সংবাদদাতা, কুমারগ্রাম: সোশ্যাল মিডিয়ায় পরিচয়। সেই সুবাদে প্রেম। প্রেমের টানে অচেনা এক যুবকের সঙ্গে বাড়ি ছেড়েছিল ১৭ বছরের এক কিশোরী। প্রেমিকের হাত ধরে সে পাড়ি দিয়েছিল ভিনরাজ্যে। শুরু করেছিল সংসার। কিন্তু, শেষ রক্ষা হল। ওই কিশোরীকে ভিনরাজ্য থেকে উদ্ধার করে নিয়ে এল কুমারগ্রাম থানার কামাখ্যাগুড়ি ফাঁড়ির পুলিস। আলিপুরদুয়ার জেলা চাইল্ড ওয়েলফেয়ার কমিটির নির্দেশে আপাতত ওই নাবালিকার ঠাঁই হয়েছে কোচবিহারের একটি হোমে।
Advertisement
২৭ জানুয়ারি কামাখ্যাগুড়ির ফাঁড়ির অন্তর্গত এক গ্রামের ওই কিশোরীটি নিখোঁজ হয়ে যায়। বাড়ির লোকজন সম্ভাব্য নানা স্থানে খোঁজখবর শুরু করেন। কিন্তু তার খোঁজ মিলছিল না। কিশোরীর মা ১ ফেব্রুয়ারি কামাখ্যাগুড়ি পুলিস ফাঁড়িতে নিখোঁজ ডায়েরি করেন। এরপর পুলিস তদন্ত শুরু করে। মোবাইল ফোনের সূত্র ধরে পুলিস জানতে পারে, কিশোরী মধ্যপ্রদেশের গোয়ালিয়রে রয়েছে। ১৫ ফেব্রুয়ারি কামাখ্যাগুড়ি ফাঁড়ির সাব-ইন্সপেক্টর নির্মল বর্মনের নেতৃত্বে পুলিসের একটি দল গোয়ালিয়র রওনা হয়। কিন্তু, সেখানে পৌঁছেও কিশোরীটিকে খুঁজে পাওয়া যায়নি। এরপর পুলিস জানতে পারে, সে হরিয়ানার গুরুগ্রামে রয়েছে। গোয়ালিয়র থেকে পুলিসের দলটি সোজা গুরুগ্রামে চলে যায়। ২১ ফেব্রুয়ারি কিশোরীকে উদ্ধার করে পুলিস। রবিবার রাতে তাকে কামাখ্যাগুড়ি নিয়ে আসা হয়। রাতে কামাখ্যাগুড়ির তপোবন হোমে রাখা হয়েছিল। সোমবার নাবালিকাকে চাইল্ড ওয়েলফেয়ার কমিটির কাছে হাজির করানো হয়। চাইল্ড ওয়েলফেয়ার কমিটির নির্দেশে এদিন তাকে কোচবিহারের একটি হোমে পাঠানো হয়েছে।
সামাজিক মাধ্যমে যেই যুবকের সঙ্গে কিশোরীর প্রেম হয়। সে মালদার বাসিন্দা। ওই যুবক তাকে ভিনরাজ্যে নিয়ে চলে যায়। সেখানে তারা সংসারও শুরু করেছিল। তবে কামাখ্যাগুড়ি ফাঁড়ির পুলিসের দল হরিয়ানাতে গিয়ে ওই যুবককে পায়নি। ভিনরাজ্য থেকে কিশোরীকে উদ্ধার করে আনাকে পুলিসের বড় ধরনের সাফল্য হিসেবেই দেখছে সাধারণ মানুষ।
কামাখ্যাগুড়ি ফাঁড়ির ওসি প্রদীপ মণ্ডল বলেন, নিখোঁজ ডায়েরি পেয়েই আমরা যথেষ্ট তৎপরতার সঙ্গে তদন্ত শুরু করি। জানতে পারি কিশোরী ভিনরাজ্যে রয়েছে। পুলিসের একটি দল হরিয়ানার গুরুগ্রাম থেকে তাকে উদ্ধার করে আনে।
সামাজিক মাধ্যমে যেই যুবকের সঙ্গে কিশোরীর প্রেম হয়। সে মালদার বাসিন্দা। ওই যুবক তাকে ভিনরাজ্যে নিয়ে চলে যায়। সেখানে তারা সংসারও শুরু করেছিল। তবে কামাখ্যাগুড়ি ফাঁড়ির পুলিসের দল হরিয়ানাতে গিয়ে ওই যুবককে পায়নি। ভিনরাজ্য থেকে কিশোরীকে উদ্ধার করে আনাকে পুলিসের বড় ধরনের সাফল্য হিসেবেই দেখছে সাধারণ মানুষ।
কামাখ্যাগুড়ি ফাঁড়ির ওসি প্রদীপ মণ্ডল বলেন, নিখোঁজ ডায়েরি পেয়েই আমরা যথেষ্ট তৎপরতার সঙ্গে তদন্ত শুরু করি। জানতে পারি কিশোরী ভিনরাজ্যে রয়েছে। পুলিসের একটি দল হরিয়ানার গুরুগ্রাম থেকে তাকে উদ্ধার করে আনে।



