সংবাদদাতা, ফালাকাটা: বৃহস্পতিবার ছিল মাধ্যমিকের ভৌতবিজ্ঞান পরীক্ষা। এদিন পরীক্ষা চলাকালীন এক পরীক্ষার্থীর পকেট থেকে স্মার্ট ফোন উদ্ধার হয়। এ ঘটনায় শোরগোল পড়ে যায় ফালাকাটা শহরে। ফালাকাটা হাইস্কুলের ২৯৬ জন পরীক্ষার্থীর পরীক্ষা কেন্দ্র পড়েছে যাদবপল্লি উচ্চ বিদ্যালয়ে। তিন পরীক্ষার্থী অনুপস্থিত থাকায় ২৯৩ জন পরীক্ষা দিচ্ছে।
Advertisement
এদিন পরীক্ষা শুরুর আগে ঘটে বিপত্তি। অভিযোগ, ছাত্রদের একাংশ পরীক্ষা শুরু আগেই ক্লাসরুমে থাকা সিসি ক্যামেরার তার কেটে দেয়। দুমড়েমুচড়ে দেয় সিলিং ফ্যান। তবে সঠিক সময়েই পরীক্ষা শুরু হয়। নিয়ম মেনে চলে নজরদারি। পরীক্ষা শুরু প্রায় এক ঘণ্টা পরে এক ছাত্রের প্যান্টের পকেট থেকে উদ্ধার হয় ফোন। বাকি পরীক্ষার্থীদের কথা ভেবে দ্রুত সেই ছাত্রকে অন্য ক্লাস রুমে নিয়ে যান শিক্ষকরা। তার কাছ থেকে ফোনটিও বাজেয়াপ্ত করা হয়। তার পরীক্ষাও খাতাও নিয়ে নেওয়া হয়।
যাদবপল্লি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক স্বপ্ন মণ্ডল বলেন, ২৯৬ জন ছাত্রের পরীক্ষার জন্য ১১টি ক্লাস রুম ব্যবহার করা হচ্ছে। এদিন পরীক্ষা শুরুর আগে ৭ নম্বর রুমের ক্যামেরার তার ছিঁড়ে দেয় কয়েকজন। অফিস রুমের মনিটরে এটা দেখে আমরা ওই রুমে যেতে যেতেই দেখি রুমের সব ফ্যান দুমড়েমুচড়ে ফেলেছে ছেলেরা। যদিও নির্দিষ্ট সময়েই পরীক্ষা শুরু হয়েছে। ক্যামেরার তার কেটে দেওয়ায় বাড়তি নজরদারি ছিল ওই রুমে। পরীক্ষা শুরুর ঘণ্টা খানেক পর শেষ বেঞ্চের এক ছাত্রের কাছ থেকে স্মার্ট ফোন উদ্ধার হয়। পরে বিষয়টি এসআই’কে জানানো হয়।
এ বিষয়ে ফালাকাটা অবর বিদ্যালয় পরিদর্শক রাজা ভৌমিক বলেন, বোর্ডের নির্দেশ অনুসারে ওই পরীক্ষার্থীর খাতা ও ফোন বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। তা বোর্ডের কাছে পাঠানো হবে। পরীক্ষা বাতিল হবে কি না সেব্যাপারে সিদ্ধান্ত পর্ষদই নেবে।
যাদবপল্লি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক স্বপ্ন মণ্ডল বলেন, ২৯৬ জন ছাত্রের পরীক্ষার জন্য ১১টি ক্লাস রুম ব্যবহার করা হচ্ছে। এদিন পরীক্ষা শুরুর আগে ৭ নম্বর রুমের ক্যামেরার তার ছিঁড়ে দেয় কয়েকজন। অফিস রুমের মনিটরে এটা দেখে আমরা ওই রুমে যেতে যেতেই দেখি রুমের সব ফ্যান দুমড়েমুচড়ে ফেলেছে ছেলেরা। যদিও নির্দিষ্ট সময়েই পরীক্ষা শুরু হয়েছে। ক্যামেরার তার কেটে দেওয়ায় বাড়তি নজরদারি ছিল ওই রুমে। পরীক্ষা শুরুর ঘণ্টা খানেক পর শেষ বেঞ্চের এক ছাত্রের কাছ থেকে স্মার্ট ফোন উদ্ধার হয়। পরে বিষয়টি এসআই’কে জানানো হয়।
এ বিষয়ে ফালাকাটা অবর বিদ্যালয় পরিদর্শক রাজা ভৌমিক বলেন, বোর্ডের নির্দেশ অনুসারে ওই পরীক্ষার্থীর খাতা ও ফোন বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। তা বোর্ডের কাছে পাঠানো হবে। পরীক্ষা বাতিল হবে কি না সেব্যাপারে সিদ্ধান্ত পর্ষদই নেবে।



