নিজস্ব প্রতিনিধি, তমলুক: সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত ক্যাপ্টেনকে অর্ধেক দামে এক কেজি সোনা বিক্রির টোপ দিয়ে পাঁচ লক্ষ টাকা প্রতারণা করা হয়েছিল। খেজুরি থানার অন্তর্গত হেঁড়িয়ার ওই ক্যাপ্টেন ও তাঁর স্ত্রী পাঁচ লক্ষ টাকা খুইয়ে কোনওরকমে প্রাণ নিয়ে পালিয়েছিলেন। গত ১৫জানুয়ারি ওই ঘটনা ঘটেছিল। সেই ঘটনার তদন্তে নেমে দু’টি মোটর সাইকেলের রেজিস্ট্রেশন নম্বর ধরে প্রতারণার মূল চক্রী বাজকুলে নারায়ণ মাইতির বাড়িতে হানা দিল পুলিস। মঙ্গলবার রাতে হেঁড়িয়া ফাঁড়ি ইন-চার্জ ইন্দুভূষণ মিশ্র এবং ভূপতিনগর থানার পুলিস নারায়ণের বাড়িতে হানা দেয়। সেসময় অভিযুক্ত বাড়িতে ছিল না। তাকে না পেয়ে ফিরে যায় পুলিস। অভিযুক্ত নারায়ণ এর আগেও লোক ঠকিয়ে শ্রীঘরে গিয়েছে। বাজকুলে তার তিনতলা ঝাঁ চকচকে বাড়ি। ওই ঘটনায় আরও বেশ কয়েকজন জড়িত। প্রত্যেকের খোঁজে তল্লাশি শুরু করেছে পুলিস।
Advertisement
বাজকুল সংলগ্ন নারায়ণদাঁড়ি গ্রাম আসলে প্রতারণা কারবারের জন্য কুখ্যাত। কম দামে সোনা বিক্রি, অল্প সময়ে টাকা ডবল করা এবং অ্যান্টিক ভ্যালু থাকা জিনিসপত্র বিক্রির টোপ দিয়ে এখানকার একাধিক পরিবার মানুষ ঠকায়। একশো বছরের বেশি সময় ধরে এই গ্রামের বেশকিছু পরিবারের এটাই মূল জীবিকা। শুধু এরাজ্য নয়, ওড়িশা, ঝাড়খণ্ড, অন্ধ্রপ্রদেশ সহ বহু রাজ্যের মানুষকে লোভ দেখিয়ে বাজকুল, হেঁড়িয়া, চণ্ডীপুরে এনে লক্ষ লক্ষ টাকা প্রতারণা করা হয়। এমনকী, ভিআইপি পরিবারের লোকজনও এদের খপ্পড়ে পড়ে ঠকেছেন।
জানা গিয়েছে, সেনাবাহিনীর প্রাক্তন ক্যাপ্টেন হরিয়ানার বাসিন্দা বাচ্চু সিং বর্তমানে ওড়িশার গঞ্জাম জেলায় থাকেন। সেখানে তাঁর একটি প্রশাধনী জিনিসের দোকান আছে। ২০২৪ সালে ২৬ নভেম্বর তিনি একটি অনলাইন বিপণি সংস্থায় নিজের দোকানের বিজ্ঞাপন দিয়েছিলেন। সেখানে ফোন নম্বর দেওয়া ছিল। এরপরই ওই ক্যাপ্টেন একটি ফোন কল পান। দীপক মহাপাত্র পরিচয় দিয়ে একজন কমদামে সোনা বিক্রির টোপ দিয়েছিল। তাতে আগ্রহ প্রকাশ করে বাচ্চু সিং। এরপর অনলাইনে সোনার ছবি পাঠিয়ে তাঁর আগ্রহ আরও কয়েকগুণ বাড়ানো হয়। এরপর ২৭ ডিসেম্বর বাচ্চুবাবু হেঁড়িয়ায় আসেন। সেখানে তাঁকে নমুনা হিসেবে কিছু সোনার গুঁড়ো দেওয়া হয়। ওড়িশায় ফিরে গিয়ে সেগুলি পরীক্ষা করেন বাচ্চুবাবু জানতে পারেন, একেবারে আসল সোনা।
এরপরই বাজকুলের ওই প্রতারণা চক্র তাঁকে অর্ধেক দামে এক কেজি সোনা বিক্রির অফার দেয়। ১৫ জানুয়ারি সস্ত্রীক ওই ক্যাপ্টেন বাজকুলে আসেন। তাঁর সঙ্গে পাঁচ লক্ষ টাকা ছিল। তিনি বাজকুলে পৌঁছনোর পর ওই চক্রের লোকজন তাঁদের অলিগলি দিয়ে নারায়ণদাঁড়ি গ্রামে নিয়ে যায়। সেখানে একটি সিলকরা খামে নকল সোনা ভরে দিয়ে টাকা চাওয়া হয়। বাচ্চু সিং সেটি টেস্ট করতে চাইলে তাঁকে হুমকি-ধমকি দিয়ে পাঁচ লক্ষ টাকা নিয়ে নেওয়া হয়। এরপর বেরিয়ে আসার সময় রাস্তায় অজ্ঞাতপরিচয় আটজন লোক ওই দম্পতিকে ঘিরে ফেলে। থানায় জানালে ফল ভয়ঙ্কর হবে বলে শাসানি দেয়। প্রাণ হাতে নিয়ে কোনওরকমে তাঁরা সেখান থেকে বেরিয়ে ওড়িশায় ফিরে যান। এরপর গত ২৭ জানুয়ারি খেজুরি থানায় বাচ্চুবাবু এফআইআর করেন। তাতে দু’টি মোটরসাইকেলের রেজিস্ট্রেশন উল্লেখ করেন। সেই নম্বরের সূত্র ধরেই ওই ঘটনায় নারায়ণের যোগ পায় পুলিস।
জানা গিয়েছে, সেনাবাহিনীর প্রাক্তন ক্যাপ্টেন হরিয়ানার বাসিন্দা বাচ্চু সিং বর্তমানে ওড়িশার গঞ্জাম জেলায় থাকেন। সেখানে তাঁর একটি প্রশাধনী জিনিসের দোকান আছে। ২০২৪ সালে ২৬ নভেম্বর তিনি একটি অনলাইন বিপণি সংস্থায় নিজের দোকানের বিজ্ঞাপন দিয়েছিলেন। সেখানে ফোন নম্বর দেওয়া ছিল। এরপরই ওই ক্যাপ্টেন একটি ফোন কল পান। দীপক মহাপাত্র পরিচয় দিয়ে একজন কমদামে সোনা বিক্রির টোপ দিয়েছিল। তাতে আগ্রহ প্রকাশ করে বাচ্চু সিং। এরপর অনলাইনে সোনার ছবি পাঠিয়ে তাঁর আগ্রহ আরও কয়েকগুণ বাড়ানো হয়। এরপর ২৭ ডিসেম্বর বাচ্চুবাবু হেঁড়িয়ায় আসেন। সেখানে তাঁকে নমুনা হিসেবে কিছু সোনার গুঁড়ো দেওয়া হয়। ওড়িশায় ফিরে গিয়ে সেগুলি পরীক্ষা করেন বাচ্চুবাবু জানতে পারেন, একেবারে আসল সোনা।
এরপরই বাজকুলের ওই প্রতারণা চক্র তাঁকে অর্ধেক দামে এক কেজি সোনা বিক্রির অফার দেয়। ১৫ জানুয়ারি সস্ত্রীক ওই ক্যাপ্টেন বাজকুলে আসেন। তাঁর সঙ্গে পাঁচ লক্ষ টাকা ছিল। তিনি বাজকুলে পৌঁছনোর পর ওই চক্রের লোকজন তাঁদের অলিগলি দিয়ে নারায়ণদাঁড়ি গ্রামে নিয়ে যায়। সেখানে একটি সিলকরা খামে নকল সোনা ভরে দিয়ে টাকা চাওয়া হয়। বাচ্চু সিং সেটি টেস্ট করতে চাইলে তাঁকে হুমকি-ধমকি দিয়ে পাঁচ লক্ষ টাকা নিয়ে নেওয়া হয়। এরপর বেরিয়ে আসার সময় রাস্তায় অজ্ঞাতপরিচয় আটজন লোক ওই দম্পতিকে ঘিরে ফেলে। থানায় জানালে ফল ভয়ঙ্কর হবে বলে শাসানি দেয়। প্রাণ হাতে নিয়ে কোনওরকমে তাঁরা সেখান থেকে বেরিয়ে ওড়িশায় ফিরে যান। এরপর গত ২৭ জানুয়ারি খেজুরি থানায় বাচ্চুবাবু এফআইআর করেন। তাতে দু’টি মোটরসাইকেলের রেজিস্ট্রেশন উল্লেখ করেন। সেই নম্বরের সূত্র ধরেই ওই ঘটনায় নারায়ণের যোগ পায় পুলিস।



