নিজস্ব প্রতিনিধি ও সংবাদদাতা: জীবনদায়ী ওষুধের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে ব্লকে ব্লকে শনিবার মিছিল করার নির্দেশ দিয়েছিলেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই নির্দেশ কার্যকর হয়েছে কলকাতা থেকে শুরু করে রাজ্যের সর্বত্র। তবে রাজপুর সোনারপুর পুরসভার ২৫ নম্বর ওয়ার্ডে প্রতিবাদ মিছিলের আগেই প্রকাশ্যে এল রাজ্যের শাসক দলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব। দলের একাংশের বিরুদ্ধেই বিস্ফোরক অভিযোগ তুললেন এই ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলার তথা চেয়ারম্যান-ইন-কাউন্সিল সোনালি রায়। মিছিলের আগে ফেসবুক লাইভ করে একাধিক ইস্যু নিয়ে রীতিমতো ক্ষোভ উগরে দেন সোনালিদেবী। তিনি বলেন, ‘যাঁরা নিজেদের তৃণমূল বলছেন, তাঁরা গোপনে দলেরই কর্মীদের ভয় দেখাচ্ছেন, মিছিলে যেতে বারণ করছেন। সন্দেহ হয়, এঁরা তৃণমূল করেন, নাকি বিজেপির এজেন্ট হয়ে দলে ঢুকে গুপ্তচরবৃত্তি করছেন!’
ওষুধের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে মিছিল হয়েছে কলকাতা থেকে শুরু করে হাওড়া, হুগলি, উত্তর ২৪ পরগনাতেও। ওষুধ তথা নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে খড়দহে স্থানীয় বিধায়ক ও রাজ্যের কৃষিমন্ত্রী শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে বিশাল প্রতিবাদ মিছিল হয়। শনিবার সকালে মধ্য হাওড়ার ওলাবিবিতলা জল ট্যাঙ্ক মোড় থেকে হাওড়া ময়দান পর্যন্ত মিছিল করেন উদ্যানপালন মন্ত্রী অরূপ রায়। তিনি বলেন, ‘বিজেপির মতো স্বেচ্ছাচারী দল আর কোথাও নেই। যথেচ্ছভাবে একের পর এক ওষুধের দাম বাড়িয়ে মানুষের ওপর বোঝা চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে।’ পাশাপাশি ডোমজুড়ে প্রতিবাদ সভা হয় হাওড়া সদর তৃণমূলের সভাপতি তথা বিধায়ক কল্যাণ ঘোষের নেতৃত্বে।
পূর্ব এবং উলুবেড়িয়া দক্ষিণ কেন্দ্রে তৃণমূল কংগ্রেসের উদ্যোগে প্রতিবাদ মিছিল বের করা হয়। এদিন বিকালে উলুবেড়িয়া স্টেশন থেকে উলুবেড়িয়া লকগেট পর্যন্ত প্রতিবাদ মিছিলে পা মেলান রাজ্যের পূর্ত ও জনস্বাস্থ্য কারিগরি দপ্তরের মন্ত্রী পুলক রায় সহ তৃণমূল নেতা-কর্মীরা। প্রতিবাদে মিছিল হয়েছে বারাকপুর এবং কোন্নগরেও।