Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

প্রান্তিক ও ক্ষুদ্র চাষিদের জন্য সমস্ত হিমঘরে ৩০ শতাংশ স্থান সংরক্ষণ

প্রান্তিক ও ক্ষুদ্র চাষিদের জন্য সমস্ত হিমঘরে ৩০ শতাংশ স্থান সংরক্ষণ
  • ২০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ ০০:০০
Prefer us on Google
নিজস্ব প্রতিনিধি, রায়গঞ্জ: খেত থেকে আলু তোলার মরশুম শুরু হতেই হিমঘরে আলু সংরক্ষণে তৎপর জেলা প্রশাসন। ৯ দিন বাদে পয়লা মার্চ থেকে খুলে যাচ্ছে জেলার হিমঘরগুলি। তার আগে আলু সংরক্ষণে বিধিনিষেধ নিয়ে শুরু হয়েছে প্রশাসনিক আলাপ আলোচনা। প্রান্তিক ও ক্ষুদ্র চাষিদের সুযোগ করে দিতে জেলার সমস্ত হিমঘরে ৩০ শতাংশ স্থান সংরক্ষণ করা হচ্ছে। সেইসঙ্গে হিমঘরে আলু রাখা নিয়ে অশান্তি এড়াতে ব্যবস্থা করা হচ্ছে বাড়তি নিরাপত্তার। 
Advertisement
বুধবার জেলাশাসক সুরেন্দ্র কুমার মিনার নেতৃত্বে একটি বৈঠক শেষে এই তথ্য উঠে এসেছে। জেলাশাসক জানিয়েছেন, এবার প্রান্তিক ও ক্ষুদ্র চাষিদের সুযোগ দিতে জেলার হিমঘরগুলিকে বলা হয়েছে ৩০ শতাংশ জায়গা সংরক্ষণ করে রাখার জন্য। সঙ্গে ব্লকস্তর থেকে দ্রুত আলুচাষিদের জন্য নির্দিষ্ট বন্ডের ব্যবস্থা করতে। এদিন বৈঠকে কৃষি, কৃষি বিপণন, জেলার দুই মহকুমাশাসক, ব্লক প্রশাসন, হিমঘর কর্তৃপক্ষকে নিয়ে বৈঠকটি সম্পন্ন হয়।   
কৃষিদপ্তরের পরিসংখ্যান বলছে, এবার জেলার প্রায় ২৮ হাজার ৬০০ হেক্টর জমিতে আলু চাষ হয়েছে। মূলত পোখরাজ, জ্যোতি ও এস-ওয়ান প্রজাতির আলু চাষ হয় এই জেলায়। যা ইতিমধ্যে খেত থেকে তোলা শুরু হয়েছে। জেলার মধ্যে ইসলামপুর ব্লকে সবথেকে বেশি আলু চাষ হয়। ওই ব্লকেই ৬ হাজার ১৯৫ হেক্টর জমিতে আলু চাষ হয়। জেলার মধ্যে সবচেয়ে কম আলু উৎপাদন হয় হেমতাবাদ ও করণদিঘি ব্লকে। 
যার পরিপ্রেক্ষিতেই আলু সংরক্ষণের ব্যবস্থা হয়েছে। জেলার কৃষি বিপণন দপ্তরের আধিকারিক অনিল কুমার শর্মা বলেন, পয়লা মার্চ থেকে খুলে যাচ্ছে জেলার দশটি কোল্ড স্টোরেজ। যেগুলির বেশিরভাগই ইসলামপুর মহকুমায়। একটিমাত্র কোল্ড স্টোরেজ রায়গঞ্জ মহকুমায়। আলু রাখার ক্ষেত্রে চাষিরা তাঁদের সুবিধা মতো কাছের কোল্ড স্টোরেজে আলু রাখার সুযোগ পাবেন। 
একজন চাষি কমপক্ষে ৩৫ কুইন্টাল আলু মজুত রাখতে পারবেন। আগে এলে আগে পাওয়ার ভিত্তিতেই আলুর বন্ড বিলি শুরু হবে। 
পয়লা মার্চ থেকে ২০ মার্চ পর্যন্ত তাঁরা এই সুযোগ পাবেন। তার জন্য ব্লকস্তরে দ্রুত বৈঠক করা হবে। কৃষকবন্ধু সহ কৃষিক্ষেত্রের বিভিন্ন উপভোক্তারা প্রশাসনের তালিকা অনুযায়ী বন্ড তোলার সুযোগ পাবেন। কৃষিদপ্তর সূত্রে খবর, গতবার ৭ লক্ষ ১৫ হাজার ৬০০ মেট্রিক টন আলু উৎপাদন হয় জেলায়। এবারও এই পরিমাণ আলু উৎপাদন হওয়ার সম্ভাবনা দেখছেন কৃষি আধিকারিকরা। 
(হিমঘরে আলু সংরক্ষণ নিয়ে জেলাশাসকের দপ্তরে বৈঠক।-নিজস্ব চিত্র)
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ