নিজস্ব প্রতিনিধি, পুরুলিয়া: খুদে পড়ুয়াদের নিয়ে পুকুরে উল্টে গেল টোটো। বৃহস্পতিবার বিকেলে পুরুলিয়া শহরের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের ওই ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়ায়। তবে বাঁধের পাড়ে জল কম থাকায় বড়সড় দুর্ঘটনার হাত থেকে রেহাই পায় পড়ুয়ারা।
Advertisement
স্থানীয় ও পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, এদিন বিকেল সাড়ে ৪টে নাগাদ দুর্ঘটনাটি ঘটে। টোটোতে স্থানীয় স্কুলের পাঁচ পড়ুয়া ছিল। স্কুল থেকে টোটোয় চেপে তারা বাড়ি ফিরছিল। সেই সময়ই কোনওভাবে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পুকুরে উল্টে যায় টোটোটি। ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়ায়। চোখের সামনে দুর্ঘটনা ঘটতে দেখে জলে ঝাঁপ মারেন পিন্টু মাহাত নামে স্থানীয় এক বাসিন্দা। পড়ুয়াদের জল থেকে উদ্ধার করতে থাকেন। তাঁকে দেখে বাকি বাসিন্দারাও এগিয়ে আসেন। তবে, কমবেশি চোট লাগে প্রত্যেকেরই। চতুর্থ শ্রেণির এক পড়ুয়ার অবস্থা কিছুটা গুরুতর হওয়ায় তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। ওই পড়ুয়াকে দেখতে তড়িঘড়ি হাসপাতালে পৌঁছন পুরুলিয়া পুরসভার চেয়ারম্যান নব্যেন্দু মাহালি, ৫ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলার বিভাসরঞ্জন দাস, পুরুলিয়া পুরসভার আইসি প্রমুখ। তাঁরা ঘটনাস্থলও পরিদর্শন করেন।
বিভাসরঞ্জনবাবু বলেন, পুকুরের পাড় বরাবর গার্ডরেলের প্রয়োজন রয়েছে। আমি পুরসভার চেয়ারম্যানকে সেই আবেদন করেছি। এই ধরনের ঘটনা যে ভবিষ্যতে ঘটবে না, তা নিশ্চিতভাবে বলা যায় না। পুরসভার চেয়ারম্যান বলেন, বিষয়টি নিয়ে ভাবনাচিন্তা করব। পাশাপাশি দুর্ঘটনাগ্রস্ত ওই টোটোর নথিপত্র থেকে শুরু করে চালকের ড্রাইভিং লাইসেন্স আছে কি না, তা দেখার জন্য পুলিসকে বলেছি।
বিভাসরঞ্জনবাবু বলেন, পুকুরের পাড় বরাবর গার্ডরেলের প্রয়োজন রয়েছে। আমি পুরসভার চেয়ারম্যানকে সেই আবেদন করেছি। এই ধরনের ঘটনা যে ভবিষ্যতে ঘটবে না, তা নিশ্চিতভাবে বলা যায় না। পুরসভার চেয়ারম্যান বলেন, বিষয়টি নিয়ে ভাবনাচিন্তা করব। পাশাপাশি দুর্ঘটনাগ্রস্ত ওই টোটোর নথিপত্র থেকে শুরু করে চালকের ড্রাইভিং লাইসেন্স আছে কি না, তা দেখার জন্য পুলিসকে বলেছি।



