নিজস্ব প্রতিনিধি, পুরুলিয়া: পুরুলিয়া শহরকে যানজটমুক্ত করতে হবে। বিজেপির এই দাবি দীর্ঘদিনের। এনিয়ে আন্দোলন থেকে শুরু করে পুরসভায় দিস্তা দিস্তা ডেপুটেশনও জমা দিয়েছেন বিজেপির নেতারা। সম্প্রতি শহরকে যানজটমুক্ত করতে সচেষ্ট হয় পুরসভা। শহরজুড়ে অবৈধ টোটোর বিরুদ্ধে অভিযান শুরু হয়েছে। তাতেও আবার প্রবল আপত্তি তুলেছেন বিজেপি নেতারা! বিজেপির এই দ্বিচারিতায় ক্ষুব্ধ শহরবাসী।
Advertisement
পুরুলিয়া শহরের অন্যান্য সমস্যাগুলির মধ্যে যানজট অন্যতম। দিনের অধিকাংশ সময়ই যানজটের জেরে নাজেহাল হতে হয় শহরবাসীকে। শহরের ফুটপাত দখল হয়ে গিয়েছে। রাস্তার উপরেই গাড়ি পার্কিং হচ্ছে। যার জন্য শহরের রাস্তাগুলি কার্যত সরু গলিতে পরিণত হয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে আবার শহরে লাগামছাড়া বাড়ছে টোটোর সংখ্যা। বছরের পর বছর ধরে টোটোর সংখ্যা বাড়তেই থাকছে। যা পুরলিয়ার মতো একটা ছোট শহরের যানজট সমস্যার অন্যতম কারণ হয়ে উঠেছে। পুরসভা সূত্রের খবর, পুরুলিয়া পুরসভায় অনুমোদিত টোটো রয়েছে ১১৭০টি। কিন্তু, বর্তমানে শহরে দৈনিক সাড়ে চার থেকে পাঁচ হাজার টোটো চলে। ফলে সকাল থেকে রাত পর্যন্ত যানজটের কবলে পড়তে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে। শহরের যানজট সমস্যা নিয়ে বারংবার বিজেপি সহ বিরোধীদের তোপের মুখে পড়তে হয়েছে পুরসভাকে। তাই শহরকে যানজট মুক্ত করতে ও অবৈধ টোটো ঠেকাতে প্রথমে বৈধ টোটো চিহ্নিতকরণের কাজ শুরু করেছে পুরুলিয়া পুরসভা। যে সমস্ত চালকের টোটোর রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেট, ইন্সুরেন্স, শহরে বাসিন্দা হিসেবে প্রমাণপত্র রয়েছে, তাঁদের নথি সংগ্রহ করছে পুরসভা। সেই সমস্ত টোটোকে রাস্তায় চলার অনুমোদনপত্র দেওয়া হবে। বাকি সমস্ত অবৈধ টোটো যাতে রাস্তায় না নামতে পারে, তার বিরুদ্ধে অভিযান চালাবে পুলিস, প্রশাসন ও পুরসভার কর্মীরা। পুরসভার এই সিদ্ধান্তে শহরের সিংহভাগ মানুষই খুশি।
যদিও পুরসভার এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আবার দ্বিমত পোষণ করতে শুরু করেছেন বিজেপি নেতানেত্রীরা। তাঁদের দাবি, টোটো চালকদের পেটে লাথি মারা যাবে না। পুরসভার ১৪ নম্বরের বিজেপি কাউন্সিলার কণিকা মজুমদার আবার ফেসবুকে লিখেছেন, ‘শহরের যুবকদের কাজ নেই। বেকারের সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে। তাই তারা টোটো চালাচ্ছে। টোটো চালকদের পেটে লাথি না মেরে, নতুন টোটো বিক্রি বন্ধ করতে হবে।’ পাল্টা সুর চড়িয়েছেন পুরসভার চেয়ারম্যান। তিনি বলেন, ‘বিরোধীদের কাজই সবকিছুর বিরোধিতা করা। শহরে যানজট সমস্যা নিয়ে বিজেপি নেতারা আন্দোলন করছেন, আবার শহরকে যানজট মুক্ত করতে পদক্ষেপ করলেও আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দেওয়া হচ্ছে! এটা দ্বিচারিতা ছাড়া কী?’ চেয়ারম্যানের সংযোজন, ‘রাস্তায় টোটো চালাতে গেলে পুরসভা সহ আরটিও বিভাগের ছাড়পত্র নিতে হয়। কিন্তু, কেউ যদি বেআইনিভাবে টোটো চালায় তাহলে অভিযান হবেই। আমি পুরসভার বাসিন্দাদের কাছে দায়বদ্ধ, কোনও বিজেপি নেতানেত্রীর কাছে নয়।’
যদিও পুরসভার এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আবার দ্বিমত পোষণ করতে শুরু করেছেন বিজেপি নেতানেত্রীরা। তাঁদের দাবি, টোটো চালকদের পেটে লাথি মারা যাবে না। পুরসভার ১৪ নম্বরের বিজেপি কাউন্সিলার কণিকা মজুমদার আবার ফেসবুকে লিখেছেন, ‘শহরের যুবকদের কাজ নেই। বেকারের সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে। তাই তারা টোটো চালাচ্ছে। টোটো চালকদের পেটে লাথি না মেরে, নতুন টোটো বিক্রি বন্ধ করতে হবে।’ পাল্টা সুর চড়িয়েছেন পুরসভার চেয়ারম্যান। তিনি বলেন, ‘বিরোধীদের কাজই সবকিছুর বিরোধিতা করা। শহরে যানজট সমস্যা নিয়ে বিজেপি নেতারা আন্দোলন করছেন, আবার শহরকে যানজট মুক্ত করতে পদক্ষেপ করলেও আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দেওয়া হচ্ছে! এটা দ্বিচারিতা ছাড়া কী?’ চেয়ারম্যানের সংযোজন, ‘রাস্তায় টোটো চালাতে গেলে পুরসভা সহ আরটিও বিভাগের ছাড়পত্র নিতে হয়। কিন্তু, কেউ যদি বেআইনিভাবে টোটো চালায় তাহলে অভিযান হবেই। আমি পুরসভার বাসিন্দাদের কাছে দায়বদ্ধ, কোনও বিজেপি নেতানেত্রীর কাছে নয়।’



