নিজস্ব প্রতিনিধি, জলপাইগুড়ি: শহরে পার্কিং জোন চিহ্নিত করতে নেমে কার্যত নাকানিচোবানি অবস্থা পুরসভার। আর এরই জেরে পিছিয়ে গেল টোটো নিয়ে বৈঠক। শহরে টোটো সমস্যা সমাধানে শনিবার পুরসভার বৈঠকে বসার কথা থাকলেও এদিন তা হয়নি। ঠিক কবে ওই বৈঠক হবে তাও স্পষ্ট করে জানাতে পারেনি পুর কর্তৃপক্ষ।
Advertisement
শুক্রবার থেকে পুলিস প্রশাসনকে সঙ্গে নিয়ে জলপাইগুড়ি শহরে পার্কিং জোন চিহ্নিত করতে নেমেছে পুরসভা। শনিবারও কোতোয়ালি থানা মোড় থেকে ডিবিসি রোড ধরে এগিয়ে কদমতলা মোড় হয়ে উকিলপাড়া পর্যন্ত পার্কিং জোন চিহ্নিতকরণের কাজ চলে। কিন্তু গোটা জলপাইগুড়ি শহরের রাস্তায় একটাই সমস্যা। ফুটপাত দখল করে রমরমিয়ে চলছে ব্যবসা। ফলে এখন ফুটপাত দখলমুক্ত করাটাই সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ পুরসভার।
এদিনও ডিবিসি রোডে ফুটপাত দখল করে চলা বেশকিছু দোকান সরিয়ে দেওয়া হয়। কিন্তু এসবে আখেরে লাভ হচ্ছে না। শুক্রবার জলপাইগুড়ি শহরের মার্চেন্ট রোডে দাঁড়িয়ে পুরসভার ভাইস চেয়ারম্যান সৈকত চট্টোপাধ্যায় মাইক হাতে হুঁশিয়ারি দেন, ফুটপাতের উপর যত দোকানের সামগ্রী রয়েছে, তা ২৪ ঘণ্টার মধ্যে সরিয়ে নিতে হবে। কিন্তু পুরসভার ওই হুঁশিয়ারির পরও কারও কোনও হেলদোল নেই। শনিবারও দেখা গিয়েছে, মার্চেন্ট রোডে ফুটপাতের উপর বহাল তবিয়তে দোকান চলছে।
এদিন অবশ্য পুরসভার ভাইস চেয়ারম্যান বলেন, ফুটপাত দখল করে কোনও ব্যবসা করা যাবে না বলে আমরা সাফ জানিয়ে দিয়েছি। এনিয়ে মাইকিংও করা হচ্ছে। তারপরও যদি ফুটপাতে দোকান থেকে যায়, আমরা তা বাজেয়াপ্ত করব।
পার্কিং জোন চিহ্নিতকরণের কাজে জোর দিতে গিয়েই যে এদিন টোটো নিয়ে বৈঠক করা যায়নি তা কার্যত স্বীকার করে নিয়েছেন ভাইস চেয়ারম্যান। তিনি বলেন, আমরা এখন পার্কিং জোন এবং নো পার্কিং জোন চিহ্নিতকরণের কাজ চালাচ্ছি। এদিনও ১১টি পার্কিং জোন চিহ্নিত করা হয়েছে। বেগুনটারি হয়ে শান্তিপাড়া পর্যন্ত রাস্তার দু’পাশে পার্কিং জোন হবে। সরস্বতী পুজোর আগেই পেইড পার্কিং চালু হয়ে যাবে। শহরবাসীর অবশ্য বক্তব্য, পার্কিং জোন চিহ্নিত করার দরকার আছে ঠিকই, কিন্তু তা বলে টোটো সমস্যাকে পুরসভার উপেক্ষা করা ঠিক নয়। কারণ, টোটো নিয়ন্ত্রণ করতে না পারলে শহরে যানজট কমানো সম্ভব নয়। এর আগে পুরসভা বলেছিল, বাইরের টোটো জলপাইগুড়ি শহরে ঢুকতে পারবে না। কিন্তু তা কার্যকর হয়নি। ভাইস চেয়ারম্যান বলেন, পুলিস প্রশাসনকে নিয়ে বৈঠক করে টোটো সমস্যার স্থায়ী সমাধানের ব্যাপারেও শীঘ্রই পদক্ষেপ করবে পুরসভা।
এদিনও ডিবিসি রোডে ফুটপাত দখল করে চলা বেশকিছু দোকান সরিয়ে দেওয়া হয়। কিন্তু এসবে আখেরে লাভ হচ্ছে না। শুক্রবার জলপাইগুড়ি শহরের মার্চেন্ট রোডে দাঁড়িয়ে পুরসভার ভাইস চেয়ারম্যান সৈকত চট্টোপাধ্যায় মাইক হাতে হুঁশিয়ারি দেন, ফুটপাতের উপর যত দোকানের সামগ্রী রয়েছে, তা ২৪ ঘণ্টার মধ্যে সরিয়ে নিতে হবে। কিন্তু পুরসভার ওই হুঁশিয়ারির পরও কারও কোনও হেলদোল নেই। শনিবারও দেখা গিয়েছে, মার্চেন্ট রোডে ফুটপাতের উপর বহাল তবিয়তে দোকান চলছে।
এদিন অবশ্য পুরসভার ভাইস চেয়ারম্যান বলেন, ফুটপাত দখল করে কোনও ব্যবসা করা যাবে না বলে আমরা সাফ জানিয়ে দিয়েছি। এনিয়ে মাইকিংও করা হচ্ছে। তারপরও যদি ফুটপাতে দোকান থেকে যায়, আমরা তা বাজেয়াপ্ত করব।
পার্কিং জোন চিহ্নিতকরণের কাজে জোর দিতে গিয়েই যে এদিন টোটো নিয়ে বৈঠক করা যায়নি তা কার্যত স্বীকার করে নিয়েছেন ভাইস চেয়ারম্যান। তিনি বলেন, আমরা এখন পার্কিং জোন এবং নো পার্কিং জোন চিহ্নিতকরণের কাজ চালাচ্ছি। এদিনও ১১টি পার্কিং জোন চিহ্নিত করা হয়েছে। বেগুনটারি হয়ে শান্তিপাড়া পর্যন্ত রাস্তার দু’পাশে পার্কিং জোন হবে। সরস্বতী পুজোর আগেই পেইড পার্কিং চালু হয়ে যাবে। শহরবাসীর অবশ্য বক্তব্য, পার্কিং জোন চিহ্নিত করার দরকার আছে ঠিকই, কিন্তু তা বলে টোটো সমস্যাকে পুরসভার উপেক্ষা করা ঠিক নয়। কারণ, টোটো নিয়ন্ত্রণ করতে না পারলে শহরে যানজট কমানো সম্ভব নয়। এর আগে পুরসভা বলেছিল, বাইরের টোটো জলপাইগুড়ি শহরে ঢুকতে পারবে না। কিন্তু তা কার্যকর হয়নি। ভাইস চেয়ারম্যান বলেন, পুলিস প্রশাসনকে নিয়ে বৈঠক করে টোটো সমস্যার স্থায়ী সমাধানের ব্যাপারেও শীঘ্রই পদক্ষেপ করবে পুরসভা।



