সংবাদদাতা, রায়গঞ্জ: প্রেমের সম্পর্ক পরিণতি না পাওয়ায় প্রেমিকার চাদর দিয়ে গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মঘাতী হল এক কিশোর। মৃতের বাড়ি রায়গঞ্জের পশ্চিম মহাদেবপুর এলাকায়। পুলিস ও মৃতের পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, ইটাহারের কুলাইতোর এলাকার এক কিশোরীর সঙ্গে সপ্তাহ দুয়েক আগে এক বিয়ে বাড়িতে আলাপ হয় ওই কিশোরের। এরপর তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক তৈরি হয়।
Advertisement
কিশোরী এক সপ্তাহ আগে ওই কিশোরের প্রতিবেশীর বাড়িতে গিয়েছিল। সেখান থেকে দু’জন বিয়ে করার জন্য পালিয়ে রায়গঞ্জের এক আত্মীয়ের বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছিল। এরপর ওই কিশোর তার প্রেমিকাকে নিয়ে বাড়িতে ফেরে। কিন্তু তাদের বিয়ের বয়স না হওয়ায় কিশোরের বাড়িতে গিয়ে বুঝিয়ে মেয়েকে বাড়িতে ফিরিয়ে নিয়ে যায় পরিবারের লোকজন। রবিবার তাঁরা ছেলের বাড়িতে এসে বিয়ে সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে আলোচনা করবেন বলে জানিয়েছিলেন।
মেয়ের পরিবার এই আশ্বাস দেওয়ার পর রবিবার কেউ আসেননি কিশোরের বাড়িতে। তারপরেই বাড়িতে গলায় ফাঁস লাগানো অবস্থায় কিশোরের দেহ উদ্ধার হয়। তার মামা নিত্য দেবশর্মা বলেন, দু’পক্ষ আলোচনা করে পরবর্তী পদক্ষেপ নেবে বলে ঠিক হয়েছিল। পরিবারের লোক বাড়ি নিয়ে যাওয়ার সময় কিশোরী মোবাইল ফোন ও চাদর ফেলে যায়। মোবাইলটি রবিবার সকালে কিশোরীর পরিবারের লোক ফেরত নিয়ে যেতেই ছেলের মনে সন্দেহ হয়। বিকেলে মেয়েটির চাদর দিয়ে গলায় ফাঁস লাগিয়ে বাড়িতেই আত্মহত্যা করে ভাগ্নে। রায়গঞ্জ থানার পুলিস মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রায়গঞ্জ মেডিক্যালে পাঠিয়েছে। অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা করে তদন্ত শুরু হয়েছে।
মেয়ের পরিবার এই আশ্বাস দেওয়ার পর রবিবার কেউ আসেননি কিশোরের বাড়িতে। তারপরেই বাড়িতে গলায় ফাঁস লাগানো অবস্থায় কিশোরের দেহ উদ্ধার হয়। তার মামা নিত্য দেবশর্মা বলেন, দু’পক্ষ আলোচনা করে পরবর্তী পদক্ষেপ নেবে বলে ঠিক হয়েছিল। পরিবারের লোক বাড়ি নিয়ে যাওয়ার সময় কিশোরী মোবাইল ফোন ও চাদর ফেলে যায়। মোবাইলটি রবিবার সকালে কিশোরীর পরিবারের লোক ফেরত নিয়ে যেতেই ছেলের মনে সন্দেহ হয়। বিকেলে মেয়েটির চাদর দিয়ে গলায় ফাঁস লাগিয়ে বাড়িতেই আত্মহত্যা করে ভাগ্নে। রায়গঞ্জ থানার পুলিস মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রায়গঞ্জ মেডিক্যালে পাঠিয়েছে। অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা করে তদন্ত শুরু হয়েছে।



