সংবাদদাতা, শীতলকুচি: দূরত্ব অনেক। তাই পরীক্ষাকেন্দ্র পরিবর্তনের দাবিতে বিক্ষোভ দেখাল উচ্চ মাধ্যমিক পড়ুয়ারা। সোমবার ঘটনাটি ঘটেছে শীতলকুচি ব্লকের নগর ডাকালিগঞ্জ হাইস্কুলে।
Advertisement
পড়ুয়াদের অভিযোগ, গতবারের পরীক্ষাকেন্দ্র ডাকঘড়া হাইস্কুল থেকে সরিয়ে এবছর জোরপাটকি হাইস্কুলে করা হয়েছে। নগর ডাকালিগঞ্জ হাইস্কুল থেকে আরও আট কিমি দূরে এই জোরপাটকি হাইস্কুল। সেই তুলনায় ডাকঘরা হাইস্কুলের দূরত্ব মাত্র চার কিমি। পরীক্ষার সময় এতটা পথ যাতায়াতে সমস্যা হতে পারে। তাই কেন্দ্র বদল করা হলে পরীক্ষার্থীদের আর সমস্যায় পড়তে হবে না।
এই স্কুলে সায়েন্স বিভাগ থাকায় গ্রামীণ এলাকার বহু পড়ুয়া ভর্তি হয়। এবছর ১৪০ জন পড়ুয়া উচ্চ মাধ্যমিকে বসবে। কিন্তু এতদূরে পরীক্ষাকেন্দ্র হওয়ায় উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার্থী ও তাদের অভিভাবকরা ক্ষুব্ধ। যদিও এদিন পড়ুয়াদের বুঝিয়ে বাড়ি পাঠিয়ে দেন স্কুলের প্রধান শিক্ষক স্বপন সিংহ। তিনি জানান, আমার স্কুলে ভাঐরথানা, খেংচি, আবুয়ারপাথার সহ বিভিন্ন এলাকার ছাত্রছাত্রীরা পড়তে আসে। তাদের বাড়ি থেকে পরীক্ষাকেন্দ্রের দূরত্ব প্রায় ১৫ কিমি। ওই পরীক্ষাকেন্দ্রে যাতায়াতের কোনও ব্যবস্থা নেই। ছাত্রছাত্রীরা বিষয়টি আমার কাছে তুলে ধরেছে। আমি তাদের দাবি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি।
পরীক্ষার্থীদের মধ্যে কৌশিক বর্মন জানায়, আমার বাড়ি থেকে স্কুল প্রায় আট কিমি আসতে হয়। এবছর পরীক্ষাকেন্দ্র স্কুল থেকে অনেকটাই দূরে পড়েছে। বাড়ি থেকে ঠিকমত গাড়ি পাওয়া যায় না। সকাল দশটায় পরীক্ষা শুরু হবে। পরীক্ষাকেন্দ্র বদল হওয়ায় আমাদের যাতায়াতে সমস্যা হবে। পরীক্ষাকেন্দ্র পরিবর্তনের দাবি জানিয়েছে সাগর পাল, কিশোর বর্মন সহ অন্যান্য পড়ুয়ারাও। যদিও বিষয়টি নিয়ে উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার ডিস্ট্রিক্ট অ্যাডভাইজারি কমিটির সদস্য বিশ্বজিৎ রায় জানান, পড়ুয়াদের যাতায়াতের সমস্যা হলে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানালে, গাড়ির ব্যবস্থা করা হবে।এই স্কুলে সায়েন্স বিভাগ থাকায় গ্রামীণ এলাকার বহু পড়ুয়া ভর্তি হয়। এবছর ১৪০ জন পড়ুয়া উচ্চ মাধ্যমিকে বসবে। কিন্তু এতদূরে পরীক্ষাকেন্দ্র হওয়ায় উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার্থী ও তাদের অভিভাবকরা ক্ষুব্ধ। যদিও এদিন পড়ুয়াদের বুঝিয়ে বাড়ি পাঠিয়ে দেন স্কুলের প্রধান শিক্ষক স্বপন সিংহ। তিনি জানান, আমার স্কুলে ভাঐরথানা, খেংচি, আবুয়ারপাথার সহ বিভিন্ন এলাকার ছাত্রছাত্রীরা পড়তে আসে। তাদের বাড়ি থেকে পরীক্ষাকেন্দ্রের দূরত্ব প্রায় ১৫ কিমি। ওই পরীক্ষাকেন্দ্রে যাতায়াতের কোনও ব্যবস্থা নেই। ছাত্রছাত্রীরা বিষয়টি আমার কাছে তুলে ধরেছে। আমি তাদের দাবি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি।



