সংবাদদাতা, বর্ধমান: পরকীয়ায় বাধা পেয়ে প্রেমিকার স্বামীকে শ্বাসরোধ করে খুনের দায়ে এক ব্যক্তিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের নির্দেশ দিল বর্ধমান আদালত। সাজাপ্রাপ্তের নাম বাপ্পাদিত্য পান। হুগলির গোঘাট থানার বেলুনগ্রামে তার বাড়ি। এছাড়াও সাজাপ্রাপ্তকে খুনের জন্য ২০ হাজার টাকা ও প্রমাণ লোপাটের জন্য ৫ হাজার টাকা আর্থিক জরিমানার নির্দেশ দিয়েছে আদালত। জরিমানার টাকা না মেটালে তাকে আরও ছ’মাস সশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে। শুক্রবার বর্ধমানের প্রথম ফাস্ট ট্র্যাক কোর্টের বিচারক দেবাঞ্জন ঘোষ এই সাজা ঘোষণা করেছেন। মৃতের স্ত্রীর বিরুদ্ধে অবশ্য খুনে এবং প্রমাণ লোপাটে জড়িত থাকার তেমন তথ্য মেলেনি। ঘটনায় জড়িত থাকার বিষয়ে অকাট্য প্রমাণ না মেলায় মৃতের স্ত্রীকে বেকসুর খালাস ঘোষণা করেছেন বিচারক। রায়ের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আপিল করার কথা জানিয়েছেন সাজাপ্রাপ্তের আইনজীবী।
Advertisement
এই কেসের সরকারি আইনজীবী উদয়শঙ্কর কোনার বলেন, খুনের জন্য যাবজ্জীবন ও প্রমাণ লোপাটের দায়ে ৭ বছরের সশ্রম কারাদণ্ডের নির্দেশ দিয়েছেন বিচারক। জরিমানার টাকা না দিতে পারলে প্রথম ক্ষেত্রে আরও ছ’মাস এবং দ্বিতীয় ক্ষেত্রে আরও তিনমাস সশ্রম কারাদণ্ড খাটতে হবে সাজাপ্রাপ্তকে।
আদালত সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০১৭ সালের ৪ অক্টোবর সকালে মাধবডিহি থানার নন্দনপুর ঢালে নয়নজুলির পাশ থেকে এক ব্যক্তির বস্তাবন্দি পচাগলা দেহ উদ্ধার হয়। স্থানীয় এক বাসিন্দার কাছ থেকে খবর পেয়ে পুলিস দেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তে পাঠায়। মৃতের ডান হাতের কব্জির উপরে উল্কিতে এক মহিলার নাম লেখা ছিল। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট মেলার পর মাধবডিহি থানার ঘুষ্টিয়ার বাসিন্দা শেখ আসরুজ্জামান থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগ পেয়ে খুন ও প্রমাণ লোপাটের ধারায় মামলা রুজু করে তদন্তে নামে পুলিস।
তদন্তে নেমে পুলিস জানতে পারে, দেহটি গোঘাট থানা এলাকার পানপাতা গ্রামের বাসিন্দা খোকন মাঝির(৩৬)। তদন্তে আরও জানা যায়, ১৬ বছর আগে খোকনের বিয়ে হয়। খোকন পেশায় দিনমজুর ছিলেন। তাঁর দু’টি মেয়ে রয়েছে। তাঁর মৃত্যুর কিছুদিন আগেই বড় মেয়ের বিয়ে হয়। বাপ্পার সঙ্গে খোকনের বন্ধুত্বের সম্পর্ক ছিল। বাপ্পা বালিখাদের ম্যানেজার ছিল। খোকনের বড় মেয়ের বিয়েতে সে আর্থিক সাহায্য করেছিল। খোকনের বাড়িতে তার যাতায়াত ছিল। বাড়িতে যাতায়াতের সুবাদে বাপ্পার সঙ্গে খোকনের স্ত্রী পরকীয়ায় জড়িয়ে পড়ে। বিষয়টি খোকন মেনে নিতে পারেননি। এনিয়ে স্বামী–স্ত্রীর মধ্যে হামেশাই অশান্তি হতো। বাপ্পার সঙ্গে মেলামেশা না করার জন্য স্ত্রীকে বলেছিলেন খোকন। তারপরই পথের কাঁটা খোকনকে সরিয়ে দেওয়ার পরিকল্পনা করে বাপ্পা।
দুর্গাপুজোর দশমীর দিন বাপ্পার গ্রামে জলসা হয়। সেদিন মদ খাওয়ার সময় স্ত্রীর সঙ্গে অবৈধ সম্পর্ক নিয়ে বাপ্পার ও খোকনের মধ্যে তীব্র বচসা হয়। তারপর গামছা দিয়ে শ্বাসরোধ করে খোকনকে খুন করে সে। প্রমাণ লোপাটের জন্য মৃতদেহটি বস্তাবন্দি করে সাইকেলে চাপিয়ে নন্দনপুর ঢালে নয়নজুলির পাশে ফেলে রেখে যায় বাপ্পা। তাঁর স্ত্রী এবং বাপ্পা গ্রেপ্তার হওয়ার পর থেকে জেলেই ছিল।
আদালত সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০১৭ সালের ৪ অক্টোবর সকালে মাধবডিহি থানার নন্দনপুর ঢালে নয়নজুলির পাশ থেকে এক ব্যক্তির বস্তাবন্দি পচাগলা দেহ উদ্ধার হয়। স্থানীয় এক বাসিন্দার কাছ থেকে খবর পেয়ে পুলিস দেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তে পাঠায়। মৃতের ডান হাতের কব্জির উপরে উল্কিতে এক মহিলার নাম লেখা ছিল। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট মেলার পর মাধবডিহি থানার ঘুষ্টিয়ার বাসিন্দা শেখ আসরুজ্জামান থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগ পেয়ে খুন ও প্রমাণ লোপাটের ধারায় মামলা রুজু করে তদন্তে নামে পুলিস।
তদন্তে নেমে পুলিস জানতে পারে, দেহটি গোঘাট থানা এলাকার পানপাতা গ্রামের বাসিন্দা খোকন মাঝির(৩৬)। তদন্তে আরও জানা যায়, ১৬ বছর আগে খোকনের বিয়ে হয়। খোকন পেশায় দিনমজুর ছিলেন। তাঁর দু’টি মেয়ে রয়েছে। তাঁর মৃত্যুর কিছুদিন আগেই বড় মেয়ের বিয়ে হয়। বাপ্পার সঙ্গে খোকনের বন্ধুত্বের সম্পর্ক ছিল। বাপ্পা বালিখাদের ম্যানেজার ছিল। খোকনের বড় মেয়ের বিয়েতে সে আর্থিক সাহায্য করেছিল। খোকনের বাড়িতে তার যাতায়াত ছিল। বাড়িতে যাতায়াতের সুবাদে বাপ্পার সঙ্গে খোকনের স্ত্রী পরকীয়ায় জড়িয়ে পড়ে। বিষয়টি খোকন মেনে নিতে পারেননি। এনিয়ে স্বামী–স্ত্রীর মধ্যে হামেশাই অশান্তি হতো। বাপ্পার সঙ্গে মেলামেশা না করার জন্য স্ত্রীকে বলেছিলেন খোকন। তারপরই পথের কাঁটা খোকনকে সরিয়ে দেওয়ার পরিকল্পনা করে বাপ্পা।
দুর্গাপুজোর দশমীর দিন বাপ্পার গ্রামে জলসা হয়। সেদিন মদ খাওয়ার সময় স্ত্রীর সঙ্গে অবৈধ সম্পর্ক নিয়ে বাপ্পার ও খোকনের মধ্যে তীব্র বচসা হয়। তারপর গামছা দিয়ে শ্বাসরোধ করে খোকনকে খুন করে সে। প্রমাণ লোপাটের জন্য মৃতদেহটি বস্তাবন্দি করে সাইকেলে চাপিয়ে নন্দনপুর ঢালে নয়নজুলির পাশে ফেলে রেখে যায় বাপ্পা। তাঁর স্ত্রী এবং বাপ্পা গ্রেপ্তার হওয়ার পর থেকে জেলেই ছিল।



