সংবাদদাতা, সিউড়ি: সিউড়ির পুরন্দরপুরে বাইপাস রাস্তা নির্মাণের জন্য ফের রাজ্যের দ্বারস্থ হতে চলেছে বীরভূম জেলা পরিষদ। দু’বছর আগে সিউড়ি-বোলপুর ও সিউড়ি-লাভপুর যাওয়ার মধ্যস্থলে বিকল্প হিসেবে একটি বাইপাস রাস্তা নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। কিন্তু রাজ্যের কাছে আবেদন করেও কোনও সাড়া মেলেনি। সেই কারণেই ফের বীরভূম জেলা পরিষদের তরফে রাজ্যস্তরে আবেদন জানানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
Advertisement
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, এই পুরন্দরপুর মোড় থেকে একদিকে সিউড়ি, অন্যদিকে বোলপুর যাওয়া যায়। অপরদিকে, লাভপুর হয়ে কীর্ণাহার এবং সাঁইথিয়া যাওয়ার রাস্তা গিয়েছে। প্রতিদিন বহু গাড়ি বিভিন্ন দিক থেকে এই মোড় হয়েই যাতায়াত করে। পুরন্দরপুর থেকে সিউড়ি যাওয়ার রাস্তার দু’ধারের ফুটপাত অনেকখানি দখল হয়েছে। ফলে সংকীর্ণ হয়েছে এই রাস্তাটি। দিনের অধিকাংশ সময় এই রাস্তাটিতে ব্যাপক যানজটের কারণে দুর্ভোগে পড়তে হয় সাধারণ মানুষকে। সিউড়ি থেকে কম সময়ে বোলপুর হয়ে কলকাতা বা বর্ধমান যাতায়াতের জন্য এই রাস্তাটিকেই ব্যবহার করা হয়। সিউড়ির বিভিন্ন হাসপাতালের অ্যাম্বুলেন্সগুলিও কলকাতা বা বর্ধমান যাওয়ার ক্ষেত্রে এই রাস্তাটিকেই ব্যবহার করে। তাই যানজটের মধ্যে আটকে পড়ে অ্যাম্বুলেন্স চালকদেরও চরম দুর্ভোগে পড়তে হয়। তাই ইতিপূর্বে সিউড়ি থেকে পুরন্দরপুর প্রবেশের আগেই একটি বাইপাস রাস্তা করা হয়েছিল। সেই বাইপাস রাস্তাটি গিয়ে পুরন্দরপুর মোড়ের কাছে সাঁইথিয়া রোডে মিশছে। ফলে গাড়িগুলিকে পুরন্দরপুর মোড় হয়েই যাতায়াত করতে হচ্ছে। এই বাইপাস নির্মাণে খুব একটা সুরাহা হয়নি বলেই অভিযোগ বাসিন্দাদের। তাছাড়া এই মোড়েই রয়েছে পুরন্দরপুর উচ্চ বিদ্যালয়। স্কুলের পড়ুয়াদেরও যানজটের মধ্যে যাতায়াতের ক্ষেত্রে সমস্যায় পড়তে হয়। তাই আরও একটি বিকল্প বাইপাস রাস্তা নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল প্রায় ২ বছর আগে। এরজন্য রাজ্যের কাছে আবেদনও পাঠানো হয়েছিল। এতে বোলপুর, বর্ধমান ও কলকাতাগামী গাড়িকে আর পুরন্দরপুরের যানজটের মুখে পড়তে হবে না। পুরন্দরপুরও যানজট মুক্ত হবে। কিন্তু দু’বছর আগে করা আবেদনে রাজ্যের সাড়া না মেলায় ফের এই বাইপাস রাস্তা নির্মাণের দাবি জানিয়ে রাজ্যের কাছে আবেদন জানাতে চলছে বীরভূম জেলা পরিষদ।
জেলা পরিষদের পূর্ত কর্মাধ্যক্ষ নুরুল ইসলাম বলেন, আগে একবার রাজ্যের কাছে পুরন্দরপুরের বাইপাস রাস্তা নিয়ে আবেদন করা হয়েছিল। হয়তো কোনও কারণে সেটা হয়নি। কিন্তু আমরা আবার আবেদন করছি রাজ্যের কাছে। কারণ পুরন্দরপুরের যানজটের সমস্যা নিত্যদিন বেড়েই চলেছে। এই বাইপাস রাস্তা হলে অনেকখানি সুরাহা হবে সাধারণ মানুষের।
জেলা পরিষদের পূর্ত কর্মাধ্যক্ষ নুরুল ইসলাম বলেন, আগে একবার রাজ্যের কাছে পুরন্দরপুরের বাইপাস রাস্তা নিয়ে আবেদন করা হয়েছিল। হয়তো কোনও কারণে সেটা হয়নি। কিন্তু আমরা আবার আবেদন করছি রাজ্যের কাছে। কারণ পুরন্দরপুরের যানজটের সমস্যা নিত্যদিন বেড়েই চলেছে। এই বাইপাস রাস্তা হলে অনেকখানি সুরাহা হবে সাধারণ মানুষের।



