সংবাদদাতা, ময়নাগুড়ি: ভূগর্ভস্থ জল তোলার অনুমতি নেই। ব্যবসার জন্য দরকারি কাগজপত্রও নেই। সব জায়গায় জল পরিশোধনেরও ব্যবস্থা নেই। মেশিন দিয়ে জল তুলেই জারে ভরে দেদার বিক্রি। এভাবেই ময়নাগুড়িতে চলছে পানীয় জলের বেআইনি কারবার। ব্যাঙের ছাতার মতো গজিয়ে ওঠা এই প্লান্টের জল খেয়ে রোগভোগের আশঙ্কা থাকছে। তাই সাধারণ মানুষ প্রশাসনের নজরদারি চেয়েছেন। এতদিন এই নিয়ে প্রশাসন কোনও অভিযান করেনি কেন, সেই প্রশ্ন তুলছেন সাধারণ মানুষ।
Advertisement
জল ব্যবসায়ীদের থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, ময়নাগুড়ি ব্লকজুড়ে প্রায় শতাধিক এরকম প্লান্ট রয়েছে। যার বেশিরভাগেরই ব্যবসা করার কাগজপত্র নেই। রবিবার ময়নাগুড়ি সুভাষনগর এলাকায় দেখা দেখা গেল অদ্ভুত চিত্র। হাতে নেই গ্লাভস, নেই অ্যাপ্রোন, এক টোটোচালক মেশিন দিয়ে জল তুলে নিজেই জারবন্দি করছেন। ফিল্টার করার কোনও বালাই নেই। তিনিই হাত দিয়ে জারের মুখ আটকে দিচ্ছেন। এরপর টোটোয় চাপিয়ে গন্তব্যে রওনা হলেন। ময়নাগুড়ির মাধবডাঙার অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে চলছে একই ব্যবসা। যদিও ব্যবসায়ীদের দাবি, এই জল তুলে তাঁরা ফিল্টার করছেন। তবে তাঁদের যে অনুমতি নেই, সেটাও স্বীকার করেছেন অনেকে। ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, ময়নাগুড়িতে শুধু জারেই নয়, বোতলেও জল বিক্রি হচ্ছে।
সুভাষনগর ১৩ নম্বর ওয়ার্ডের ব্যবসায়ী বৈদ্যনাথ দে বলেন, আইন মোতাবেক এই কাজ করলে ব্যবসা বন্ধ করে দিতে হবে। কারণ, অনুমতি নিতে প্রচুর অর্থের প্রয়োজন। ব্যবসা করে লাভের মুখ দেখতে হবে। সে কারণেই কাগজ ছাড়াই কাজ করছি। ময়নাগুড়িতে শতাধিকের মত ব্যবসায়ী রয়েছে। আমর মতো অধিকাংশই অনুমতি ছাড়া ব্যবসা করছেন।
ময়নাগুড়ির মাধবডাঙার ব্যবসায়ী রণদীপ সেন বলেন, আমার ট্রেড লাইসেন্স রয়েছে। কিন্তু, অন্য কাগজ নেই। তবে কাগজ তৈরির চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। সবাই যেভাবে জল তুলছে, আমি সেভাবে তুলছি না। জল ফিল্টার করার মেশিন রয়েছে। তবে এদিন রণদীপ সেন কোনও ট্রেড লাইসেন্স দেখাতে পারেননি।
অপরদিকে হাসপাতাল পাড়ার এক ব্যবসায়ী রজত সূত্রধর বলেন, আমিও অনুমতি পত্রের জন্য আবেদন করেছি। আপাতত অনুমতি নেই। তবে ট্রেড লাইসেন্স রয়েছে। বিভিন্ন ব্যবসায়ী জানিয়েছেন, ময়নাগুড়িতে জলের ব্যবসার কোনও ইউনিয়ন নেই। ময়নাগুড়ি ব্যবসায়ী সমিতির সম্পাদক সুমিত সাহা বলেন, পানীয় জলের ব্যবসায়ীদের সঙ্গে আমাদের সমিতির কোনও ব্যাপার নেই। আমরা চাইছি, প্রশাসন সঠিকভাবে নজরদারি চালাক। ময়নাগুড়ির বিডিও প্রসেনজিৎ কুণ্ডু বলেন, জল নিয়ে কোনও ছেলেখেলা বরদাস্ত করা হবে না। ময়নাগুড়ি পুরসভা এবং আমরা যৌথ অভিযানে নামতে চলেছি। পুরসভার ভাইস চেয়ারম্যান মনোজ রায় বলেন, জল ব্যবসায়ীদের পুরসভার থেকে কোনও ট্রেড লাইসেন্স দেওয়া হয়নি। জলের ব্যবসার ক্ষেত্রে আমরা নজরদারি চালাতে চলেছি।
সুভাষনগর ১৩ নম্বর ওয়ার্ডের ব্যবসায়ী বৈদ্যনাথ দে বলেন, আইন মোতাবেক এই কাজ করলে ব্যবসা বন্ধ করে দিতে হবে। কারণ, অনুমতি নিতে প্রচুর অর্থের প্রয়োজন। ব্যবসা করে লাভের মুখ দেখতে হবে। সে কারণেই কাগজ ছাড়াই কাজ করছি। ময়নাগুড়িতে শতাধিকের মত ব্যবসায়ী রয়েছে। আমর মতো অধিকাংশই অনুমতি ছাড়া ব্যবসা করছেন।
ময়নাগুড়ির মাধবডাঙার ব্যবসায়ী রণদীপ সেন বলেন, আমার ট্রেড লাইসেন্স রয়েছে। কিন্তু, অন্য কাগজ নেই। তবে কাগজ তৈরির চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। সবাই যেভাবে জল তুলছে, আমি সেভাবে তুলছি না। জল ফিল্টার করার মেশিন রয়েছে। তবে এদিন রণদীপ সেন কোনও ট্রেড লাইসেন্স দেখাতে পারেননি।
অপরদিকে হাসপাতাল পাড়ার এক ব্যবসায়ী রজত সূত্রধর বলেন, আমিও অনুমতি পত্রের জন্য আবেদন করেছি। আপাতত অনুমতি নেই। তবে ট্রেড লাইসেন্স রয়েছে। বিভিন্ন ব্যবসায়ী জানিয়েছেন, ময়নাগুড়িতে জলের ব্যবসার কোনও ইউনিয়ন নেই। ময়নাগুড়ি ব্যবসায়ী সমিতির সম্পাদক সুমিত সাহা বলেন, পানীয় জলের ব্যবসায়ীদের সঙ্গে আমাদের সমিতির কোনও ব্যাপার নেই। আমরা চাইছি, প্রশাসন সঠিকভাবে নজরদারি চালাক। ময়নাগুড়ির বিডিও প্রসেনজিৎ কুণ্ডু বলেন, জল নিয়ে কোনও ছেলেখেলা বরদাস্ত করা হবে না। ময়নাগুড়ি পুরসভা এবং আমরা যৌথ অভিযানে নামতে চলেছি। পুরসভার ভাইস চেয়ারম্যান মনোজ রায় বলেন, জল ব্যবসায়ীদের পুরসভার থেকে কোনও ট্রেড লাইসেন্স দেওয়া হয়নি। জলের ব্যবসার ক্ষেত্রে আমরা নজরদারি চালাতে চলেছি।



