নিজস্ব প্রতিনিধি, বর্ধমান: পরীক্ষাকেন্দ্রে ভাঙচুর করলে এবার কড়া পদক্ষেপ নেবে মধ্যশিক্ষা পর্ষদ। পরীক্ষার শেষ দিনে একশ্রেণির পড়ুয়াদের মধ্যে পরীক্ষাকেন্দ্র ভাঙচুর করা রেওয়াজ হয়ে উঠেছে। বিশেষ করে মালদহ, মুর্শিদাবাদ, বীরভূমের মতো জেলাগুলিতে এই প্রবণতা বেশি দেখা যায়। যা রুখতে কড়া পদক্ষেপ নিতে চলেছে পর্ষদ। এবার থেকে প্রতিটি স্কুলে জিওট্যাগ করা হবে। পরীক্ষা শুরু হওয়ার প্রথম এবং শেষ দিনের ছবি পোর্টালে আপলোড করা হবে। পর্ষদ জানিয়েছে, প্রতিটি স্কুলে সিসি ক্যামেরা রয়েছে। তাই কারা ভাঙচুর করছে তা চিহ্নিত করতে সময় লাগবে না। যে স্কুলের পড়ুয়ারা এই কাজ করবে তাদের ফলাফল আটকে রাখা হবে। যে স্কুলের পড়ুয়ারা ভাঙচুর করবে তাদের ক্ষতিপূরণও দিতে হবে।
Advertisement
শুক্রবার ওয়েস্টবেঙ্গল বোর্ড অব সেকেন্ডারি এডুকেশনের সভাপতি রামানুজ গঙ্গোপাধ্যায় মাধ্যমিক পরীক্ষার প্রস্তুতি খতিয়ে দেখতে পূর্ব বর্ধমান জেলায় আসেন। তিনি শিক্ষাদপ্তরের আধিকারিক এবং জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করেন। তিনি বলেন, সুষ্ঠভাবে পরীক্ষা শেষ করার জন্য সবরকম ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। পড়ুয়া এবং অভিভাবকরাও সহযোগিতা করবেন। অন্যান্য বছরের মতো এবারও সুষ্ঠভাবে পরীক্ষা শেষ হবে বলে আমরা আশাবাদী। পূর্ব বর্ধমান জেলা পরিষদের শিক্ষাদপ্তরের কর্মাধ্যক্ষ শান্তনু কোনার বলেন, প্রতিটি পরীক্ষাকেন্দ্রে পরিকাঠামো তৈরি করা হয়েছে। সিসি ক্যামেরা থাকছে। পানীয় জল, আলোর ব্যবস্থা করা হয়েছে।
পর্ষদ সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, টোকাটুকি বন্ধ করতে এবারও প্রশ্নপত্রে কিউআর কোড থাকছে। প্রশ্নপত্র ফাঁস হলে তা কোথা থেকে হয়েছে সেটা খুব সহজেই জানা যাবে। কোনও পরীক্ষার্থী প্রশ্নপত্র ভাইরাল করলে তার পরীক্ষা বাতিল করা হবে। স্কুলে প্রশ্নপত্র খোলার সময় দু’জন আধিকারিক এবং দু’জন নিরাপত্তাকর্মী থাকবেন। পরীক্ষা চলাকালীন পরীক্ষার্থীদের যাতে কোনও অসুবিধা না হয় তারজন্য সবরকম বন্দোবস্ত জেলা শিক্ষাদপ্তরকে করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তবে পড়ুয়ারা কোনও ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনার সঙ্গে জড়িয়ে গেলে তাদের বিরুদ্ধেও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কোনও পরীক্ষার্থী পরীক্ষাকেন্দ্রে ভাঙচুর করলে তাকে শাস্তির মুখে পড়তে হবে। এতদিন তাদেরকে সতর্ক করে ছেড়ে দেওয়া হতো। এবার থেকে স্কুলকে খেসারত দিতে হবে। এক আধিকারিক বলেন, কোনও কারণ ছাড়াই একশ্রেণির পড়ুয়াদের মধ্যে গণ্ডগোল করার প্রবণতা দেখা যায়। পরীক্ষার শেষদিন তারা ইচ্ছাকৃতভাবে টেবিল, চেয়ার বা ফ্যান ভাঙচুর করে। পড়ুয়াদের কাউন্সেলিং করার দায়িত্ব স্কুলের শিক্ষক-শিক্ষিকাদের নিতে হবে বলে পর্ষদ স্পষ্ট করে জনিয়েছে।
পর্ষদ সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, টোকাটুকি বন্ধ করতে এবারও প্রশ্নপত্রে কিউআর কোড থাকছে। প্রশ্নপত্র ফাঁস হলে তা কোথা থেকে হয়েছে সেটা খুব সহজেই জানা যাবে। কোনও পরীক্ষার্থী প্রশ্নপত্র ভাইরাল করলে তার পরীক্ষা বাতিল করা হবে। স্কুলে প্রশ্নপত্র খোলার সময় দু’জন আধিকারিক এবং দু’জন নিরাপত্তাকর্মী থাকবেন। পরীক্ষা চলাকালীন পরীক্ষার্থীদের যাতে কোনও অসুবিধা না হয় তারজন্য সবরকম বন্দোবস্ত জেলা শিক্ষাদপ্তরকে করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তবে পড়ুয়ারা কোনও ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনার সঙ্গে জড়িয়ে গেলে তাদের বিরুদ্ধেও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কোনও পরীক্ষার্থী পরীক্ষাকেন্দ্রে ভাঙচুর করলে তাকে শাস্তির মুখে পড়তে হবে। এতদিন তাদেরকে সতর্ক করে ছেড়ে দেওয়া হতো। এবার থেকে স্কুলকে খেসারত দিতে হবে। এক আধিকারিক বলেন, কোনও কারণ ছাড়াই একশ্রেণির পড়ুয়াদের মধ্যে গণ্ডগোল করার প্রবণতা দেখা যায়। পরীক্ষার শেষদিন তারা ইচ্ছাকৃতভাবে টেবিল, চেয়ার বা ফ্যান ভাঙচুর করে। পড়ুয়াদের কাউন্সেলিং করার দায়িত্ব স্কুলের শিক্ষক-শিক্ষিকাদের নিতে হবে বলে পর্ষদ স্পষ্ট করে জনিয়েছে।



