সংবাদদাতা, ডোমকল: দু’মাসের সন্তানকে এক পলক দেখে পরীক্ষা কেন্দ্রে ঢুক গেল নাবালিকা মা। পরীক্ষা যখন শুরু হল, বাইরে তখন সেই খুদে ঘুম দিয়েছে দিদার কোলে। সোমবার প্রথম দিনের মাধ্যমিক পরীক্ষায় রানিনগরের একটি পরীক্ষাকেন্দ্রে ধরা পড়ল এমনই ছবি। বিভিন্ন সামাজিক মাধ্যমে ওই খবর জানাজানি হতেই প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে নাবালিকা মাকে নিয়ে! প্রশ্ন উঠছে, এত প্রচার সত্ত্বেও কেন রাশ টানা যাচ্ছে না নাবালিকা বিয়ের ক্ষেত্রে? তাহলে কি ফ্লেক্স-ব্যানারেই আটকে থেকে যাচ্ছে নাবালিকা বিয়ে আটকানোর সচেতনতা প্রচার?
Advertisement
রানিনগরের একটি গ্রামে বাড়ি নাবালিকার। টানাটানির সংসারে বছর দেড়েক আগে বিয়ে হয়েছে তার। মাস দুয়েক আগেই ফুটফুটে সন্তানের জন্ম দিয়েছে সে। তা সত্ত্বেও পড়াশোনা ছাড়তে চায়নি ওই নাবালিকা। সংসার সামলেও চালিয়ে গিয়েছে পড়াশোনা। স্বামী কিছুটা আপত্তি করেছিল। কিন্তু মা-বাবার উৎসাহে পড়াশোনা চালিয়ে পরীক্ষায় বসেছে মেয়ে।
ওই নাবালিকার মা বলেন, ভালো সম্বন্ধ আসায় মেয়ের বিয়ে দিয়ে দিয়েছিলাম। তবে চাইতাম মেয়ে পড়াশোনা চালিয়ে যাক। আমাদের দোয়া, মেয়ে ভালো করে পাশ করুক। নাবালিকার স্কুলের প্রধান শিক্ষক বলেন, ওই ছাত্রীর বিয়ে হয়েছে, তা জানতাম না। আপনার মুখেই শুনলাম। নাবালিকা বিয়ে আটকাতে আমাদের প্রচার চলছে।
তবে এর মধ্যেই প্রশ্ন উঠছে, সরকার যখন নাবালিকা বিয়ে বন্ধে বিভিন্নভাবে উদ্যোগী, তখন এমন ঘটনা ঘটছে কীভাবে? এদিন ডোমকল মহকুমার একাধিক পরীক্ষা কেন্দ্রে পরীক্ষায় বসেছিল সদ্য বিবাহিত একাধিক নাবালিকা। হাতে শাখা-পলা পরেই তারা পরীক্ষা দিয়েছে।
গত বছরের হিসেবে একটি পরিসংখ্যান বলছে মুর্শিদাবাদ জেলার মোট প্রসূতি মায়ের ২১ থেকে প্রায় ২৬ শতাংশই নাবালিকা। কোনও কোনও ব্লকে সেই হার আরও বেশি। রানিনগর-১, রানিনগর-২, জলঙ্গি ব্লকের নাবালিকা মায়ের হার রীতিমতো উদ্বেগজনক। আর তাতেই প্রশ্ন উঠছে, এত প্রচারের পরেও নাবালিকার বিয়ে আটকানো যাচ্ছে না কেন? জেলা প্রশাসনের এক আধিকারিক জানান, নাবালিকা বিয়ে কিছু কিছু এলাকায় সামাজিক ব্যাধির মতো হয়ে দাঁড়িয়েছে। আমরা আমাদের তরফে সর্বস্ব চেষ্টা চালাচ্ছি। অনেকাংশে আমরা সফল হচ্ছি, কিছুক্ষেত্রে এত গোপনে বিয়ে দেওয়া হচ্ছে যে, আমরাও টের পাচ্ছি না। তবে আমাদের তরফে আরও জোর দিয়ে নাবালিকা বিয়ে আটকাতে লাগাতার সচেতন করা হচ্ছে।
ওই নাবালিকার মা বলেন, ভালো সম্বন্ধ আসায় মেয়ের বিয়ে দিয়ে দিয়েছিলাম। তবে চাইতাম মেয়ে পড়াশোনা চালিয়ে যাক। আমাদের দোয়া, মেয়ে ভালো করে পাশ করুক। নাবালিকার স্কুলের প্রধান শিক্ষক বলেন, ওই ছাত্রীর বিয়ে হয়েছে, তা জানতাম না। আপনার মুখেই শুনলাম। নাবালিকা বিয়ে আটকাতে আমাদের প্রচার চলছে।
তবে এর মধ্যেই প্রশ্ন উঠছে, সরকার যখন নাবালিকা বিয়ে বন্ধে বিভিন্নভাবে উদ্যোগী, তখন এমন ঘটনা ঘটছে কীভাবে? এদিন ডোমকল মহকুমার একাধিক পরীক্ষা কেন্দ্রে পরীক্ষায় বসেছিল সদ্য বিবাহিত একাধিক নাবালিকা। হাতে শাখা-পলা পরেই তারা পরীক্ষা দিয়েছে।
গত বছরের হিসেবে একটি পরিসংখ্যান বলছে মুর্শিদাবাদ জেলার মোট প্রসূতি মায়ের ২১ থেকে প্রায় ২৬ শতাংশই নাবালিকা। কোনও কোনও ব্লকে সেই হার আরও বেশি। রানিনগর-১, রানিনগর-২, জলঙ্গি ব্লকের নাবালিকা মায়ের হার রীতিমতো উদ্বেগজনক। আর তাতেই প্রশ্ন উঠছে, এত প্রচারের পরেও নাবালিকার বিয়ে আটকানো যাচ্ছে না কেন? জেলা প্রশাসনের এক আধিকারিক জানান, নাবালিকা বিয়ে কিছু কিছু এলাকায় সামাজিক ব্যাধির মতো হয়ে দাঁড়িয়েছে। আমরা আমাদের তরফে সর্বস্ব চেষ্টা চালাচ্ছি। অনেকাংশে আমরা সফল হচ্ছি, কিছুক্ষেত্রে এত গোপনে বিয়ে দেওয়া হচ্ছে যে, আমরাও টের পাচ্ছি না। তবে আমাদের তরফে আরও জোর দিয়ে নাবালিকা বিয়ে আটকাতে লাগাতার সচেতন করা হচ্ছে।



