের দেখা করেন। পঞ্চায়েত সমিতির জমিতে তৈরি আবাসন এবং বাজারে পুরসভার দখলদারির বিরুদ্ধে অভিযোগ জানান তারা।
এই ব্যাপারে তৃণমূল কংগ্রেস পরিচালিত দিনহাটা-১ পঞ্চায়েত সমিতির কৃষি কর্মাধ্যক্ষ মতিউর রহমান বলেন, পঞ্চায়েত সমিতির জমিতে তৈরি হয়েছে কমল গুহ স্মৃতি ভবন। আপন ঘর, প্রত্যুষা বাজারও আমাদের জমিতে রয়েছে। তবে এই আবাসন ও বাজার থেকে আমরা কর সংগ্রহ করতে পারছি না। পুরসভা সেখান থেকে কর তুলছে। আমাদের জমিতে পুরসভার দখলদারীর বিরুদ্ধে জেলাশাসককে অভিযোগ জানিয়েছি। এই অভিযোগের জবাবে তৃণমূল কংগ্রেস পরিচালিত দিনহাটা পুরসভার চেয়ারপার্সন অপর্ণা দে নন্দী বলেন, আমি সবেমাত্র দায়িত্ব নিয়েছি। বিষয়টি খোঁজ নিয়ে তবেই মন্তব্য করব।
দিনহাটা-১ পঞ্চায়েত সমিতির নিজস্ব তহবিল কার্যত শূন্য। চুক্তিভিত্তিক কর্মচারীর বেতন দিতে তারা সমস্যায় পড়ছে। সম্প্রতি শহরে পঞ্চায়েত সমিতির জমিতে স্টল তৈরির পরিকল্পনা নেওয়া হয়। পঞ্চায়েত সমিতি অফিসের দেওয়াল ভেঙে কাজও শুরু হয়। কিন্তু, নালার উপর সেই কাজ হচ্ছে বলে আটকে দেয়। এরপরই পুরসভা ও পঞ্চায়েত সমিতির মধ্যে দ্বন্দ্ব চরমে ওঠে। এবারে তাদের মালিকানাধীন জমিগুলিতে তৈরি আবাসন এবং বাজার থেকে নিজেদের খাতে কর দাবি করা শুরু করেছে তারা।
বৃহস্পতিবার দিনহাটা-১ পঞ্চায়েত সমিতিতে রিভিউমিটিং ছিল। কোচবিহার জেলাশাসক সহ শীর্ষ কর্তারা তাতে উপস্থিত ছিলেন। সেই মিটিংয়ে পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি এবং একাধিক কর্মাধ্যক্ষ জেলাশাসকের দেখা করেন। পঞ্চায়েত সমিতির জমিতে তৈরি আবাসন এবং বাজারে পুরসভার দখলদারির বিরুদ্ধে অভিযোগ জানান তারা।
এই ব্যাপারে তৃণমূল কংগ্রেস পরিচালিত দিনহাটা-১ পঞ্চায়েত সমিতির কৃষি কর্মাধ্যক্ষ মতিউর রহমান বলেন, পঞ্চায়েত সমিতির জমিতে তৈরি হয়েছে কমল গুহ স্মৃতি ভবন। আপন ঘর, প্রত্যুষা বাজারও আমাদের জমিতে রয়েছে। তবে এই আবাসন ও বাজার থেকে আমরা কর সংগ্রহ করতে পারছি না। পুরসভা সেখান থেকে কর তুলছে। আমাদের জমিতে পুরসভার দখলদারীর বিরুদ্ধে জেলাশাসককে অভিযোগ জানিয়েছি। এই অভিযোগের জবাবে তৃণমূল কংগ্রেস পরিচালিত দিনহাটা পুরসভার চেয়ারপার্সন অপর্ণা দে নন্দী বলেন, আমি সবেমাত্র দায়িত্ব নিয়েছি। বিষয়টি খোঁজ নিয়ে তবেই মন্তব্য করব।



