নিজস্ব প্রতিনিধি, বাঁকুড়া: প্রচার ও ভোট নিয়ে গত প্রায় এক মাস ধরে ব্যস্ত ছিলেন। বুধবার ভোট হয়ে যাওয়ার পর তালডাংরা উপ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা প্রার্থীরা ছিলেন হালকা মেজাজেই। কেউ কর্মীদের সঙ্গে গল্প করেছেন, কেউ আবার পরিবারের সদস্যদের পছন্দের পদ রান্না করে খাইয়েছেন। কেউ পত্রপত্রিকা সম্পাদনার বকেয়া কাজ সেরেছেন, কেউ বা ব্যস্ততা ভুলে শিশু দিবসে কচিকাঁচাদের সঙ্গে বেশ কিছুটা সময় কাটিয়েছেন।
Advertisement
বৃহস্পতিবার সকালে সিমলাপাল মদনমোহন উচ্চ বিদ্যালয়ের স্ট্রংরুমে নির্বাচন কমিশন নিযুক্ত অবজার্ভার প্রার্থীদের সঙ্গে বৈঠক করেন। নির্বাচনী এজেন্টদের নিয়ে তৃণমূল প্রার্থী ফাল্গুনী সিংহবাবু, বিজেপি প্রার্থী অনন্যা রায় চক্রবর্তী, সিপিএম প্রার্থী দেবকান্তি মোহান্তি ও কংগ্রেস প্রার্থী তুষারকান্তি ষন্নিগ্রহী সেখানে যোগ দেন। কোন কোন বুথে গড় ভোটের তুলনায় কম মানুষ তাঁদের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগ করেছেন, তা নিয়ে আলোচনা হয়। তবে কোনও দলের তরফেই এদিন পুনর্নির্বাচনের আবেদন জানানো হয়নি। কয়েকটি বুথে ভোটদান নিয়ে সিপিএম, বিজেপি প্রার্থীরা মৃদু আপত্তি জানালেও সেখানে পুনরায় ভোটগ্রহণের দাবি জানাননি। তৃণমূল প্রার্থী বলেন, এদিন সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর থেকেই কর্মীদের সঙ্গে ফোনে কথা শুরু হয়। বিভিন্ন গ্রাম থেকে কর্মীরা ভোটের ব্যাপারে খুঁটিনাটি জানাতে থাকেন। পরে সিমলাপাল ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের কার্যালয়ে নেতাকর্মীদের সঙ্গে আলোচনা সারি। এদিন একটি আদিবাসী ফুটবল প্রতিযোগিতার ফাইনাল খেলার মাঠে গিয়েছিলাম। পরে তালডাংরা ও ইন্দপুরে গিয়ে কর্মীদের সঙ্গে মিলিত হই।
বিজেপি প্রার্থী বলেন, টানা একমাস ধরে প্রচারে ব্যস্ত ছিলাম। ফলে পরিবারের সদস্যদের সময় দিতে পারিনি। এদিন বাড়ির অন্যান্যদের পছন্দের পদ রান্না করেছি। সকালে স্ট্রং রুমে বৈঠক করেই বাড়ি ফিরেছি। তবে তবে দিনভর ফোনে দলের নেতাকর্মীদের সঙ্গে ভোট সংক্রান্ত আলোচনা হয়েছে। সিপিএম প্রার্থী বলেন, ইভিএম সিল করিয়ে ভোর ৪টে নাগাদ স্ট্রং রুম থেকে বাড়ি ফিরি। সকাল ৮টায় ঘুম থেকে উঠে ফের কর্মীদের সঙ্গে আলোচনা শুরু হয়। দুপুরে দলের সিমলাপাল এরিয়া কমিটির কার্যালয়ে দলীয় নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠক হয়। সেখানে স্ট্রংরুম পাহারা, গণনার জন্য প্রস্তুতি সহ অন্যান্য কিছু বিষয় নিয়ে বেশ কিছুক্ষণ আলোচনা হয়। এদিন শিশু দিবস ছিল। ফলে এলাকার শিশুদের সঙ্গে বেশ কিছুটা সময় কাটিয়েছি। কংগ্রেস প্রার্থী বলেন, এদিন স্ট্রং রুমে চার দলের প্রার্থীই নিজেদের মধ্যে খোলা মনে গল্পগুজব করেছি। সেখানে প্রচার পর্বের রাজনৈতিক উত্তাপ ছিল না। সকলেই একে অপরের প্রতি সৌজন্য দেখিয়েছেন।
বিজেপি প্রার্থী বলেন, টানা একমাস ধরে প্রচারে ব্যস্ত ছিলাম। ফলে পরিবারের সদস্যদের সময় দিতে পারিনি। এদিন বাড়ির অন্যান্যদের পছন্দের পদ রান্না করেছি। সকালে স্ট্রং রুমে বৈঠক করেই বাড়ি ফিরেছি। তবে তবে দিনভর ফোনে দলের নেতাকর্মীদের সঙ্গে ভোট সংক্রান্ত আলোচনা হয়েছে। সিপিএম প্রার্থী বলেন, ইভিএম সিল করিয়ে ভোর ৪টে নাগাদ স্ট্রং রুম থেকে বাড়ি ফিরি। সকাল ৮টায় ঘুম থেকে উঠে ফের কর্মীদের সঙ্গে আলোচনা শুরু হয়। দুপুরে দলের সিমলাপাল এরিয়া কমিটির কার্যালয়ে দলীয় নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠক হয়। সেখানে স্ট্রংরুম পাহারা, গণনার জন্য প্রস্তুতি সহ অন্যান্য কিছু বিষয় নিয়ে বেশ কিছুক্ষণ আলোচনা হয়। এদিন শিশু দিবস ছিল। ফলে এলাকার শিশুদের সঙ্গে বেশ কিছুটা সময় কাটিয়েছি। কংগ্রেস প্রার্থী বলেন, এদিন স্ট্রং রুমে চার দলের প্রার্থীই নিজেদের মধ্যে খোলা মনে গল্পগুজব করেছি। সেখানে প্রচার পর্বের রাজনৈতিক উত্তাপ ছিল না। সকলেই একে অপরের প্রতি সৌজন্য দেখিয়েছেন।



