সংবাদদাতা, পুরুলিয়া: পুরুলিয়া জেলায় এবার ধান কেনার লক্ষ্যমাত্রা বাড়ানোর পাশাপাশি সিপিসির সংখ্যাও বাড়াল খাদ্যদপ্তর। গত বছরের তুলনায় এবার সিপিসি এবং ভ্রাম্যমাণ সিপিসির সংখ্যা বাড়ানো হয়েছে। যদিও এখনও পর্যন্ত জেলায় নামমাত্র ধান কেনা হয়েছে।
Advertisement
পুরুলিয়া জেলার খাদ্য নিয়ামক জওহর আলম বলেন, পুরুলিয়া জেলায় গতবার ধান কেনার লক্ষ্যমাত্র ছিল ২ লক্ষ ৪৭ হাজার ৯৯০ মেট্রিক টন। এবার সেই লক্ষ্যমাত্রা আরও বাড়ানো হয়েছে। চলতি বছরে ধান কেনার লক্ষ্যমাত্রা ২ লক্ষ ৭০ হাজার মেট্রিক টন। গতবার ধান্য ক্রয় কেন্দ্র বা সিপিসির সংখ্যা ছিল ২২টি এবং ভ্রাম্যমাণ সিপিসির সংখ্যা ছিল মাত্র তিনটি। এবার ২৫টি স্থায়ী সিপিসি এবং পাঁচটি ভ্রাম্যমাণ সিপিসি থেকে ধান কেনা যাবে। এছাড়াও বিভিন্ন সোসাইটি, স্বনির্ভর গোষ্ঠী, ল্যাম্পস মিলিয়ে আরও প্রায় ১০০টি জায়গা থেকে ধান কেনা হবে।
জেলা খাদ্যদপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, কুইন্টাল প্রতি ২৩০০ টাকার পাশাপাশি সিপিসি এবং ভ্রাম্যমাণ সিপিসিতে ধান বিক্রি করলে চাষিদের আরও ২০টাকা করে কুইন্টাল প্রতি উৎসাহ ভাতা দেওয়া হবে। জেলার পুরুলিয়া-১ ও ২, বরাবাজার, হুড়া এবং পুঞ্চা ব্লকে ভ্রাম্যমাণ সিপিসি বা ভ্রাম্যমাণ ধান ক্রয় কেন্দ্রের ব্যবস্থা করা হয়েছে। পুরুলিয়া জেলায় চলতি বছর এখনও পর্যন্ত ১৫০০মেট্রিক টন ধান কেনা হয়েছে।
মূল লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় এখনও পর্যন্ত এত কম পরিমাণ ধান কেনার বিষয়ে জেলার খাদ্য নিয়ামক বলেন, এখনও পর্যন্ত বহু জায়গাতেই ধান কাটা সম্পন্ন হয়নি। জমিতে ধান রয়ে গিয়েছে। ধান কাটার কাজ পুরোদমে শুরু হয়েছে। পুরো মাত্রায় ধান ক্রয় শুরু হতে আরও খানিকটা সময় লাগবে বলে মনে হচ্ছে।
জেলা খাদ্য নিয়ামক আরও বলেন, শুকানোর পর পরিষ্কার করে ধান ক্রয় কেন্দ্রে নিয়ে আসার জন্য অনুরোধ জানাচ্ছি। এভাবে ধান নিয়ে আসা হলে চাষিদের বিক্রি করতে কোনও সমস্যাই হবে না। তাছাড়া ধান বিক্রির মাত্র তিন দিনের মধ্যেই অধিকাংশ ক্ষেত্রে টাকা পেয়ে যান চাষিরা। টাকা পেতেও কোনও সমস্যা হয় না। লক্ষ্যমাত্রা পেরিয়ে গেলেও খাদ্যদপ্তর থেকে ধান কেনা হবে। কাউকে বিক্রি করতে এসে যাতে ধান ফিরিয়ে নিয়ে যেতে না হয়, এ বিষয়ে নজর থাকবে।জেলা খাদ্যদপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, কুইন্টাল প্রতি ২৩০০ টাকার পাশাপাশি সিপিসি এবং ভ্রাম্যমাণ সিপিসিতে ধান বিক্রি করলে চাষিদের আরও ২০টাকা করে কুইন্টাল প্রতি উৎসাহ ভাতা দেওয়া হবে। জেলার পুরুলিয়া-১ ও ২, বরাবাজার, হুড়া এবং পুঞ্চা ব্লকে ভ্রাম্যমাণ সিপিসি বা ভ্রাম্যমাণ ধান ক্রয় কেন্দ্রের ব্যবস্থা করা হয়েছে। পুরুলিয়া জেলায় চলতি বছর এখনও পর্যন্ত ১৫০০মেট্রিক টন ধান কেনা হয়েছে।
মূল লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় এখনও পর্যন্ত এত কম পরিমাণ ধান কেনার বিষয়ে জেলার খাদ্য নিয়ামক বলেন, এখনও পর্যন্ত বহু জায়গাতেই ধান কাটা সম্পন্ন হয়নি। জমিতে ধান রয়ে গিয়েছে। ধান কাটার কাজ পুরোদমে শুরু হয়েছে। পুরো মাত্রায় ধান ক্রয় শুরু হতে আরও খানিকটা সময় লাগবে বলে মনে হচ্ছে।



