নিজস্ব প্রতিনিধি, আসানসোল: কুলটিতে ভোটার তালিকায় গরমিলের অভিযোগে বৃহস্পতিবার সরব হল তৃণমূল কংগ্রেস। এদিন সকালে আসানসোল পুরসভার ৬০ নম্বর ওয়ার্ডের টহরমে যান পুরসভার মেয়র পরিষদ সদস্য ইন্দ্রানী মিশ্র। তৃণমূলের স্থানীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে ভোটার তালিকা স্ক্রুটিনি করেন। কুলটি থানার নিয়ামতপুরের এই এলাকার বিধায়কও তিনি। অভিযোগ, স্ক্রুটিনিতে ধরা পড়েছে পাঁচটি নাম। যাঁদের এলাকাবাসীরা চেনে না। চলতি বছরে যে ভোটার তালিকা প্রকাশ হয়েছে, সেখানেই প্রথমবার নাম উঠেছে তাঁদের। ভোটার তালিকা দেখে স্পষ্ট, পাঁচটি নামই একই পরিবারের সদস্যদের। ৯৮ নম্বর পার্টের এই বাসিন্দাদের কেন খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না, তা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে।
ইন্দ্রানী মিশ্র বলেন, স্বামী, স্ত্রী ও তিন ছেলেমেয়ের একটি পরিবারের ঠিকানা এখানকার। অথচ। এলাকার কোনও মানুষই তাঁদের চেনে না। পদবি দেখে স্পষ্ট যে, তাঁরা বাঙালি নন। আমরা পুরো বিষয়টি দলের শীর্ষ নেতৃত্ব ও প্রশাসনকে জানাব। আমাদের সন্দেহ, মুখ্যমন্ত্রী যে ভুয়ো ভোটারে কথা বলেছেন এরা তাঁরাই। বিজেপি এদের নাম ঢুকিয়েছে। যদিও বিজেপি যুব মোর্চার রাজ্য কমিটির সদস্য অমিত গরাই বলেন, ছাব্বিশে হার নিশ্চিত বুঝে তৃণমূল সঠিক ভোটারদের নাম কাটতে তৎপর হয়েছে।
কুলটির পাশাপাশি তৃণমূল প্রশ্ন তুলেছে দুর্গাপুরের ভোটার তালিকা নিয়েও। দুর্গাপুরের তৃণমূল কংগ্রেসের ২ নম্বর ব্লকের সভাপতি উজ্জ্বল মুখোপাধ্যায় বলেন, আমার ব্লকে পাঁচজন এমন ভোটারের এপিক নম্বর নিয়ে বিভ্রান্তি ছড়িয়েছে। আমাদের ভোটারদের এপিক নম্বরেই অন্য রাজ্যে ভোটার রয়েছে। কেন এটা হবে। বুধবার এনিয়ে দুর্গাপুরের সৃজনী হলে একটি বৈঠক করে তৃণমূল কংগ্রেস। সেখানে উপস্থিত হয়েছিলেন বর্ধমান-দুর্গাপুর লোকসভা কেন্দ্রের এমপি কীর্তি আজাদ ও জেলা সভাপতি নরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী। তাঁরা আরও নিবিড় ভাবে তালিকা খতিয়ে দেখার পরামর্শ দেন।