প্রয়াগরাজ, ১০ ফেব্রুয়ারি: পূর্ণকুম্ভ নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে উৎসাহের ঢল নেমেছে। গোটা দেশ থেকে কাতারে কাতারে মানুষ পুণ্যস্নানের আশায় প্রয়াগরাজে ভিড় করছেন। ফলশ্রুতিতে রাস্তাতেই যানজটের জেরে ব্যাপক ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে পুণ্যার্থীদের। প্রাথমিক ভাবে মনে করা হয়েছিল, বাসন্তী পঞ্চমীর তিথির পরে পুণ্যার্থীদের আগমনের ঢেউ শ্লথ হবে। কিন্তু, কার্যক্ষেত্রে দেখা গেল তেমনটা হয়নি। বরং দাবি করা হচ্ছে, এখনও প্রয়াগরাজ যাওয়ার পথে ২০০-৩০০ কিমি রাস্তা জুড়ে ট্রাফিক জ্যামে আটকে পড়ছে বহু গাড়ি।
Advertisement
শুধু যে উত্তরপ্রদেশে অবস্থা এমন তা কিন্তু নয়। পুণ্যার্থীদের ভিড়ের চাপ লেগেছে মধ্যপ্রদেশেও। প্রয়াগরাজ যাওয়ার ভিড় সামলাতে মধ্যপ্রদেশের একাধিক জেলায় ট্রাফিক বিভাগের পুলিসদের অবস্থা রীতিমতো কাহিল। দাবি করা হচ্ছে, কোথাও কোথাও ৩০০ কিমি দীর্ঘ গাড়ির জ্যাম হয়ে গিয়েছে। এক পুলিস কর্মী দাবি করেছেন, “২০০-৩০০ কিমি দীর্ঘ জ্যাম রয়েছে। তাই আজ প্রয়াগরাজে পৌঁছনো অসম্ভব।”
অবস্থা এমন যে, কাটনি-প্রয়াগরাজ রোডে আটকে থাকা পুণ্যার্থীদের সাহায্য করতে এগিয়ে আসছেন সংলগ্ন এলাকার গ্রামবাসীরাও। রাস্তার কোথাও জল সরবরাহ করা হচ্ছে। আবার কোথাও পুণ্যার্থীদের খিচুড়ি, ভোগ ইত্যাদি বিতরণ করা হচ্ছে। মহিলা, শিশু ও বৃদ্ধ-বৃদ্ধাকে নিয়ে জ্যামে আটকে রয়েছে বহু প্রাইভেট গাড়ি। আবার কোথাও যাত্রী বোঝাই বাসে আটকে পড়েছেন পুণ্যার্থীরা।
মধ্যপ্রদেশের রেওয়া শহরের আইজিপি সকেত প্রকাশ পাণ্ডে অবশ্য রবিবার দাবি করেছেন, সপ্তাহান্ত হওয়াতেই এই ভিড় বেড়েছে। আগামী কিছুদিনের মধ্যেই ভিড়ের চাপ হালকা হবে বলে প্রত্যাশা করেছেন তিনি।
পুণ্যার্থীরা অবশ্য প্রয়াগরাজে পৌঁছতে মরিয়া। কাটনি-প্রয়াগরাজ রোডে আটকে থাকা এক পুণ্যার্থীর দাবি, ‘১৪৪ বছর পর এই সুযোগ এসেছে। জীবনে আর এমন সুযোগ পাবে না। যতই ঝামেলা হোক না কেন, কুম্ভে আমরা যাবো।’
ইতিমধ্যেই মধ্যপ্রদেশ সরকারের তরফেও কোমর কষা হয়েছে। পুণ্যার্থীরা যাতে সহজে খাদ্য, জল, উপযুক্ত বাসস্থান, শৌচাগার এবং অন্যান্য নাগরিক সুযোগ-সুবিধা পায় সেদিকে আধিকারিকদের দৃষ্টি রাখতে বলা হয়েছে। তবে তাতে লক্ষ লক্ষ পুণ্যার্থী সামান্য সুবিধা পেলেও, বহু যাত্রীর ভোগান্তি রয়েছে অব্যাহত।
অবস্থা এমন যে, কাটনি-প্রয়াগরাজ রোডে আটকে থাকা পুণ্যার্থীদের সাহায্য করতে এগিয়ে আসছেন সংলগ্ন এলাকার গ্রামবাসীরাও। রাস্তার কোথাও জল সরবরাহ করা হচ্ছে। আবার কোথাও পুণ্যার্থীদের খিচুড়ি, ভোগ ইত্যাদি বিতরণ করা হচ্ছে। মহিলা, শিশু ও বৃদ্ধ-বৃদ্ধাকে নিয়ে জ্যামে আটকে রয়েছে বহু প্রাইভেট গাড়ি। আবার কোথাও যাত্রী বোঝাই বাসে আটকে পড়েছেন পুণ্যার্থীরা।
মধ্যপ্রদেশের রেওয়া শহরের আইজিপি সকেত প্রকাশ পাণ্ডে অবশ্য রবিবার দাবি করেছেন, সপ্তাহান্ত হওয়াতেই এই ভিড় বেড়েছে। আগামী কিছুদিনের মধ্যেই ভিড়ের চাপ হালকা হবে বলে প্রত্যাশা করেছেন তিনি।
পুণ্যার্থীরা অবশ্য প্রয়াগরাজে পৌঁছতে মরিয়া। কাটনি-প্রয়াগরাজ রোডে আটকে থাকা এক পুণ্যার্থীর দাবি, ‘১৪৪ বছর পর এই সুযোগ এসেছে। জীবনে আর এমন সুযোগ পাবে না। যতই ঝামেলা হোক না কেন, কুম্ভে আমরা যাবো।’
ইতিমধ্যেই মধ্যপ্রদেশ সরকারের তরফেও কোমর কষা হয়েছে। পুণ্যার্থীরা যাতে সহজে খাদ্য, জল, উপযুক্ত বাসস্থান, শৌচাগার এবং অন্যান্য নাগরিক সুযোগ-সুবিধা পায় সেদিকে আধিকারিকদের দৃষ্টি রাখতে বলা হয়েছে। তবে তাতে লক্ষ লক্ষ পুণ্যার্থী সামান্য সুবিধা পেলেও, বহু যাত্রীর ভোগান্তি রয়েছে অব্যাহত।



