Bartaman Logo
৩১ আগস্ট, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

৪৬৩৯টি জুনিয়র হাইস্কুলের স্নাতকোত্তর শিক্ষকদের উচ্চ মাধ্যমিকে ফেরানোর প্রস্তাব

একাদশ-দ্বাদশ স্তরে শিক্ষক নিয়োগের কাউন্সেলিং শুরু হচ্ছে শীঘ্রই। এই অবস্থায় জুনিয়র হাইস্কুল থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি থাকা শিক্ষকদের উচ্চ মাধ্যমিক স্তরে নিয়ে যাওয়ার দাবি উঠল।

৪৬৩৯টি জুনিয়র হাইস্কুলের স্নাতকোত্তর শিক্ষকদের উচ্চ মাধ্যমিকে ফেরানোর প্রস্তাব
  • ১৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: একাদশ-দ্বাদশ স্তরে শিক্ষক নিয়োগের কাউন্সেলিং শুরু হচ্ছে শীঘ্রই। এই অবস্থায় জুনিয়র হাইস্কুল থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি থাকা শিক্ষকদের উচ্চ মাধ্যমিক স্তরে নিয়ে যাওয়ার দাবি উঠল। উচ্চ মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষক সংগঠন এপিজিটিডব্লুএ এই দাবিতে সোচ্চার হয়েছে। সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক চন্দন গড়াইয়ের আরটিআই আবেদনে আংশিক উত্তর দিয়েছে শিক্ষাদপ্তর। তাতে রাজ্যের প্রতিটি জেলার জুনিয়র হাইস্কুলের হিসেব তুলে দিয়েছে বিকাশ ভবন।হঠাৎ এই দাবি কেন? চন্দনবাবুর বক্তব্য, এই ধরনের শিক্ষকরা নর্মাল সেকশনে যোগ দিয়েছিলেন। উচ্চ মাধ্যমিকের যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও জুনিয়র হাইস্কুলে কাজ করে তাঁরা মেধার প্রতি সুবিচার করতে পারছেন না।

Advertisement

মাধ্যমিক বা উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার উত্তরপত্র মূল্যায়নের সুযোগও পাচ্ছেন না তাঁরা। সবচেয়ে বড় কথা হল, একাদশ এবং দ্বাদশ স্তরে বহু জায়গাতেই শিক্ষক সংকট রয়েছে। এই শিক্ষকরা উঁচু ক্লাসে গেলে সেই সমস্যা অনেকটাই দূর হবে। মাধ্যমিক এবং উচ্চ মাধ্যমিক—দু’টি স্তরেই পড়ানো হয়, এমন বিষয়গুলির ক্ষেত্রে শিক্ষকের অভাব মিটবে। পাশাপাশি উচ্চ প্রাথমিক স্তরে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে ‘টেট’ আবশ্যিক হয়ে যাওয়ায় এই শিক্ষকরা অন্য আশঙ্কাও করছেন। তাঁরা ভাবছেন, চাকরি টিকিয়ে রাখতে গেলে তাঁদের ‘টেট’ পাশ করতেই হবে।শিক্ষাদপ্তরের দেওয়া হিসেবে দেখা যাচ্ছে, মোট ৪ হাজার ৬৩৯টি জুনিয়র হাইস্কুল রয়েছে রাজ্যে। তবে এই স্কুলগুলিতে কতজন শিক্ষক রয়েছেন, তাঁদের মধ্যে কতজনের স্নাতকোত্তর ডিগ্রি রয়েছে, সেই হিসেব বিকাশ ভবন দেয়নি। চন্দনবাবুরা মনে করছেন, ‘বাংলার শিক্ষা’ পোর্টাল থেকে সেই হিসেব পাওয়া সম্ভব। তারপরই তাঁদের উচ্চ মাধ্যমিক স্কুলে স্থানান্তরের পথে হাঁটতে পারে সরকার। উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সংসদও এই নীতির পক্ষপাতি বলেই শিক্ষক সংগঠনটির দাবি। যদিও এনিয়ে সংসদের কারও বক্তব্য পাওয়া যায়নি। শিক্ষাদপ্তরের এক কর্তা বলেন, ‘আপাতদৃষ্টিতে প্রস্তাবটি অন্যায্য মনে হচ্ছে না। তবে কয়েকটি বিষয় মাথায় রাখা প্রয়োজন। এই শিক্ষকরা কিন্তু কাউন্সেলিংয়ের সময় জুনিয়র হাইস্কুল জেনেই তা গ্রহণ করেছিলেন। তাছাড়া এই শিক্ষকদের উচ্চ মাধ্যমিক স্তরে নিয়ে গেলে নতুন প্রার্থীদের জন্য শূন্যপদে ঘাটতি হবে। তাই সব দিক মাথায় রাখতে হচ্ছে।’

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ