নিজস্ব প্রতিনিধি,ঝাড়গ্ৰাম: ঝাড়গ্ৰামে ‘ডানা’র প্রভাবে বহু জায়গায় জমির ধান নুইয়ে পড়েছে।জমি থেকে জল বার করে ধান বাঁচানোর চেষ্টা চালাচ্ছেনচাষিরা। কৃষিদপ্তরও ফসল বাঁচাতে উদ্যোগ নিয়েছে। দপ্তরের আধিকারিকরা ক্ষতিগ্রস্ত কৃষিজমি এলাকা পরিদর্শন করছেন। চাষিদের নুইয়ে পড়া ধান গাছে বাঁধন দেওয়ার প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। চাষবাসের পুরাতন পদ্ধতিকে কাজে লাগিয়েই ফসল বাঁচানোর চেষ্টা চলছে।
Advertisement
ঘূর্ণিঝড় ‘ডানা’র দাপটঝাড়গ্ৰামে বড়সড় প্রভাব না ফেললেও ফসলের ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। জেলাজুড়ে ৭০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে।বৃষ্টি ও ঝড়ো হাওয়ার জেরে বহু জায়গায় ধানগাছ জমিতে নুইয়ে পড়েছে।জমিতে জল জমার কারণে বিপদ আরও বেড়েছে । সেই জল বের করার সঙ্গে ধানের গাছ সোজা করে দাঁড় করার জন্য বাঁধন পদ্ধতি কাজে লাগানো হচ্ছে। জেলার কৃষিদপ্তর ফসল বাঁচাতে চাষের পুরনো পদ্ধতিকে কাজে লাগানর উদ্যোগ নিয়েছে। শিস ভর্তি ধান গাছের মাথার অংশ একবার নুইয়ে পড়লে গাছ আর সোজা হয়না। তবে, কয়েকটি ধান গাছকে গোছ করে বেঁধে দিলে ধানগাছ সোজা থাকে। এটাই সাবেক পদ্ধতি। মাঠে গিয়ে হাতেকলমে তা দেখাচ্ছেন কৃষিকর্তারা। চাষিরা উৎসাহের সঙ্গে গ্ৰহণ করছেন।
ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে জেলার আটটি ব্লকে ফসলের ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। বিঘার পর জমির সীমানা লাগোয়া ধানগাছ সবচেয়ে বেশি নুইয়ে পড়েছে।ঝাড়গ্ৰাম থেকে জমবনির চিল্কিগড় যাবার রাস্তার দু’পাশে বেশিরভাগ ধান জমির ফসল নুইয়ে পড়েছে।জামবনি,নয়াগ্ৰাম, গোপীবল্লভপুর ও বিনপুর এলাকায় ক্ষয়ক্ষতির ছবি একইরকম।জেলার কৃষি উপ অধিকর্তা অজয় শর্মা বলেন,ডানার প্রভাবে ফসলের ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।ঝড়ের দাপট না থাকলেও ঝড়ো হাওয়া ও বৃষ্টির জেরে বহু জায়গায় ধান গাছ নুই য়ে পড়েছে।বাঁধন পদ্ধতিতে ধান গাছগুলো দাঁড় করানো হচ্ছে।আধিকারিকরা গ্ৰাম ভিত্তিক মাঠ পরিদর্শন করছেন । ক্ষয়ক্ষতি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। কৃষিদপ্তরের এক আধিকারিক বলেন,জেলায় ১ লক্ষ ৫২ হাজার হেক্টর জমিতে এবার আমন ধান লাগানো হয়েছে।দুর্গাপুজোর আগে টানা বৃষ্টিতে ৬০০ হেক্টর জমির ফসল নষ্ট হয়েছে।ফসলের ক্ষয়ক্ষতি রিপোর্ট দুই একদিনের মধ্যে চলে আসবে। এখনও যারা শস্য বিমার আওতায় আসেননি, তাঁদের নাম অন্তর্ভুক্ত করা হচ্ছে। বিনপুর-১ ব্লকের শিলদা এলাকার চাষি স্বপন ভুঁইয়া বলেন, এই এলাকার বহু জায়গায় জমির মাঝে মাঝে ধান গাছ নুইয়ে পড়েছে। তার উপর জমিতে জল জমে।বেশিরভাগ ধান পচে নষ্ট হয়ে যাবে। আগে নুইয়ে পড়া ধানবাঁধন পদ্ধতিতে বাঁচানোর চল ছিল। আবারনতুন করে এই পদ্ধতির প্রয়োগ শুরু হয়েছে।কৃষি দপ্তরের আধিকারিকরাও সহযোগিতা করছেন।
ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে জেলার আটটি ব্লকে ফসলের ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। বিঘার পর জমির সীমানা লাগোয়া ধানগাছ সবচেয়ে বেশি নুইয়ে পড়েছে।ঝাড়গ্ৰাম থেকে জমবনির চিল্কিগড় যাবার রাস্তার দু’পাশে বেশিরভাগ ধান জমির ফসল নুইয়ে পড়েছে।জামবনি,নয়াগ্ৰাম, গোপীবল্লভপুর ও বিনপুর এলাকায় ক্ষয়ক্ষতির ছবি একইরকম।জেলার কৃষি উপ অধিকর্তা অজয় শর্মা বলেন,ডানার প্রভাবে ফসলের ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।ঝড়ের দাপট না থাকলেও ঝড়ো হাওয়া ও বৃষ্টির জেরে বহু জায়গায় ধান গাছ নুই য়ে পড়েছে।বাঁধন পদ্ধতিতে ধান গাছগুলো দাঁড় করানো হচ্ছে।আধিকারিকরা গ্ৰাম ভিত্তিক মাঠ পরিদর্শন করছেন । ক্ষয়ক্ষতি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। কৃষিদপ্তরের এক আধিকারিক বলেন,জেলায় ১ লক্ষ ৫২ হাজার হেক্টর জমিতে এবার আমন ধান লাগানো হয়েছে।দুর্গাপুজোর আগে টানা বৃষ্টিতে ৬০০ হেক্টর জমির ফসল নষ্ট হয়েছে।ফসলের ক্ষয়ক্ষতি রিপোর্ট দুই একদিনের মধ্যে চলে আসবে। এখনও যারা শস্য বিমার আওতায় আসেননি, তাঁদের নাম অন্তর্ভুক্ত করা হচ্ছে। বিনপুর-১ ব্লকের শিলদা এলাকার চাষি স্বপন ভুঁইয়া বলেন, এই এলাকার বহু জায়গায় জমির মাঝে মাঝে ধান গাছ নুইয়ে পড়েছে। তার উপর জমিতে জল জমে।বেশিরভাগ ধান পচে নষ্ট হয়ে যাবে। আগে নুইয়ে পড়া ধানবাঁধন পদ্ধতিতে বাঁচানোর চল ছিল। আবারনতুন করে এই পদ্ধতির প্রয়োগ শুরু হয়েছে।কৃষি দপ্তরের আধিকারিকরাও সহযোগিতা করছেন।



