ভুবনেশ্বর: সারা বছর ধরেই পুরীর শ্রীজগন্নাথ মন্দিরে ভিড় করেন ভক্তরা। আর সেই ভক্তরাই এবার সাইবার জালিয়াতদের নজরে। পুরীতে থাকার জন্য অনেকেই শ্রীজগন্নাথ টেম্পল অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (এসজেটিএ)-এর অধীনে থাকা গেস্ট হাউসের ঘর ভাড়া নেন। আর সেই গেস্ট হাউস বুকিংয়ের ভুয়ো পোর্টাল তৈরি করে প্রতারণার ফাঁদ পেতেছিল জালিয়াতরা। অনেকেই বুঝতে না পেরে ভুয়ো পোর্টালের সাহায্যে গেস্ট হাউস বুক করতে গিয়ে টাকা খুইয়েছেন। বেশ কয়েকটি এমন প্রতারণার কথা জানাজানি হওয়ার পর ওড়িশা পুলিসের ক্রাইম ব্রাঞ্চের দ্বারস্থ হয়েছে মন্দির প্রশাসন। এর আগেও একই ধরনের প্রতারণার অভিযোগ উঠেছিল। সেবারও পুলিসের দ্বারস্থ হয়েছিল এসজেটিএ।
Advertisement
কিন্তু কীভাবে প্রতারণা করত সাইবার জালিয়াতরা? ভক্তদের থাকার জন্য এসজেটিএর পাঁচটি গেস্ট হাউস রয়েছে। দুটি পোর্টালের মাধ্যমে গেস্ট হাউসের ঘর বুক করা যায়। জালিয়াতরা প্রায় একই ডোমেইন নাম ব্যবহার করে ও প্রায় একইরকম দেখতে পোর্টাল তৈরি করে। খুব ভালো করে লক্ষ্য না করলে সাধারণ মানুষের পক্ষে আসল ও ভুয়ো পোর্টালের মধ্যে তফাত্ করাই মুশকিল। ইন্টারনেটে সার্চ করলে আসলের সঙ্গে ভুয়ো পোর্টালগুলি দেখা যাচ্ছে। বিভ্রান্ত হয়ে ভুয়ো পোর্টালে গিয়ে আগাম টাকা দিলেই তা চলে যাচ্ছে জালিয়াতদের অ্যাকাউন্টে। অথচ গেস্ট হাউসের ঘর বুক হচ্ছে না। এসজেটিএর মুখ্য প্রশাসক অরবিন্দ পাধি জানিয়েছেন, ‘বহু ভক্ত এই ভুয়ো পোর্টালের শিকার হয়ে টাকা খুইয়েছেন। আমরা ক্রাইম ব্রাঞ্চের সাইবার উইংয়ের কাছে বিষয়টি নিয়ে অভিযোগ জানিয়েছি।’
পুলিস আধিকারিকরা জানিয়েছেন, বেশ কয়েকটি ভুয়ো ওয়েবসাইট চিহ্নিত করা হয়েছে। কারা এর সঙ্গে জড়িত, তার সন্ধানে তদন্ত শুরু হয়েছে। ভক্তদের ঘর বুকিংয়ের সময় সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছেন তাঁরা। মন্দির কর্তৃপক্ষের তরফেও জানানো হয়েছে, সরকারি পোর্টাল দুটিতে কোনও ‘থার্ড পার্টি অ্যাপ’-এর মাধ্যমে টাকা নেওয়া হয় না। এছাড়া পোর্টালের সুরক্ষা ব্যবস্থা আরও উন্নত করার চেষ্টা চলছে। পাশাপাশি ভক্তদের সাহায্য করার জন্য জগন্নাথ মন্দির চত্বরে কিয়স্ক তৈরি করা হবে। কেউ প্রতারিত হয়েছে বুঝতে পারলেই টাকা লেনদেনের প্রমাণ সহ অভিযোগ দায়েরের পরামর্শ দিয়েছে মন্দির কর্তৃপক্ষ।
পুলিস আধিকারিকরা জানিয়েছেন, বেশ কয়েকটি ভুয়ো ওয়েবসাইট চিহ্নিত করা হয়েছে। কারা এর সঙ্গে জড়িত, তার সন্ধানে তদন্ত শুরু হয়েছে। ভক্তদের ঘর বুকিংয়ের সময় সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছেন তাঁরা। মন্দির কর্তৃপক্ষের তরফেও জানানো হয়েছে, সরকারি পোর্টাল দুটিতে কোনও ‘থার্ড পার্টি অ্যাপ’-এর মাধ্যমে টাকা নেওয়া হয় না। এছাড়া পোর্টালের সুরক্ষা ব্যবস্থা আরও উন্নত করার চেষ্টা চলছে। পাশাপাশি ভক্তদের সাহায্য করার জন্য জগন্নাথ মন্দির চত্বরে কিয়স্ক তৈরি করা হবে। কেউ প্রতারিত হয়েছে বুঝতে পারলেই টাকা লেনদেনের প্রমাণ সহ অভিযোগ দায়েরের পরামর্শ দিয়েছে মন্দির কর্তৃপক্ষ।



