নিজস্ব প্রতিনিধি, আসানসোল: পুরনো কল্যাণেশ্বরী মন্দিরে দুঃসাহসিক চুরি হল। মন্দিরের তালা ভেঙে ঢোকে দুষ্কৃতীরা। প্রণামী বাক্স ভেঙে টাকা লুট করে। শনিবার সকালে মন্দির খুলতেই তা নজরে আসে। কুলটি থানার চৌরঙ্গি ফাঁড়ি থেকে ঢিলছোড়া দূরত্বে ১৯ নম্বর জাতীয় সড়কের পাশে এই প্রাচীন মন্দিরে দুষ্কৃতী তাণ্ডব ঘিরে এলাকায় ক্ষোভ ছড়িয়েছে। ঘটনা জানাজানি হতেই পুলিস তদন্তে আসে।
Advertisement
মন্দিরের প্রধান সেবাইত দিলীপ দেওঘরিয়া বলেন, দানপাত্র বহু বছর খোলা হয়নি। লক্ষাধিক টাকা জমা হয়েছিল। এদিন চোরেরা তা লুট করে নিয়ে গিয়েছে। শুধু কয়েনগুলি ফেলে দিয়ে গিয়েছে। কিছুদিন আগে কল্যাণেশ্বরী মন্দিরের দানপাত্র লুটেরও চেষ্টা হয়েছিল। পুলিসের বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।
পুরনো কল্যাণেশ্বরী মন্দিরে প্রতি শনিবার নরনারায়ণ সেবা হয়। কয়েক হাজার মানুষ প্রসাদ খান বলে মন্দির কর্তৃপক্ষের দাবি। আসানসোল পুরসভার ১৬ নম্বর ওয়ার্ডের সবনপুরে ১৯ নম্বর জাতীয় সড়কের পাশেই এই মন্দিরটি রয়েছে। এলাকাবাসীর কাছে জাগ্রত এই মন্দির। সেখানেই এই লুটপাটের ঘটনা এলাকার নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ বাড়াচ্ছে। বাসিন্দাদের দাবি, এলাকা ঘিরে কয়েক বছর ধরেই অরাজকতা শুরু হয়েছে। মন্দিরের অদূরে সবনপুর মৌজায় দিনেদুপুরে খাদ করে কয়লা লুট করা হয়েছে। সেই কয়লা মন্দিরের অদূরে বিভিন্ন ফ্যাক্টরিতে প্রকাশ্যে গেলেও পুলিস কোনও ব্যবস্থা নেয়নি। মুখ্যমন্ত্রীর ধমকের পর সেই কারবার নিয়ন্ত্রণে আসে। এলাকাতেই রয়েছে চৌরঙ্গি পুলিস ফাঁড়ি। তা সত্ত্বেও এই ঘটনা কী করে ঘটছে তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। এসিপি জাভেদ হোসেন বলেন, বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
পুরনো কল্যাণেশ্বরী মন্দিরে প্রতি শনিবার নরনারায়ণ সেবা হয়। কয়েক হাজার মানুষ প্রসাদ খান বলে মন্দির কর্তৃপক্ষের দাবি। আসানসোল পুরসভার ১৬ নম্বর ওয়ার্ডের সবনপুরে ১৯ নম্বর জাতীয় সড়কের পাশেই এই মন্দিরটি রয়েছে। এলাকাবাসীর কাছে জাগ্রত এই মন্দির। সেখানেই এই লুটপাটের ঘটনা এলাকার নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ বাড়াচ্ছে। বাসিন্দাদের দাবি, এলাকা ঘিরে কয়েক বছর ধরেই অরাজকতা শুরু হয়েছে। মন্দিরের অদূরে সবনপুর মৌজায় দিনেদুপুরে খাদ করে কয়লা লুট করা হয়েছে। সেই কয়লা মন্দিরের অদূরে বিভিন্ন ফ্যাক্টরিতে প্রকাশ্যে গেলেও পুলিস কোনও ব্যবস্থা নেয়নি। মুখ্যমন্ত্রীর ধমকের পর সেই কারবার নিয়ন্ত্রণে আসে। এলাকাতেই রয়েছে চৌরঙ্গি পুলিস ফাঁড়ি। তা সত্ত্বেও এই ঘটনা কী করে ঘটছে তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। এসিপি জাভেদ হোসেন বলেন, বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।



