Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

বেসরকারি বাসস্ট্যান্ড নির্মাণ থমকে, পরিবহণমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বিধায়কের

বেসরকারি বাসস্ট্যান্ড নির্মাণ থমকে, পরিবহণমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বিধায়কের
  • ২০ জুন, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, সাঁইথিয়া: শুরুতেই থমকে গিয়েছে কাজ। সিউড়িতে নতুন বেসরকারি বাসস্ট্যান্ডের কাজের গতি আনতে পরিবহণমন্ত্রীকে চিঠি দিতে চলেছেন সিউড়ি বিধানসভার বিধায়ক। যদিও জেলা বাস মালিক সংগঠনের দাবি, নতুন বাসস্ট্যান্ডের কাজের কোনও অগ্রগতি নেই। শুধুমাত্র কিছুটা অংশ জুড়ে ঢালাই দিয়ে রাখা হয়েছে। সামান্য অংশের কাজ হয়নি। এ বিষয়ে সিউড়ি বিধানসভার বিধায়ক বিকাশ রায়চৌধুরী বলেন, নতুন বেসরকারি বাসস্ট্যান্ডের ব্যাপারে পরিবহনমন্ত্রীর সঙ্গে আমার আলোচনা হয়েছে। আলোচনা খুবই ফলপ্রসূ হয়েছে। মন্ত্রী আমাকে সোমবার তাঁর দপ্তরে লিখিত আকারে জানানোর জন্য বলেছেন। প্রায় ১ কোটি ৫৭ লক্ষ টাকা ব্যয়ে প্রথম পর্যায়ে কাজ শেষ হয়ে গিয়েছে। দ্বিতীয় পর্যায়ে কাজ দ্রুত শুরু করার জন্য আমি সর্বতোভাবে চেষ্টা করব। সিউড়ির ১ নম্বর ব্লকের কামালপুর মৌজায় তৈরি হচ্ছে নতুন বেসরকারি বাসস্ট্যান্ড। তার প্রথম পর্যায়ে কাজ প্রায় শেষ। এবার দ্বিতীয় পর্যায়ে কাজকে দ্রুত ত্বরান্বিত করতে পরিবহন দপ্তরের দ্বারস্থ হতে চলেছেন বিধায়ক। মূলত সিউড়ি শহর থেকে বেসরকারি বাসস্ট্যান্ড স্থানান্তর করে ১৪ নম্বর জাতীয় সড়ক সংলগ্ন সিউড়ি কামালপুর মৌজায় নতুন বাসস্ট্যান্ড তৈরির পরিকল্পনা করে পরিবহন দপ্তর। সেইমতো লোকসভা নির্বাচনের পরেই বিগত ২০২৪ সালের জুলাই মাস নাগাদ প্রথম পর্যায়ের কাজ শুরু হয়। বাসিন্দাদের অভিযোগ, প্রথম পর্যায়ের কাজ শেষ হওয়ার প্রায় এক বছর অতিক্রান্ত হয়ে গেলেও দ্বিতীয় পর্যায়ের কাজ শুরু করতে পারেনি প্রশাসন। একদিকে সিউড়ির নতুন বেসরকারি বাসস্ট্যান্ড তৈরীর কাজ অন্যদিকে রেলের ওভারব্রিজ নির্মাণের কাজ দুটোই হয়তো সিউড়িবাসীর স্বপ্ন হয়েই থেকে যাবে। বাসিন্দাদের অভিযোগ, যদিও কাজ শুরুর আগে থেকেই তৃণমূলের অন্দরে ক্ষোভ দেখা দিয়েছিল। প্রথম পর্যায়ে কাজেও কিছুটা ব্যাঘাত ঘটেছিল। তবে শেষ পর্যন্ত তৃণমূলের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে ঢাকঢোল পিটিয়ে নারকেল ফাটিয়ে কাজের সূচনা করা হয়। বাসিন্দাদের দাবি, সিউড়ি শহর থেকে বাসস্ট্যান্ড শহরের বাইরে গেলে যানজট অনেকটাই কমবে। এখন শহরের প্রাণ কেন্দ্রে যে বেসরকারি বাসস্ট্যান্ড রয়েছে তা পুরসভার নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। কিন্তু বাসস্ট্যান্ডে কাজের কাজ কিছুই হয়নি। আবর্জনায় ভর্তি থাকে বাসস্ট্যান্ড। পানীয় জলের ঠিকমতো বন্দোবস্ত নেই। রাতে আলো জ্বলে না ঠিক মতন। শৌচাগারেরও ব্যবস্থা নেই বললেই চলে। নতুন বাসস্ট্যান্ড তৈরি হলে সব কিছুরই বন্দোবস্ত থাকবে বলে আশাবাদী শহরবাসী। এ বিষয়ে শহরের এক বাসিন্দা ইন্দ্রনীল গঙ্গোপাধ্যায় বলেন, সিউড়ি শহরের ভেতর থেকে বাসস্ট্যান্ড বাইরে নিয়ে গেলে শহরের মধ্যে যানজট অনেকটাই কমবে। টোটোর উপদ্রব কমবে বেশ কিছুটা। তবে প্রশাসনের কাছে বাস্ট্যান্ড তৈরীর কাজ দ্রুত শেষের দাবি জানাচ্ছি। বীরভূম জেলা বাসমালিক সমিতির সহ-সম্পাদক তন্ময় পৈতন্ডী বলেন, নতুন বাসস্ট্যান্ডের কাজের কোনও অগ্রগতি নেই। সামান্য কিছু অংশ জুড়ে কাজ হয়েছে। আশা করব প্রশাসন দ্রুত কাজ শেষ করবে। -নিজস্ব চিত্র

Advertisement
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ