সংবাদদাতা, রঘুনাথপুর: ‘বর্তমান’-এ খবর প্রকাশের পরই পুরুলিয়া জেলার সাঁওতালি মাধ্যমের একাদশ শ্রেণির পড়ুয়ারা পেল বই। আপাতত সাঁওতালি ও ইংরেজি দু’টি বিষয়ের বই পড়ুয়ারা হাতে পেয়েছে। বাকি বিষয়ের বইগুলিও শীঘ্রই আসবে বলে প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে। সাঁতুড়ি ব্লক অবর বিদ্যালয় পরিদর্শক সুরজিৎ রায় বলেন, বিদ্যালয়গুলিকে আপাতত সাঁওতালি ও ইংরেজি দু’টি ভাষার বই তুলে দেওয়া হয়েছে। আশা করা হচ্ছে, বাকি বইগুলি খুব তাড়াতাড়ি চলে আসবে।
Advertisement
জেলার সাঁওতালি মাধ্যমের উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়গুলিতে পাঠ্যপুস্তক না আসায় পড়ুয়ারা সমস্যায় পড়ছিল। অভিযোগ ছিল, বিনা পাঠ্যপুস্তকে সেপ্টেম্বর মাসে ছাত্র-ছাত্রীরা প্রথম সেমেস্টারের পরীক্ষা দিয়েছে। সেই পরীক্ষার পর দ্বিতীয় সেমেস্টারের পঠনপাঠন শুরু হয়েছে। আর কয়েক মাস পরেই দ্বিতীয় সেমেস্টারের পরীক্ষা। ছাত্র-ছাত্রীরা একাদশ থেকে দ্বাদশ শ্রেণিতে উঠবে। কিন্তু, কোনও পাঠ্যপুস্তক না পাওয়ার ফলে বিদ্যালয়ে কর্তৃপক্ষ থেকে শুরু করে ছাত্রছাত্রীরা বিপাকে পড়ে।
জেলা শিক্ষাদপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, বর্তমানে পুরুলিয়া জেলায় পাঁচটি সাঁওতালি মাধ্যমের উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয় রয়েছে। যার মধ্যে তিনটি সাঁতুড়ি এবং দু’টি কাশীপুর ব্লকে রয়েছে। ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা প্রায় ৬০ জন। তারমধ্যে শুধুমাত্র ল-হাট স্কুলের ছাত্রছাত্রীরা সাঁওতালি ও ইংরেজি বিষয়ের বই পেয়েছিল। বাকি বিদ্যালয়গুলি কোনও বই পাইনি। ‘বর্তমান’-এ সেই খবর প্রকাশিত হয়। তারপরই বাকি স্কুলের পড়ুয়ারা দু’টি করে বই পেল।
জেলা প্রশাসন সূত্র থেকে জানা গিয়েছে, বর্তমানে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে রাজ্য সরকারের তরফে বিদ্যালয়গুলিকে পাঠ্যপুস্তক দেওয়া হয়। এবছর থেকে নতুন পাঠ্যক্রম শুরু হয়েছে। সেমেস্টার পদ্ধতিতে পরীক্ষা শুরু হয়েছে। তাই সিলেবাসের বদল হয়েছে। নতুন করে বই ছাপানো না হওয়ায় অসুবিধা দেখা দিয়েছে।
জেলা শিক্ষাদপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, বর্তমানে পুরুলিয়া জেলায় পাঁচটি সাঁওতালি মাধ্যমের উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয় রয়েছে। যার মধ্যে তিনটি সাঁতুড়ি এবং দু’টি কাশীপুর ব্লকে রয়েছে। ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা প্রায় ৬০ জন। তারমধ্যে শুধুমাত্র ল-হাট স্কুলের ছাত্রছাত্রীরা সাঁওতালি ও ইংরেজি বিষয়ের বই পেয়েছিল। বাকি বিদ্যালয়গুলি কোনও বই পাইনি। ‘বর্তমান’-এ সেই খবর প্রকাশিত হয়। তারপরই বাকি স্কুলের পড়ুয়ারা দু’টি করে বই পেল।
জেলা প্রশাসন সূত্র থেকে জানা গিয়েছে, বর্তমানে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে রাজ্য সরকারের তরফে বিদ্যালয়গুলিকে পাঠ্যপুস্তক দেওয়া হয়। এবছর থেকে নতুন পাঠ্যক্রম শুরু হয়েছে। সেমেস্টার পদ্ধতিতে পরীক্ষা শুরু হয়েছে। তাই সিলেবাসের বদল হয়েছে। নতুন করে বই ছাপানো না হওয়ায় অসুবিধা দেখা দিয়েছে।



