Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

পরীক্ষাকেন্দ্রে প্রবেশের মুখে মেটাল ডিটেক্টর দিয়ে চেকিং 

পরীক্ষাকেন্দ্রে প্রবেশের মুখে মেটাল ডিটেক্টর দিয়ে চেকিং 
  • ২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ ০০:০০
Prefer us on Google
নিজস্ব প্রতিনিধি, পুরুলিয়া: এবার উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় নকল রুখতে আরও কড়া হচ্ছে সংসদ। পড়ুয়ারা যাতে কোনওভাবেই মোবাইল বা কোনও ইলেকক্ট্রনিক্স সামগ্রী নিয়ে ঢুকতে না পারে, তার জন্য পরীক্ষাকেন্দ্রে ঢোকার মুখেই থাকছে ‘মেটাল ডিটেক্টর’। প্রত্যেক পরীক্ষাকেন্দ্রে দু’টি করে মেটাল ডিটেক্টর থাকছে।  ইতিমধ্যেই সংসদ থেকে মেটাল ডিটেক্টর এসে পৌঁছেছে জেলার পরীক্ষাকেন্দ্রগুলিতে। শুধু তাই নয়, প্রশ্নপত্রের প্যাকেট খোলা নিয়েও এবছর কড়াকড়ি করেছে পর্ষদ। 
Advertisement
এনিয়ে জেলার বিদ্যালয় পরিদর্শক(মাধ্যমিক) মহুয়া বসাক বলেন, যে সমস্ত স্কুলে উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা হবে, তাদের হাতে শিক্ষা সংসদের তরফে একটি করে মেটাল ডিটেক্টর দেওয়া হচ্ছে। আর একটি স্কুলগুলিকে কিনতে বলা হয়েছে। নির্বিঘ্নে উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা সম্পন্ন করতে আমরা বদ্ধপরিকর। 
প্রসঙ্গত, আগামী সোমবার থেকে শুরু হচ্ছে উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা। তবে, এই পরীক্ষায় আগে একাধিকবার প্রশ্ন ফাঁসের অভিযোগ উঠেছে। পরীক্ষা শুরুর আগেই সমাজ মাধ্যমে ভাইরাল হয়ে যায় প্রশ্নপত্র। এই ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি যাতে না হয়, তাই গত বছরেই বেশকিছু স্পর্শকাতর পরীক্ষাকেন্দ্রে ‘মেটাল ডিটেক্টর’-এর ব্যবহার শুরু করে পর্ষদ। তবে, সেক্ষেত্রে পরীক্ষার্থীদের দেহ তল্লাশি করতেন ওই কেন্দ্রের দায়িত্বপ্রাপ্ত পুলিসকর্মীরা। এবছর অবশ্য কোনও পুলিস কর্মী নয়, দেহ তল্লাশি করবেন শিক্ষক-শিক্ষিকা কিংবা শিক্ষাকর্মীরাই। এরফলে প্রশ্নপত্র ফাঁসের মতো ঘটনা যেমন আটকানো যাবে, তেমনই পড়ুয়াদের নকল করাও অনেকটাই কম হবে বলে মনে করা হচ্ছে। সেইসঙ্গে প্রতি পরীক্ষাকেন্দ্রেই থাকছে সিসিটিভি। 
বৃহস্পতিবার পুরুলিয়ার রাজস্থান বিদ্যাপীঠে জেলার মেটাল ডিটেক্টর এসে পৌঁছয়। সেখানেই শিবির করে জেলার ৮৫টি পরীক্ষাকেন্দ্রের প্রধান শিক্ষকদের মেটাল ডিটেক্টর প্রদান করা হয়। এবছর প্রশ্নপত্রের নিরাপত্তা নিশ্ছিদ্র করতে ‘সর্টিং’-এর ক্ষেত্রেও নয়া ব্যবস্থা চালু করেছে শিক্ষা সংসদ। বিভিন্ন পরীক্ষাকেন্দ্রের মোট পরীক্ষার্থী সংখ্যার উপর নির্ভর করে প্রশ্নপত্রের প্যাকেটিং করা হবে। পরীক্ষার্থীদের সামনেই পরীক্ষা শুরুর পাঁচ মিনিট আগে খোলা হবে প্রশ্নপত্রের প্যাকেট। ফলে প্রশ্নপত্র ফাঁসের সম্ভাবনা আরও কমবে। উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার জেলা কনভেনর সত্যকিঙ্কর মাহাত বলেন, আগে থানা থেকে প্রশ্নপত্র পরীক্ষাকেন্দ্রের প্রধান পরীক্ষকের ঘরে আসত। সেখানেই প্রশ্নপত্রের প্যাকেট খুলে, তা পরীক্ষার হল অনুযায়ী পুনরায় সিল করে পাঠানো হতো। তবে, সেই সময় সেন্টার সেক্রেটারি, সেন্টার ইনচার্জ, ভেনু সুপার ভাইজারের মতো পদস্থ যাঁরা থাকেন, তাঁদের কাছে তো ফোন থাকে। তাঁদের দিক থেকেও যাতে প্রশ্নপত্র লিক না হয়, তাই এবছর থেকে প্রশ্নের প্যাকেট পড়ুয়াদের সামনেই খোলা হবে। এরফলে প্রশ্নফাঁসের কোনও জায়গাই থাকছে না। -নিজস্ব চিত্র
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ