সংবাদদাতা, মালদহ: ইংলিশবাজার পুরসভার চেয়ারম্যান ইন কাউন্সিল সদস্য তথা চার নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলার অশোক সাহার বিরুদ্ধে গালিগালাজ ও প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ তুললেন ওই ওয়ার্ডেরই বাসিন্দা এক ডেকোরেটর। তাঁর অভিযোগকে সমর্থন করেছেন ওই ওয়ার্ডেরই আরেক বাসিন্দা। পাশাপাশি তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা যাবতীয় অভিযোগ নস্যাৎ করে দিয়েছেন তৃণমূলের ওই কাউন্সিলার। তাঁর পাল্টা দাবি, এলাকার একটি সরকারি মাঠে দেদার মাদক সেবনের আসর বসত ওই ডেকোরেটরের মদতে। পাশাপাশি পুরসভার রাস্তা জবর দখল করে রাখা ব্যবসার সামগ্রী সরিয়ে নিতে বলাতেই তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলা হচ্ছে বলে পাল্টা বক্তব্য তৃণমূল কাউন্সিলারের।
Advertisement
চার নম্বর ওয়ার্ডের ২ নম্বর গভর্নমেন্ট কলোনির বাসিন্দা চন্দন চক্রবর্তীর বক্তব্য, তিনি স্থানীয় ক্লাবের পুজো মণ্ডপ সংলগ্ন জায়গায় প্যান্ডেলের সামগ্রী রেখেছিলেন। স্থানীয় তৃণমূল কাউন্সিলার হুমকি দিয়ে ওই সামগ্রী সরিয়ে নিতে বলেন। তিনি তাঁর সমস্যার কথা জানালেও কানে তোলেননি কাউন্সিলার। বরং অশ্লীল ভাষায় তাঁকে গালিগালাজ শুরু করেন। এমনকী কাউন্সিলার প্রকাশ্যে তাঁকে প্রাণনাশের হুমকিও দেন বলে দাবি ওই ডেকোরেটরের।
শুধু তাই নয়, অশোকবাবুর বিরুদ্ধে স্থানীয় ক্লাবের মন্দির নির্মাণের অর্থ ব্যয়ের হিসাব না দেওয়া, ওয়ার্ডের একটি মাঠ সংস্কার না করা সহ একাধিক অভিযোগ তুলেছেন ওই ব্যবসায়ী।
রাকেশ রায় নামে এলাকার আরেক বাসিন্দাও চন্দনবাবুর অভিযোগের সারবত্তা রয়েছে বলে দাবি করেছেন। পাল্টা মুখ খুলেছেন তৃণমূল কাউন্সিলার অশোক সাহাও। তিনি বলেন, ক্লাবটিকে রীতিমতো কুক্ষিগত করে রেখেছিলেন ওই ডেকোরেটর এবং তার এক সঙ্গী। ক্লাবের পুজোর অর্থ নয়ছয় করতেন তাঁরা। কেউ প্রতিবাদ করলে মারধর করা হত। ক্লাব প্রাঙ্গণ দখল করে নিজেদের ব্যবসার সামগ্রী রাখতেন ওই ডেকোরেটর। স্থানীয় বাসিন্দাদের প্রতিবাদে সেসব সরাতে বাধ্য হন। এরপর পুরসভার রাস্তা দখল করে ব্যবসার সামগ্রী রাখতে শুরু করেন। একটি সরকারি মাঠে ওই ডেকোরেটর ও তাঁর কয়েকজন সঙ্গীর মদতে সকাল থেকেই মাদক সেবনের আসর বসত। স্থানীয় মানুষের অভিযোগ পেয়ে সেইসব বন্ধ করাতেই আমার বিরুদ্ধে ভিত্তিহীন অভিযোগ করা হচ্ছে।
শুধু তাই নয়, অশোকবাবুর বিরুদ্ধে স্থানীয় ক্লাবের মন্দির নির্মাণের অর্থ ব্যয়ের হিসাব না দেওয়া, ওয়ার্ডের একটি মাঠ সংস্কার না করা সহ একাধিক অভিযোগ তুলেছেন ওই ব্যবসায়ী।
রাকেশ রায় নামে এলাকার আরেক বাসিন্দাও চন্দনবাবুর অভিযোগের সারবত্তা রয়েছে বলে দাবি করেছেন। পাল্টা মুখ খুলেছেন তৃণমূল কাউন্সিলার অশোক সাহাও। তিনি বলেন, ক্লাবটিকে রীতিমতো কুক্ষিগত করে রেখেছিলেন ওই ডেকোরেটর এবং তার এক সঙ্গী। ক্লাবের পুজোর অর্থ নয়ছয় করতেন তাঁরা। কেউ প্রতিবাদ করলে মারধর করা হত। ক্লাব প্রাঙ্গণ দখল করে নিজেদের ব্যবসার সামগ্রী রাখতেন ওই ডেকোরেটর। স্থানীয় বাসিন্দাদের প্রতিবাদে সেসব সরাতে বাধ্য হন। এরপর পুরসভার রাস্তা দখল করে ব্যবসার সামগ্রী রাখতে শুরু করেন। একটি সরকারি মাঠে ওই ডেকোরেটর ও তাঁর কয়েকজন সঙ্গীর মদতে সকাল থেকেই মাদক সেবনের আসর বসত। স্থানীয় মানুষের অভিযোগ পেয়ে সেইসব বন্ধ করাতেই আমার বিরুদ্ধে ভিত্তিহীন অভিযোগ করা হচ্ছে।



