পিস বন্ডে থামবে না আন্দোলন: ককরোচ
  • ২৬ অক্টোবর, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: ‘পিস বন্ডে সই করালেও আন্দোলন থামবে না।’ নরেন্দ্র মোদি সরকারকে শক্ত চ্যালেঞ্জের সামনে দাঁড় করিয়ে ফের হুঁশিয়ারি ককরোচদের। সম্প্রতি আইন লঙ্ঘনের অভিযোগ তুলে ককরোচ জনতা পার্টির একের পর এক শীর্ষ নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে দিল্লি পুলিশ। তালিকায় রয়েছেন অভিজিৎ দিপকে, সৌরভ দাস, আশুতোষ রাঙ্কা, অজিঙ্ক সিন্ধেরা। জামিনে মুক্ত হলেও সিজেপি নেতৃত্বের ঘাড়ে চাপানো হয়েছে একাধিক শর্ত। তার মধ্যে অন্যতম এই ‘পিস বন্ড’। শান্তি বিঘ্নিত হয়, এমন কোনো কাজ অন্তত আগামী এক বছর করা যাবে না— এই মর্মেই স্বাক্ষর করতে হয়েছে চুক্তিতে। তারপর থেকেই সৌরভ-আশুতোষরা আর আন্দোলনে নামতে পারবেন না বলে প্রচার চলছিল সোশ্যাল মিডিয়ায়। এমন প্রেক্ষাপটেই রবিবার ককরোচ জনতা পার্টি হুংকার দিয়েছে, ‘পিস বন্ডের সঙ্গে আন্দোলনের কোনো সম্পর্ক নেই। শান্তিচুক্তিতে স্বাক্ষর করলেও জ্ঞানেশ কুমার বিরোধী আন্দোলন হবে, না করলেও হবে। মোদি সরকারের নিশ্চিন্ত থাকার কোনো অবকাশ নেই।’ তবে কি আবারও আগ্রাসী আন্দোলনের পরিকল্পনা? যদিও ককরোচরা ফের স্পষ্ট করেছে, ‘জেন জি-র আন্দোলন বরাবরই শান্তিপূর্ণভাবে হয়েছে। অন্তত ককরোচদের দিক থেকে আন্দোলন অশান্ত করতে কোনো উসকানি দেওয়া হয়নি। বাকিটা সম্পূর্ণভাবে পুলিশের দায়িত্ব।’  

Advertisement

আইসা নেত্রী নেহা বোরা অবশ্য এখনও পর্যন্ত দিল্লি পুলিশের ‘পিস বন্ডে’ স্বাক্ষর করেননি। জ্ঞানেশ বিরোধী বিক্ষোভে ককরোচদের পাশাপাশি এই মুহূর্তে তিনিই রীতিমতো নাস্তানাবুদ করছেন সরকার এবং প্রশাসনকে। তাঁর শান্তি চুক্তিতে স্বাক্ষর না করার ঘটনায় রীতিমতো সিঁদুরে মেঘ দেখছে দিল্লি পুলিশ। নেহা অবশ্য সাফ জানিয়েছেন, চুক্তিপত্রে সই করার প্রশ্নই ওঠে না। পুলিশ যা পারে করে নিক! সবমিলিয়ে জ্ঞানেশ বিরোধী আন্দোলনের উত্তাপ ক্রমেই বৃদ্ধি পাচ্ছে। ককরোচদের অভিযোগ, সর্বত্রই সাদা পোশাকের পুলিশ নজরদারি চালাচ্ছে। এমনকি, নেতৃত্বের একাংশের ফোনে আড়ি পাতার অভিযোগও তোলা হয়েছে। রবিবার জেন জি আন্দোলনের ঝাঁজ যখন চড়ছে, ঠিক সেই সময়ই কংগ্রেসের দাবি, আগামী রবিবার রামলীলা ময়দানে ১০ লক্ষ মানুষ জমায়েতের টার্গেট নিয়েই এগচ্ছে ‘ইন্ডিয়া’। ৩০ অক্টোবর থেকে ১ নভেম্বর পর্যন্ত সব বিরোধী এমপিকে দিল্লিতে হাজির থাকার আরজি জানানো হয়েছে।