কোচি: অবিলম্বে পদত্যাগ করতে হবে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে। সেইসঙ্গে এসআইআর প্রক্রিয়াও প্রত্যাহার করতে হবে। শনিবার কোচিতে এই দাবিতে প্রতিবাদ মিছিল করল ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)। দলের ‘যন্তর মন্তর অ্যাট কোচি’ কর্মসূচির অঙ্গ হিসাবে মেরিন ড্রাইভ থেকে আয়োজিত এই মিছিলে প্রায় ৫০০ জন কর্মী-সমর্থক অংশ নেন বলে দাবি উদ্যোক্তাদের। মিছিলে ছিলেন অভিনেতা প্রকাশ রাজও। অংশগ্রহণকারীদের হাতে ছিল জাতীয় পতাকা। জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে স্লোগান দিতে দিতে মিছিল এগতে থাকে। দুপুরে কোচি পৌঁছন সিজেপি প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দিপকে। মিছিল শেষে প্রতিবাদ সভায় মোদি সরকারকে তীব্র আক্রমণ করেন দিপকে। তিনি সাফ জানিয়েছেন, দেশে স্বাধীন ও নিরপেক্ষ নির্বাচনি ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠিত না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে। দিল্লিতে জাতীয় পতাকা নিয়ে যন্তর মন্তরে প্রবেশের অভিযোগে দলের নেতা সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কার সঙ্গে তাঁর গ্রেপ্তারির প্রসঙ্গ তোলেন দিপকে। বলেন, ‘এই তেরঙা উত্তোলনের জন্য আমাকে জেলে পাঠানো হয়েছিল। আমার দুই ভাই সৌরভ ও আশুকেও একই কারণে জেলে যেতে হয়েছে। ভারতে শেষবার এমন ঘটনা ঘটেছিল ব্রিটিশ শাসনের সময়।’ মোদি সরকারের সঙ্গে ব্রিটিশ শাসনের তুলনা টেনে তাঁর আরও অভিযোগ, বর্তমান সরকারও মানুষের স্বাধীনতা খর্ব করার চেষ্টা করছে। এরপরই প্রধানমন্ত্রীকে উদ্দেশ করে দিপকে বলেন, ‘দেশের প্রতিটি প্রান্তে এই তেরঙ্গা নিয়ে যাব। যেখান থেকেই ইচ্ছা, আমাকে গ্রেপ্তার করুন। আবার ফিরে এসে এই জাতীয় পতাকা তুলে ধরব।’ দেশের প্রতিষ্ঠার পিছনে বি আর আম্বেদকর, মহাত্মা গান্ধী ও জওহরলাল নেহরুর আদর্শের কথা উল্লেখ করে দিপকে বলেন, গান্ধী ভারতের আত্মা, আম্বেদকর মেরুদণ্ড এবং নেহরু দেশের মন। এই তিন নেতার চেয়ে বড়ো হওয়ার ক্ষমতা মোদির নেই।
অন্যদিকে, কেরলের কালাডির শ্রীশঙ্করাচার্য সংস্কৃত বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৬ জন পড়ুয়ার সাসপেনশন নিয়ে রাজ্যের ইউডিএফ সরকার ও উচ্চশিক্ষামন্ত্রী রোজি এম জনকে আক্রমণ করেছেন অভিনেতা প্রকাশ রাজ। পড়ুয়াদের পরীক্ষায় বসার অনুমতি না দেওয়া হলে তাঁদের অনশন কর্মসূচিতে যোগ দেওয়ার হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন তিনি।



