নিজস্ব প্রতিনিধি, শিলিগুড়ি: পূর্ণকুম্ভে গিয়ে আর বাড়ি ফেরা হল না শিলিগুড়ির এক ব্যক্তির। প্রচণ্ড ভিড়ের চাপে শ্বাসকষ্টে ট্রেনেই মৃত্যু হল তাঁর। ১১ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা রমেশ জয়সওয়াল (৪৯) বিহারের পাটনায় মারা যান। শিলিগুড়ি শহরের বিধান মার্কেট এলাকার বাসিন্দা ছিলেন তিনি।
Advertisement
মৃতের পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, এক বন্ধুর সঙ্গে রমেশবাবু প্রয়াগরাজে গত সপ্তাহে পূর্ণকুম্ভে যান। স্নান সেরে ১০ ফেব্রুয়ারি রাজধানী এক্সপ্রেসে চেপে বাড়ি ফিরছিলেন। বিহারের পাটনা স্টেশনে ট্রেন পৌঁছতেই অসুস্থ বোধ করেন তিনি। সহযাত্রীরা তাঁকে বসার জায়গা করে দিলেও ট্রেনেই সিটেই লুটিয়ে পড়েন। রেল পুলিস পাটনা স্টেশন থেকে রমেশবাবুকে উদ্ধার করে স্থানীয় একটি হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত বলে জানান। পুলিস থেকেই পরিবারের লোকদের খবর দেওয়া হয়। মঙ্গলবার পরিবারের লোকেরা পাটনায় পৌঁছলে তাঁদেরকে দেহ হস্তান্তরিত করা হয়।
বুধবার শিলিগুড়িতে দেহ এসে পৌঁছয়। ঘটনার খবর পেয়ে ১১ নম্বর ওয়ার্ডের প্রাক্তন কাউন্সিলার তথা শিলিগুড়ি সাংগঠনিক জেলা বিজেপির সহ সভাপতি নান্টু পাল ওই ব্যক্তির বাড়ি পৌঁছন। পরিবারের সদস্যদের সমবেদনা জানান। তিনি বলেন, পূণ্যস্নান করতে কুম্ভে যেতে প্রতিদিন হাজার হাজার লোক ট্রেন সফরকে বেছে নিচ্ছে। সেখানে রেলের আরও বাড়তি সতর্ক হওয়া উচিত বলে মনে করি। দুই মেয়ে রয়েছে রমেশের। পরিবারটির পাশে আছি আমরা।
বুধবার শিলিগুড়িতে দেহ এসে পৌঁছয়। ঘটনার খবর পেয়ে ১১ নম্বর ওয়ার্ডের প্রাক্তন কাউন্সিলার তথা শিলিগুড়ি সাংগঠনিক জেলা বিজেপির সহ সভাপতি নান্টু পাল ওই ব্যক্তির বাড়ি পৌঁছন। পরিবারের সদস্যদের সমবেদনা জানান। তিনি বলেন, পূণ্যস্নান করতে কুম্ভে যেতে প্রতিদিন হাজার হাজার লোক ট্রেন সফরকে বেছে নিচ্ছে। সেখানে রেলের আরও বাড়তি সতর্ক হওয়া উচিত বলে মনে করি। দুই মেয়ে রয়েছে রমেশের। পরিবারটির পাশে আছি আমরা।



