Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

ভর্তি না করে হাসপাতাল ফেরানোয় শিশু মৃত্যুর অভিযোগ, দুর্গাপুরে বিক্ষোভে চাঞ্চল্য

ভর্তি না করে একটি শিশুকে ফিরিয়ে দেয় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। শুক্রবার ওই শিশুটির চিকিৎসার অভাবে মৃত্যু হওয়ায় দুর্গাপুর মহকুমা হাসপাতালে তীব্র উত্তেজনা দেখা দেয়।

ভর্তি না করে হাসপাতাল ফেরানোয় শিশু মৃত্যুর অভিযোগ, দুর্গাপুরে বিক্ষোভে চাঞ্চল্য
  • ১৭ আগস্ট, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, দুর্গাপুর: ভর্তি না করে একটি শিশুকে ফিরিয়ে দেয় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। শুক্রবার ওই শিশুটির চিকিৎসার অভাবে মৃত্যু হওয়ায় দুর্গাপুর মহকুমা হাসপাতালে তীব্র উত্তেজনা দেখা দেয়। মৃতের পরিবারের অভিযোগ, হাসপাতালে ভর্তি না নিয়ে ফিরিয়ে দেওয়ার জন্যই শিশুটির মৃত্যু হয়েছে। মৃত শিশুর নাম ঋক বাগদি (৪)। তার বাড়ি দুর্গাপুর স্টিল টাউনশিপের রামানুজম এলাকায়। এই ঘটনার প্রতিবাদে মৃতের পরিবারের লোকজন ও এলাকাবাসী ক্ষুব্ধ হয়ে হাসপাতালে বিক্ষোভ দেখান। বিক্ষোভের জেরে হাসপাতাল চত্বরে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়ায়। ঘটনাস্থলে নিউ টাউনশিপ থানার বিশাল পুলিস বাহিনী এসে পরিস্থিতি সামাল দেয়। যদিও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের দাবি, চিকিৎসা করানোর সময় ওই  শিশুপুত্রের শারীরিক পরিস্থিতি স্থিতিশীল থাকায় তাকে ভর্তি নেওয়া হয়নি। সম্পূর্ণ ঘটনাটি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

Advertisement

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ঋকের তিন দিন ধরে জ্বর ছিল। তার বাবা মঙ্গল বাগদি গত বৃহস্পতিবার পুরসভার স্বাস্থ্যকেন্দ্রে প্রথমে ছেলের চিকিৎসা করান। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসার পরে চিকিৎসক শিশুটিকে দুর্গাপুর মহকুমা হাসপাতালে স্থানান্তরিত করেন। ওইদিন ঋকের চিকিৎসার জন্য মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। হাসপাতালের বহির্বিভাগের চিকিৎসক ঋককে ওষুধ দেন। কিন্তু পরিবারের অভিযোগ, ওষুধ দিলেও শিশুটিকে ভর্তি নেওয়া হয়নি। এরপর ঋককে তার মা ও বাবা বাড়ি নিয়ে চলে আসেন। শুক্রবার ভোরে ওই শিশুর শারীরিক পরিস্থিতির অবনতি হতে থাকে। তড়িঘড়ি ফের দুর্গাপুর মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে এলে চিকিৎসক পরীক্ষা করে শিশুটিকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। ঋকের বাবা মঙ্গলবাবুর অভিযোগ, ছেলেকে হাসপাতালে ভর্তি নেওয়ার জন্য অনুরোধ করেছিলাম। ভর্তি নেয়নি। হাসপাতালে ভর্তি হয়ে গেলে ছেলের এভাবে মৃত্যু হত না। যদিও শনিবার সন্ধ্যে পর্যন্ত পাওয়া খবর অনুযায়ী মৃতের পরিবারের তরফে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়নি বলে জানা গিয়েছে। 
হাসপাতালের সুপার ধীমান মণ্ডল বলেন, যে সময় চিকিৎসা করিয়েছিল তখন শিশুটির শারিরীক অবস্থা স্থিতিশীল ছিল বলে জানতে পেরেছি। আর কোনও রোগী যদি হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার দাবি করে তাহলে আমরা তাকে ভর্তি করে নিই। কাউকে ফেরাই না। বাড়িতে যখন শিশুটির শারিরীক পরিস্থিতির অবনতি ঘটছিল তখন কেন হাসপাতালে নিয়ে এলেন না ওনারা। যদিও ঘটনার জন্য আমরা একটি  কমিটি  করে  তদন্ত শুরু করেছি।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ