নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: ২০০৮, ২০১৭ ও ২০১৯—এই তিন সময়ে বিহার থেকে জাল রেজিস্ট্রেশন নম্বর জোগাড় করে রাজ্যে রীতিমতো জেনারেল ডিউটি মেডিকেল অফিসারের সরকারি চাকরি করছেন তিন ভুয়ো ডাক্তার। এমন মারাত্মক অভিযোগ উঠল। এছাড়া জাল রেজিস্ট্রেশন নম্বর জোগাড় করে কলকাতা, দুই ২৪ পরগনা, পূর্ব বর্ধমান সহ বিভিন্ন জেলায় প্র্যাকটিস করা, অপারেশন করা, নার্সিংহোম করে ব্যবসা চালানোর একশোর বেশি অভিযোগ জমা পড়েছে। বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম এবং স্বাস্থ্যদপ্তরে এমনই অভিযোগ করেছে বেসরকারি হাসপাতাল এবং নার্সিংহোম এর নতুন সংগঠন অ্যাসোসিয়েশন অব প্রাইভেট হসপিটাল অ্যান্ড নার্সিংহোম। সংগঠনের রাজ্য সম্পাদক ডাঃ রাজীব পান্ডে বলেন, একশোর বেশি অভিযোগ পেয়েছি। রাজ্য সরকার এবং স্বাস্থ্যমন্ত্রী শারদ্বত মুখোপাধ্যায়ের কাছে আমাদের আবেদন, জনস্বার্থে এই ঘটনার তদন্ত হওয়ার অত্যন্ত দরকার আছে। কারণ, এইসব ব্যক্তিদের অনেকেই গুরুতর চিকিৎসার গাফিলতির ঘটনাতেও যুক্ত। রাজ্য মেডিকেল কাউন্সিল এবং তার পদাধিকারীদের ভূমিকাও তদন্ত করে দেখার দাবি জানাচ্ছি আমরা। এই সমস্ত অভিযোগ সিআইডি বা সিবিআই এর মত সংস্থার মাধ্যমে তদন্ত করা উচিত বলেও মনে করেন ডাঃ পান্ডে। এ বিষয়ে রাজ্য মেডিকেল কাউন্সিলের সভাপতি সুদীপ্ত রায় বলেন, যেসব ঘটনায় রাজ্য মেডিকেল কাউন্সিলের প্রসঙ্গ উঠেছে, সেই সময় কাউন্সিলের সভাপতিই ছিলাম না। তাও সরকার চাইলে নিশ্চিতভাবে তদন্ত করব। স্বাস্থ্যভবন সূত্রের খবর, স্বাস্থ্যমন্ত্রী শারদ্বতবাবুর নির্দেশে ইতিমধ্যেই ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। অভিযুক্ত চিকিৎসকদের একজনকে উত্তর ২৪ পরগনার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক প্রয়োজনীয় নথিপত্র সহ তলব করেছেন। এদিকে জাল রেজিস্টেশন ইস্যুতে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর কাছে তদন্তের দাবি জানিয়েছেন আইএমএ-র রাজ্য সম্পাদক ডাক্তার শান্তনু সেন।



