লখনউ: প্রয়াগরাজের গঙ্গায় দূষণের ক্ষতিকর প্রভাব আর উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। বরং পূর্ণকুম্ভে স্নানের পর এক মহিলার ফুসফুসে সংক্রমণ সামনে আসার পরেই এ নিয়ে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। দীপশিখা ঘোষ নামে এক চিকিৎসক মঙ্গলবার এক্স হ্যান্ডলে জানিয়েছেন, ‘সম্প্রতি আমার কাছে ফুসফুসে সংক্রমণ নিয়ে একজন মহিলা এসেছিলেন। পূর্ণকুম্ভে স্নানের পরেই তিনি সংক্রামিত হন। নাসারন্ধ্র দিয়ে তাঁর ফুসফুসে প্রবেশ করে ক্ষতিকর জীবাণু। তিনি আর নিজে থেকে শ্বাস নিতে পারছেন না। তাঁকে ভেন্টিলেশনে রাখা হয়েছে।’ জানা গিয়েছে, কুম্ভস্নানের পর প্রবল জ্বর নিয়ে বাড়ি ফেরেন ওই মহিলা। তাঁর উভয় ফুসফুসেই সালমোনেল্লা ব্যাকটেরিয়ার ইনফেকশন ধরা পড়েছে। এরপরেই তরুণী চিকিৎসকের পরামর্শ, ‘ধর্ম অবশ্যই গুরুত্বপূর্ণ। তবে বিজ্ঞানকে অবহেলা করবেন না। সচেতন হোন। সতর্ক থাকুন।’
Advertisement
পূর্ণকুম্ভ মেলা এখন শেষ পর্যায়ে। শিবরাত্রিতে রয়েছে আরও এক অমৃত স্নানযোগ। যোগী সরকারের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, এখনও পর্যন্ত ৫৬ কোটি মানুষ পূর্ণকুম্ভে স্নান সেরেছেন। এই অবস্থায় কেন্দ্রীয় দূষণ নিয়ন্ত্রণ পর্ষদের (সিপিসিবি) রিপোর্ট নিয়ে জোর বিতর্ক শুরু হয়। রিপোর্টে জানানো হয়, কুম্ভমেলার জন্য গঙ্গার জলে কলিফর্মের মাত্রা বিপজ্জনক মাত্রায় বেড়ে গিয়েছে। এরপরই সিপিসিবি-র রিপোর্ট নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে জাতীয় পরিবেশ আদালত। কেন্দ্রীয় সরকারের অধীন সংস্থার রিপোর্টকে অবশ্য খারিজ করে দিয়েছেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ। তাঁর দাবি, এই জল পানেরও যোগ্য। এই অবস্থায় চিকিৎসক দীপশিখা ঘোষের এক্স হ্যান্ডলে মতামত দূষণ ও তার ক্ষতিকর প্রভাবকেই মান্যতা দিচ্ছে।



