সংবাদদাতা, সিউড়ি: মৌনী অমাবস্যা উপলক্ষ্যে প্রয়াগের কুম্ভে গিয়েছেন বীরভূমের হাজার হাজার মানুষ। মেলার সময়সীমা বৃদ্ধি পাওয়ায় বীরভূমের বিভিন্ন শহর ও গ্রামাঞ্চল থেকে প্রয়াগরাজ যাচ্ছেন প্রচুর মানুষ। কিন্তু ট্রেন টিকিট না পেলেও সরাসরি সড়ক পথে কুম্ভের দিকে ছুটছেন সাধারণ মানুষ। আর সেই সুযোগে বেসরকারি গাড়িচালকদের ব্যবসা তুঙ্গে। কিন্তু অভিযোগ, কুম্ভে যাওয়ার জন্য যেসব গাড়ির চালকরা যাওয়ার জন্য রাজি হচ্ছেন, তাঁদের একাংশ মর্জিমতো ভাড়া হাঁকাচ্ছেন। ফলে কিছুটা বিপাকে পড়তে হচ্ছে পুণ্যার্থীদের। কিন্তু তারপরও আগামী ১৪৪ বছর পর এই পূর্ণকুম্ভ অনুষ্ঠিত হওয়ার জন্য এবারের সুযোগ হাতছাড়া করতে চান না প্রায় কেউই। কিছুটা দেরিতে হলেও মহাকুম্ভে একবার পা রাখার জন্য ছুটে যাচ্ছেন জেলার অনেকে। বুধবার সংবাদ মাধ্যমে বহু মানুষ জানতে পারেন, সেখানে পদপিষ্ট হয়ে বহু মানুষের মর্মান্তিক মৃত্যু ঘটেছে। তারপর থেকে উদ্বিগ্ন আত্মীয়স্বজনরা তাঁদের পরিজনদের খোঁজ নিচ্ছেন। তবে শেষ খবর লেখা পর্যন্ত সেই দুর্ঘটনায় বীরভূমের কোনও বাসিন্দার কোনও ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি। সিউড়ি, দুবরাজপুর, সাঁইথিয়া, বক্রেশ্বর, মহম্মদবাজার, আহমদপুর সহ একাধিক জায়গা থেকে পুণ্যার্থীরা গিয়েছেন সেখানে। রবিবার থেকেই এই জেলার হাজার হাজার মানুষ সড়কপথে কুম্ভযাত্রা করেন। সিউড়ির বাসিন্দা অরিজিৎ দে প্রয়াগরাজ থেকে ফোনে বলেন, মৌনী অমাবস্যায় এখানে ভক্তদের তিল ধারণের জায়গা নেই। কোটি কোটি মানুষ এখানে পুণ্যস্নান করছেন। এই বিশেষ তিথির কারণেই সেখানে এতো পুণ্যলোভাতুর মানুষের ভিড়। তবে আমরা কোনও দুর্ঘটনার কবলে পড়িনি। আমরা নিরাপদে রয়েছি। বৃহস্পতিবার দিন আমরা সিউড়ির উদ্দেশ্যে রওনা দেব।
Advertisement
আহমদপুরের বাসিন্দা সঞ্জীব মজুমদার, দুবরাজপুরের বাসিন্দা সম্রাট দত্ত প্রয়াগরাজ থেকে বলেন, আমরা মৌনী অমাবস্যা উপলক্ষ্যে এখানে এসেছি। আমরা নিরাপদেই রয়েছি।



