সংবাদদাতা, সিউড়ি: সিউড়ি শহরে কোনও স্থায়ী সব্জি বাজার নেই। দীর্ঘদিন ধরে রাস্তার ধারেই সব্জি বিক্রি করছেন ব্যবসায়ীরা। তাই এই জেলা সদরে একটি স্থায়ী সব্জি বাজারের দাবি রয়েছে শহরবাসীর। কিন্তু ভোটের মুখে পুরসভার প্রতিশ্রুতি ছাড়া আর কিছুই মেলে না। বাসিন্দাদের একাংশের অভিযোগ, জেলার অন্যান্য শহরে পুরসভার উদ্যোগে অন্তত একটি নির্দিষ্ট জায়গা করে দেওয়া হয়েছে সব্জি বিক্রেতাদের জন্য। কিন্তু এই শহরে তা নেই। শহরের আনাচে কানাচে রাস্তার ফুটপাত দখল করে ছড়িয়ে ছিটিয়ে বসে প্রতিদিন সব্জি বিক্রি করেন বিক্রেতারা। এক সময় সিউড়ি টিন বাজারেও সিউড়ি-সাঁইথিয়া রাস্তার ধারে বসে মাছ বিক্রি করতেন বিক্রেতারা। সেই মাছ বাজারকে পাশেই মিউনিসিপ্যালিটি মার্কেটে স্থানান্তরিত করা হয়েছিল। এখন সেখানে স্থায়ীভাবে রয়েছে মাছের বাজার। কিন্তু সেভাবেই সব্জি বাজারগুলিকে একত্রিত করে একটি স্থায়ী জায়গায় বসানোর দাবি রয়েছে বিক্রেতা ও ক্রেতা উভয়েরই।
Advertisement
সিউড়ি মালিপাড়া এলাকায় জোনাকি ক্লাব সংলগ্ন ফুটপাতে দীর্ঘদিন ধরে বসছে শহরের মূল সব্জি বাজারটি। গ্রামাঞ্চল থেকে চাষিরা এখানে এসে সব্জি বিক্রি করেন। দিনের বেলা এই সব্জি বাজারে পা ফেলার জায়গা থাকে না। গোটা রাস্তাটি দখল করেই বসে এই বাজার। কিন্তু এলাকার বাসিন্দাদের অভিযোগ, এই বাজার দিনের বেলা বসার কারণে এলাকার বাসিন্দাদের ঘর থেকে বেরিয়ে রাস্তা দিয়ে যাতায়াতে চরম সমস্যায় পড়তে হয়। তবে এই বাজার বসে একবেলার জন্য। এছাড়া সিউড়ি শহরের আরও একটি বড় সব্জি বাজার রয়েছে কোর্ট বাজারে জেলা স্কুল সংলগ্ন এলাকায়। সেখানেও প্রায় একজন সব্জি বিক্রেতা বেচাকেনা করেন। এই বাজারটি অবশ্য চলে সারাদিন। এই বাজার থেকে ঢিল ছোঁড়া দূরত্বে রয়েছে পুলিস সুপারের দপ্তর, বাজারের গায়েই রয়েছে স্বাস্থ্য দপ্তর, কিছুটা দূরে সিউড়ি থানা, স্টেট ব্যাঙ্ক, প্রশাসনিক ভবন সহ আরও কয়েকটি সরকারি দপ্তর। দিনের বেলা এই বাজারের সামনের রাস্তা দিয়ে অসংখ্য সরকারি গাড়ি যাতায়াত করে। সেই সময় নিত্যদিন এই রাস্তায় দীর্ঘক্ষণ ধরে যানজট লেগে থাকে। চরম দূর্ভোগে পড়তে হয় সরকারি কর্মী থেকে সাধারণ মানুষ সকলকে।
সিউড়িতে আরও একটি বাজার রয়েছে বেনেপুকুর পাড়া এলাকায়। সেখানেও বেশ কয়েকজন সব্জি বিক্রেতা বসেন। এছাড়াও রবীন্দ্রপল্লি, পুরসভা মোড়, এসপি মোড় সর্বত্র ছড়িয়ে ছিটিয়ে রাস্তার ফুটপাত দখল করে সব্জি বিক্রি করেন অসংখ্য বিক্রেতা। কিন্তু এই বাজারগুলিকে একটি স্থায়ী জায়গায় স্থানান্তরিত করার কোনও উদ্যোগ নেওয়া হয় না বলে অভিযোগ উঠেছে। সাধারণ মানুষের অভিযোগ, প্রতিবার সিউড়ি পুরসভা শহরের সাধারণ মানুষকে ভোটের আগে এক গুচ্ছ প্রতিশ্রুতি দেয়। কিন্তু কাজের কাজ হয় না।
সিউড়ি পুরসভার চেয়ারম্যান উজ্জ্বল চট্টোপাধ্যায় বলেন, সিউড়ি শহরের স্থায়ী সব্জি বাজার দরকার অবশ্যই রয়েছে। আমরা টিন বাজারের মাছের বাজারের স্থায়ী ব্যবস্থা করেছি। কিন্তু সব্জি বাজার করার জন্য বিকল্প জায়গা পাওয়াটাও দরকার। সাধারণ মানুষ এবং বিক্রেতাদের সুবিধার কথা মাথায় রেখে জায়গার খোঁজ চলছে।
সিউড়িতে আরও একটি বাজার রয়েছে বেনেপুকুর পাড়া এলাকায়। সেখানেও বেশ কয়েকজন সব্জি বিক্রেতা বসেন। এছাড়াও রবীন্দ্রপল্লি, পুরসভা মোড়, এসপি মোড় সর্বত্র ছড়িয়ে ছিটিয়ে রাস্তার ফুটপাত দখল করে সব্জি বিক্রি করেন অসংখ্য বিক্রেতা। কিন্তু এই বাজারগুলিকে একটি স্থায়ী জায়গায় স্থানান্তরিত করার কোনও উদ্যোগ নেওয়া হয় না বলে অভিযোগ উঠেছে। সাধারণ মানুষের অভিযোগ, প্রতিবার সিউড়ি পুরসভা শহরের সাধারণ মানুষকে ভোটের আগে এক গুচ্ছ প্রতিশ্রুতি দেয়। কিন্তু কাজের কাজ হয় না।
সিউড়ি পুরসভার চেয়ারম্যান উজ্জ্বল চট্টোপাধ্যায় বলেন, সিউড়ি শহরের স্থায়ী সব্জি বাজার দরকার অবশ্যই রয়েছে। আমরা টিন বাজারের মাছের বাজারের স্থায়ী ব্যবস্থা করেছি। কিন্তু সব্জি বাজার করার জন্য বিকল্প জায়গা পাওয়াটাও দরকার। সাধারণ মানুষ এবং বিক্রেতাদের সুবিধার কথা মাথায় রেখে জায়গার খোঁজ চলছে।



