সংবাদদাতা, পুরুলিয়া: শৌচালয় থেকে আসা নোংরা জলে ধোওয়া হচ্ছে রোগীদের ব্যবহৃত বেডশিট! কোনরকম পরিশোধন ছাড়ায় ওই জল ব্যবহার করা হচ্ছে বলে অভিযোগ। রোগীদের স্বাস্থ্যের কথা চিন্তা না করেই বেশ কিছুদিন ধরে এভাবেই পুরুলিয়া দেবেন মাহাতো মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে কাপড় ধোওয়ার কাজ চলছে বলে অভিযোগ। ইতিমধ্যে বিষয়টি নিয়ে কলেজের অনেকেই সোশ্যাল মিডিয়ায় সরব হয়েছেন। বিষয়টি নিয়ে হইচই শুরু হতেই ওই ঠিকাদার সংস্থাকে শোকজ করেছে মেডিক্যাল কলেজ কর্তৃপক্ষ। যদিও ঠিকাদার সংস্থার দাবি, কলেজ কর্তৃপক্ষ যে জলের ব্যবস্থা করেছেন সেই জলেই তারা ধোওয়ার কাজ করেন।
Advertisement
মেডিক্যাল কলেজ সূত্রে জানা গিয়েছে, কলেজের হাতুয়াড়া ক্যাম্পাসে একটি মেকানাইজড লন্ড্রি ইউনিট রয়েছে। রোগীদের বেডশিট থেকে অন্যান্য কাপড়, ওটিতে ব্যবহৃত কাপড় সেখানে ধোওয়া হয়। কলেজর ক্যাম্পাসে ব্যবহৃত বিভিন্ন জায়গার জল এসে এক জায়গায় জমা হয়। সেই জল ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্টের মাধ্যমে পরিশোধন করেই কাপড় ধোওয়ার কাজে ব্যবহার করা হয়। যদিও প্রায় দু’মাসের বেশি সময় ধরে পরিশোধন হওয়ার পরিবর্তে কার্যত সরাসরি নোংরা জলই মেকানাইজ লন্ড্রি ইউনিটে আসে। সেই নোংরা জলেই কাপড় ধোওয়ার কাজ চালিয়ে আসছেন ঠিকাদার সংস্থার কর্মীরা।
এবিষয়ে ওই ঠিকাদার সংস্থার কর্মী চম্পা রজক বলেন, কলেজ কর্তৃপক্ষ যে জল সরবরাহ করে, সেই জলেই ধোওয়ার কাজ করি। এতে আমাদের কিছু করনীয় নেই। জলে নোংরা থাকে। পরিষ্কার জল পাইনি কোনও দিনই। কিছুই তো ফিল্টার হয় না বলে মনে হয়। রোগীরাই এই কাপড় ব্যবহার করে। তবে কোনওদিন অভিযোগ শুনিনি। পরেশ বন্দ্যোপাধ্যায় নামে আর এক কর্মী বলেন, এখানে জলের সমস্যা রয়েছে। আগে যে জল ব্যবহার করা হতো এত খারাপ ছিল না। গত দু’মাসের বেশি সময় ধরে ওই জায়গা থেকে জল না আসায় এই জল ব্যবহার করা হয়। যারা ওয়াটার সাপ্লাইয়ের দায়িত্বে আছেন বিষয়টি তাঁরা ভালো বলতে পারবেন।
এবিষয়ে মেডিক্যাল কলেজের এমএসভিপি সুকোমল বিষয়ী বলেন, ওই সংস্থাকে শোকজ করা হয়েছে। পরিশোধিত জলই ওদের ব্যবহার করার কথা। এক্ষেত্রে কী সমস্যা হয়েছিল তা খতিয়ে দেখা হবে। তিনি আরও বলেন, তিন মাস হল এই সংস্থা কাজের দায়িত্ব পেয়েছে। সরকারি সমস্ত নিয়ম ও গাইডলাইন যাতে ঠিকমতো মেনে চলে তা দেখা হবে। সেই সঙ্গে ওই কাপড়ই যাতে দড়ি টাঙিয়ে সঠিকভাবে শুকনোর ব্যবস্থা করে তাও ঠিকাদার সংস্থাকে বলা হয়েছে।
এবিষয়ে ওই ঠিকাদার সংস্থার কর্মী চম্পা রজক বলেন, কলেজ কর্তৃপক্ষ যে জল সরবরাহ করে, সেই জলেই ধোওয়ার কাজ করি। এতে আমাদের কিছু করনীয় নেই। জলে নোংরা থাকে। পরিষ্কার জল পাইনি কোনও দিনই। কিছুই তো ফিল্টার হয় না বলে মনে হয়। রোগীরাই এই কাপড় ব্যবহার করে। তবে কোনওদিন অভিযোগ শুনিনি। পরেশ বন্দ্যোপাধ্যায় নামে আর এক কর্মী বলেন, এখানে জলের সমস্যা রয়েছে। আগে যে জল ব্যবহার করা হতো এত খারাপ ছিল না। গত দু’মাসের বেশি সময় ধরে ওই জায়গা থেকে জল না আসায় এই জল ব্যবহার করা হয়। যারা ওয়াটার সাপ্লাইয়ের দায়িত্বে আছেন বিষয়টি তাঁরা ভালো বলতে পারবেন।
এবিষয়ে মেডিক্যাল কলেজের এমএসভিপি সুকোমল বিষয়ী বলেন, ওই সংস্থাকে শোকজ করা হয়েছে। পরিশোধিত জলই ওদের ব্যবহার করার কথা। এক্ষেত্রে কী সমস্যা হয়েছিল তা খতিয়ে দেখা হবে। তিনি আরও বলেন, তিন মাস হল এই সংস্থা কাজের দায়িত্ব পেয়েছে। সরকারি সমস্ত নিয়ম ও গাইডলাইন যাতে ঠিকমতো মেনে চলে তা দেখা হবে। সেই সঙ্গে ওই কাপড়ই যাতে দড়ি টাঙিয়ে সঠিকভাবে শুকনোর ব্যবস্থা করে তাও ঠিকাদার সংস্থাকে বলা হয়েছে।



