নিজস্ব প্রতিনিধি, বর্ধমান: প্রেমের টানে ১৬ বছরের কিশোরী কালনা থেকে ঝাড়খণ্ডের ধানবাদে পাড়ি দিয়েছিল। এক যুবক ঝাড়খণ্ড থেকে কয়েক মাস আগে কালনায় খেতমজুরের কাজ করতে আসে। সেখানেই ওই কিশোরীর সঙ্গে তার পরিচয় হয়। সম্পর্ক গড়ায় প্রেম পর্যন্ত। এরপরই সে প্রেমিকের সঙ্গে ধানবাদে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। কাউকে কিছু না জানিয়েই সে ধানবাদে প্রেমিকের সঙ্গে ঘর বেঁধেছিল। কিন্তু শেষরক্ষা হল না। পুলিস ও চাইল্ড লাইন তাকে ধানবাদ থেকে উদ্ধার করে হোমে পাঠায়। সেখানেই তার দিনরাত কাটছে।
Advertisement
পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, জেলার মধ্যে কালনা মহকুমাতেই নাবালিকাদের ঘর ছাড়ার প্রবণতা বেশি। তারপর কাটোয়া, আউশগ্রাম, মঙ্গলকোট এবং কেতুগ্রামের মতো এলাকাগুলি রয়েছে। নাবালিকদের বিয়ে বন্ধ করতে প্রশাসন একাধিক পদক্ষেপ নিয়েছে। কন্যাশ্রী ক্লাবগুলিকেও শক্তিশালী করা হয়েছে। তারপরও বিয়েতে রাশ টানা যায়নি। পূর্ব বর্ধমান জেলা পরিষদের শিক্ষা কর্মাধ্যক্ষ শান্তনু কোনার বলেন, বিভিন্ন স্কুলে আমরা কর্মশালা করার পরিকল্পনা করেছি। অল্প বয়সে বিয়ে করলে কী পরিণাম হতে পারে তা তাদেরকে বুঝিয়ে বলা হবে। কন্যাশ্রী ক্লাবগুলি জেলায় খুব ভালোভাবে কাজ করছে। তাদেরকে আরও বেশি সক্রিয় করা হবে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই অল্পবয়সি মেয়েরা যুবকদের সঙ্গে কয়েকদিনের পরিচয়েই ঘর ছাড়ছে। তারা বিপদে পড়ছে। অনেক নাবালিকাকে ভুল বুঝিয়ে ভিনরাজ্যে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। তাদের উদ্ধার করতে অনেক সময় বেগ পেতে হচ্ছে বলে পুলিসের দাবি। সম্প্রতি রাজস্থান, মুম্বই ও দিল্লি থেকে বেশ কয়েকজনকে উদ্ধার করেছে।



