নিজস্ব প্রতিনিধি, জলপাইগুড়ি: প্রতি তিনমাস অন্তর শহরে স্বাস্থ্যশিবির করার কথা। কিন্তু মাসের পর মাস পেরিয়ে গেলেও জলপাইগুড়ি পুরসভা এ ব্যাপারে কোনও উদ্যোগ নিচ্ছে না। কিন্তু কেন? বৃহস্পতিবার বৈঠকে এনিয়ে জলপাইগুড়ি পুরসভার কাছে কৈফিয়ৎ তলব করেন জেলাশাসক শমা পারভীন। জলপাইগুড়ি সহ জেলার প্রতিটি পুরসভাকে দ্রুত স্বাস্থ্যশিবির করার জন্য নির্দেশ দেন তিনি। একইসঙ্গে এদিনের বৈঠকে ডেঙ্গু, কালাজ্বর, ডিপথেরিয়া, এনসেফেলাইটিস সহ বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধে জেলায় কোথায়, কী কাজ হচ্ছে, তা নিয়ে রিপোর্ট তলব করেন জেলাশাসক।
Advertisement
কিছু জায়গায় চিকিৎসার যন্ত্রপাতি থাকলেও, তা ঠিকমতো ব্যবহার হচ্ছে না বলে অভিযোগ জমা পড়েছে ডিএমের কাছে। এনিয়েও এদিনের বৈঠকে জেলার স্বাস্থ্য আধিকারিকদের কাছ থেকে জানতে চান জেলাশাসক। গত বছরের তুলনায় মাতৃত্বকালীন মৃত্যুর হার কিছুটা কমেছে। কিন্তু তা আরও কমাতে হবে বলে জানিয়ে দেন ডিএম। স্কুল পড়ুয়াদের টিকাকরণ কর্মসূচি ঠিকমতো চলছে কি না, কোথায় সমস্যা হচ্ছে, এখনও কত পড়ুয়াকে টিকাকরণের আওতায় আনা যায়নি, সেসব নিয়েও জেলা মাধ্যমিক বিদ্যালয় পরিদর্শকের কাছ থেকে জানতে চান জেলাশাসক। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন জলপাইগুড়ি জেলা মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক ডাঃ অসীম হালদার সহ জেলার বিভিন্ন ব্লকের স্বাস্থ্যকর্তা। বৈঠকে যোগ দেন জলপাইগুড়ি মেডিক্যালের প্রতিনিধিরাও।
বৈঠক শেষে জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক বলেন, স্বাস্থ্য সংক্রান্ত নানা বিষয় নিয়ে এদিন পর্যালোচনা বৈঠক ছিল। সেখানে স্বাস্থ্য পরিকাঠামো, রোগ প্রতিরোধ, স্বাস্থ্যশিবির করা সবটা নিয়েই আলোচনা হয়েছে। জেলাশাসক বেশকিছু নির্দেশ দিয়েছেন। সেইমতো কাজে জোর দেওয়া হবে। অন্যদিকে, স্বাস্থ্যশিবির না করা নিয়ে নিজেদের ব্যর্থতা স্বীকার করেছেন জলপাইগুড়ি পুরসভার এগজিকিউটিভ অফিসার দেবদুলাল পাত্র। তিনি বলেন, তিনমাস অন্তর স্বাস্থ্যশিবির করার কথা। এটা ঠিক যে আমাদের ওই শিবির করা হয়ে ওঠেনি। প্রথমে ঠিক ছিল, পুজোর আগে আমরা স্বাস্থ্যশিবির করব। শেষপর্যন্ত করা সম্ভব হয়নি। এদিন জেলাশাসক স্বাস্থ্যশিবির করার জন্য বলেছেন। আমরা যত দ্রুত সম্ভব, ওই শিবির করার চেষ্টা করব।
গত বছর জলপাইগুড়ি জেলায় ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ৯৯১। এবার সেখানে মরশুম শেষে সংখ্যাটা দাঁড়িয়েছে ৬১২। প্রথম থেকেই ডেঙ্গু দমনে বিশেষ জোর দেওয়ায় এটা সম্ভব হয়েছে বলে জানিয়েছেন জেলাশাসক। তবে অ্যাকিউট এনসেফেলাইটিস সিনড্রম দেখা যাচ্ছে অনেকের মধ্যে। গত একবছরে জেলায় এই রোগে একজনের মৃত্যু হলেও বিষয়টি মোটেই হালকাভাবে নিতে নারাজ জেলাশাসক। হাতুড়েদের কাছে গিয়ে যাতে কোনওভাবে রোগের বাড়াবাড়ি না হয়, সেটাও দেখতে বলা হয়েছে জেলা প্রশাসনের তরফে। গত বছর জলপাইগুড়িতে মাতৃত্বকালীন মৃত্যুর সংখ্যা ছিল ২৮। এবার তার থেকে এখনও কিছুটা কম আছে। এবিষয়টির দিকেও বিশেষভাবে নজর দিতে বলেন জেলাশাসক।
বৈঠক শেষে জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক বলেন, স্বাস্থ্য সংক্রান্ত নানা বিষয় নিয়ে এদিন পর্যালোচনা বৈঠক ছিল। সেখানে স্বাস্থ্য পরিকাঠামো, রোগ প্রতিরোধ, স্বাস্থ্যশিবির করা সবটা নিয়েই আলোচনা হয়েছে। জেলাশাসক বেশকিছু নির্দেশ দিয়েছেন। সেইমতো কাজে জোর দেওয়া হবে। অন্যদিকে, স্বাস্থ্যশিবির না করা নিয়ে নিজেদের ব্যর্থতা স্বীকার করেছেন জলপাইগুড়ি পুরসভার এগজিকিউটিভ অফিসার দেবদুলাল পাত্র। তিনি বলেন, তিনমাস অন্তর স্বাস্থ্যশিবির করার কথা। এটা ঠিক যে আমাদের ওই শিবির করা হয়ে ওঠেনি। প্রথমে ঠিক ছিল, পুজোর আগে আমরা স্বাস্থ্যশিবির করব। শেষপর্যন্ত করা সম্ভব হয়নি। এদিন জেলাশাসক স্বাস্থ্যশিবির করার জন্য বলেছেন। আমরা যত দ্রুত সম্ভব, ওই শিবির করার চেষ্টা করব।
গত বছর জলপাইগুড়ি জেলায় ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ৯৯১। এবার সেখানে মরশুম শেষে সংখ্যাটা দাঁড়িয়েছে ৬১২। প্রথম থেকেই ডেঙ্গু দমনে বিশেষ জোর দেওয়ায় এটা সম্ভব হয়েছে বলে জানিয়েছেন জেলাশাসক। তবে অ্যাকিউট এনসেফেলাইটিস সিনড্রম দেখা যাচ্ছে অনেকের মধ্যে। গত একবছরে জেলায় এই রোগে একজনের মৃত্যু হলেও বিষয়টি মোটেই হালকাভাবে নিতে নারাজ জেলাশাসক। হাতুড়েদের কাছে গিয়ে যাতে কোনওভাবে রোগের বাড়াবাড়ি না হয়, সেটাও দেখতে বলা হয়েছে জেলা প্রশাসনের তরফে। গত বছর জলপাইগুড়িতে মাতৃত্বকালীন মৃত্যুর সংখ্যা ছিল ২৮। এবার তার থেকে এখনও কিছুটা কম আছে। এবিষয়টির দিকেও বিশেষভাবে নজর দিতে বলেন জেলাশাসক।



