সংবাদদাতা, দেওয়ানহাট: স্বপ্ন ছিল একচালা ছোট টিনের ঘরের পরিবর্তে পাকা ঘরের। যাতে বর্ষ বা শীতে একটু ভালোভাবে থাকা যায়। কিন্তু সাধ থাকলেও সাধ্য ছিল না। তাই ভরসা ছিল আবাস যোজনার টাকার উপর। কিন্তু আবাসের তালিকায় নাম থাকলেও রাজ্যের প্রতি কেন্দ্রীয় সরকারের বঞ্চনার জন্য আটকে যায় টাকা। পাকা ঘরে থাকার স্বপ্ন ভেঙে গিয়েছিল রেণুবালা কিন্নরের। আবাসের ঘরের আশায় থেকে বছর দু’য়েক আগে মারা যায় স্বামী। তবে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উদ্যোগে বাংলার বাড়ি প্রকল্পের টাকা পেয়ে অধরা স্বপ্ন এবার পূরণ হচ্ছে কোচবিহারের মহিষবাথানের ষাটোর্ধ্ব রেণুবালার।
Advertisement
বাংলার বাড়ির প্রথম কিস্তির ৬০ হাজার টাকা পেয়েছেন রেণুবালা। ইট, বালি, পাথর নিয়ে এসে পাকা ঘরের কাজ শুরু করতে পেরে আপ্লুত তিনি। রেণুবালা বলেন, একমাত্র মমতাই বোঝেন গরিবের কষ্ট। তিনি না থাকলে পাকা ঘরের স্বপ্ন কোনও দিন পূরণ হতো না। মমতা প্রকৃতই বাংলার গরিব মানুষের জননী। প্রকৃত বন্ধু।
শুধু রেণুবালা কিন্নর নন, একই কথা বলছেন খাগড়াবাড়ি গ্রাম পঞ্চায়েতের মহিষবাথানের মায়ারানি বর্মন, দুলুরানি বর্মন। মায়ারানি বলেন, পাকা ঘর করার সামর্থ নেই। তাই ভাঙাচোরা কাঁচা ঘরেই আছি। ভেবেছিলাম ঘর আর পাব না। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘোষণার পর আশায় বুক বাঁধতে শুরু করি। মুখ্যমন্ত্রী কথা রেখেছেন। প্রথম কিস্তির টাকা পেয়ে ঘরের কাজ শুরু করেছি। উনি না থাকলে আমাদের মতো গরিব মানুষের পাকা ঘরের স্বপ্ন অধরাই থাকত। একই বক্তব্য দুলুরানির।
স্থানীয় গ্রাম পঞ্চায়েত সদস্য মমতা ঘোষ বলেন, আমার ২২৮ নম্বর বুথে ৬২টি ঘর মঞ্জুর হয়েছে। বাংলার বাড়ি প্রকল্পে ঘর পেয়ে সকলেই খুশি। পরের তালিকায় আরও অনেকে ঘর পাবেন। প্রথম কিস্তির টাকা পাওয়ার পর প্রায় সকলেই বাড়ির কাজ করতে শুরু করেছেন।
ব্লক প্রশাসন সূত্রে খবর, বাংলার বাড়ি প্রকল্পে কোচবিহার-২ ব্লকের খাগড়াবাড়ির ৬১১ জনের নাম সমীক্ষার পর তালিকায় থাকলেও ৫৭৩টি ঘর মঞ্জুর হয়েছে। বাদ যাওয়া যোগ্যরা যাতে প্রকল্পের সুবিধা পান তারজন্য বিডিও’র নজরে বিষয়টি নিয়ে এসেছে পঞ্চায়েত কর্তৃপক্ষ। বিডিও বিশ্বজিৎ মণ্ডল বলেন, যেসব যোগ্য উপভোক্তার নাম তালিকা থেকে বাদ গিয়েছে তাঁদের বাড়িতে আবার সমীক্ষা করা হয়েছে। সেই তালিকা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হয়েছে। আশা করছি, তাঁরাও প্রকল্পের সুবিধা পাবেন।
শুধু রেণুবালা কিন্নর নন, একই কথা বলছেন খাগড়াবাড়ি গ্রাম পঞ্চায়েতের মহিষবাথানের মায়ারানি বর্মন, দুলুরানি বর্মন। মায়ারানি বলেন, পাকা ঘর করার সামর্থ নেই। তাই ভাঙাচোরা কাঁচা ঘরেই আছি। ভেবেছিলাম ঘর আর পাব না। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘোষণার পর আশায় বুক বাঁধতে শুরু করি। মুখ্যমন্ত্রী কথা রেখেছেন। প্রথম কিস্তির টাকা পেয়ে ঘরের কাজ শুরু করেছি। উনি না থাকলে আমাদের মতো গরিব মানুষের পাকা ঘরের স্বপ্ন অধরাই থাকত। একই বক্তব্য দুলুরানির।
স্থানীয় গ্রাম পঞ্চায়েত সদস্য মমতা ঘোষ বলেন, আমার ২২৮ নম্বর বুথে ৬২টি ঘর মঞ্জুর হয়েছে। বাংলার বাড়ি প্রকল্পে ঘর পেয়ে সকলেই খুশি। পরের তালিকায় আরও অনেকে ঘর পাবেন। প্রথম কিস্তির টাকা পাওয়ার পর প্রায় সকলেই বাড়ির কাজ করতে শুরু করেছেন।
ব্লক প্রশাসন সূত্রে খবর, বাংলার বাড়ি প্রকল্পে কোচবিহার-২ ব্লকের খাগড়াবাড়ির ৬১১ জনের নাম সমীক্ষার পর তালিকায় থাকলেও ৫৭৩টি ঘর মঞ্জুর হয়েছে। বাদ যাওয়া যোগ্যরা যাতে প্রকল্পের সুবিধা পান তারজন্য বিডিও’র নজরে বিষয়টি নিয়ে এসেছে পঞ্চায়েত কর্তৃপক্ষ। বিডিও বিশ্বজিৎ মণ্ডল বলেন, যেসব যোগ্য উপভোক্তার নাম তালিকা থেকে বাদ গিয়েছে তাঁদের বাড়িতে আবার সমীক্ষা করা হয়েছে। সেই তালিকা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হয়েছে। আশা করছি, তাঁরাও প্রকল্পের সুবিধা পাবেন।



